kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অফলাইন

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়-আশয় নিয়ে নিয়মিত স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন পাঠক-লেখকরা। সেগুলোই সংগ্রহ করলেন ইমন মণ্ডল

১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



অফলাইন

ঝগড়া

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার পর স্ত্রীরা কত রকমভাবেই না স্বামীদের যন্ত্রণা দিতে ভালোবাসেন। এর মাঝে সবচেয়ে কমন অস্ত্র হলো, ‘চললাম বাপের বাড়ি!’

স্বামী বেচারা তাতেও সয়ে যান। তো স্ত্রীরাও যখন দেখেন যে স্বামী সয়ে গেছেন; তখন তাঁরা নিত্যনতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। ‘চললাম বাপের বাড়ি’র আগে তাঁরা আলমারিতে স্বামীর সাইডে লক দিয়ে যান। ফ্রিজের সব খাবার আশপাশের বাসার ভাবীদের, বুয়াদের দিয়ে শেষ করে দিয়ে যান। স্বামীর কাপড়চোপড় সব বাথরুমে ভিজিয়ে রেখে যান। চিনির বৈয়ামে লবণ, লবণের বৈয়ামে চিনি ভরে রেখে যান। মোবাইলের চার্জার, হেডফোন, চেকবুক বা স্বামীর অন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কোনো ড্রয়ারে লক করে দিয়ে সঙ্গে চাবি নিয়ে চলে যান। আরো কত কী!

নির্যাতিত স্বামীরা স্ত্রীদের সঙ্গে পেরে উঠতে না পেরে তাঁদের বশ্যতা স্বীকার করে নেন।

আর যেসব স্বামী বোকা তাঁরা করেন উল্টো রাগারাগি, ঝগড়াঝাঁটি। পরিবেশ হয় অস্থির! আর বুদ্ধিমান স্বামীরা স্ত্রীদের মিষ্টিভাবে যন্ত্রণা দিতে যা করেন, তা হলো, ‘রাতের বেলা বাড়ি ফেরার সময় তিন-চার কেজি গুঁড়া মাছ, আট-দশটা পাঙ্গাশ মাছ কিংবা জবাই করা হাঁস আর এক গাদা শাক নিয়ে আসেন। আর মিষ্টি গলায় বলেন, ‘ওগো! আজ রাস্তা দিয়ে আসার সময় তোমার হাতে রান্না করা গুঁড়া মাছ/পাঙ্গাশ মাছ ভাজা/হাঁসের মাংস/শাক খেতে ইচ্ছা করছিল। তুমি যা রাঁধো না! উফফ!’

বেচারা স্ত্রী তখন একই সঙ্গে প্রশংসায় গদগদ না হয়েও পারেন না; আবার এই এতগুলো টাকা দিয়ে কেনা জিনিসগুলোর একটা ব্যবস্থা না করেও পারেন না! ভেতরে তখন যে কী চলতে থাকে, তা শুধু স্ত্রীরাই ভালো বলতে পারবেন।

সার্জিল খান

বিয়ে

ছেলেরা বিয়ের আগে : তোমার জন্য মরতে পারি, ও সুন্দরী তুমি গলার মালা।

ছেলেরা বিয়ের পরে : কী জ্বালা, সইতে পারি না, বউ লাগে এখন খালা।

মেয়েরা বিয়ের আগে : অনেক সাধনার পরে আমি, পেলাম তোমার মন।

মেয়েরা বিয়ের পরে : বিয়ের আগেই কেন আমার, হলো না মরণ।

মারুফ আহমেদ

হালকা হইছে

একজন খুব আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করল—ভাই, নতুন মন্ত্রিসভা কেমন হইলো?

বললাম, কিছুটা হালকা হইছে।

হালকা হইছে! কী বলেন আপনে!

হুম! হালকাই তো। খবরে দেখলাম, হেভিওয়েটরা সব বাদ।

পলাশ মাহবুব

 

কারণ

নিউটনের মতো লোক আমাদের দেশে জন্ম হয় না। কারণ আপেল বাগান কম; কিন্তু আমাদের দেশে প্রচুর সরিষা হয়, তাই তেল মারার লোকের অভাব হয় না।

মাহি খান

 

জীবন

পানির অপর নাম জীবন। কী দরকার গোসল করে এক বালতি জীবন নষ্ট করার।

বাবা মঈন

অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ

অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ কী?

প্রেমে ব্যর্থ হওয়ার পর মা-বাবার এনে দেওয়া সান্ত্বনা পুরস্কার।

মাহিন সাবিন রাফি পুটুশি

 

 

জীবনের লক্ষ্য

—আপনার জীবনের লক্ষ্য কী?

—বিজয় সরণি সিগন্যাল এক চান্সে পার হওয়া।

আল নাহিয়ান

 

থাকে যখন পাওয়ার

দারুণ কাটে আওয়ার,

সুযোগ থাকে পাওয়ার

অনেক কিছু খাওয়ার।

পাওয়ার যখন শেষ

তখন অনেক ক্লেশ।

চঞ্চল কুমার ভৌমিক

 

আগে-এখন

আগে বিয়ে করত সুখী সংসারের উদ্দেশ্যে, এখন বিয়ে করে ফেসবুকে ছবি আপলোডের উদ্দেশ্যে যেন ছবি দেখে ঊঢ জ্বলে।

রাফিউজ্জামান সিফাত

নাম

মেঘনা, যমুনা, মধুমতী নদীর নামে ব্যাংক হলো। ফারমার্স ব্যাংকের নাম হচ্ছে পদ্মা। চিন্তার বিষয় হলো, ডাকাতিয়া নামেও এ দেশে একটা নদী আছে।

চৌধুরী নিয়াজ মোর্শেদ লিমন

 

এমপিথ্রি

টানা তিন মেয়াদে এমপি হলে তাকে গঢ়৩ বলে!

সেলিম মোল্লা

 

 

লেখকের জীবন

যদি রোজগার থাকে তাহলে বউ যা বলে...

আপনি চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছেন—‘শশশ...শব্দ করো না। বিশ্রাম নিতে দাও। সারাক্ষণ যে রকম মাথা খাটায়।’

আপনি আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন—‘একেবারে বিরক্ত করো না। ভাবছে।’

আপনি টিভি দেখছেন—‘প্লট খুঁজছো নাকি? এক কাপ চা দেব?’

আপনি লিখছেন—‘ও যখন লিখে, দেখলেই মন ভরে যায়। খুব পবিত্র একটা আবহ তৈরি হয় ওকে ঘিরে।’

যদি রোজগার না থাকে—

আপনি চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছেন—‘কাম নাই, কাজ নাই, খালি ঘুম। একটা মানুষ এত অকর্মা হয় কেমন করে।’

আপনি আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন—‘দিনের বেলায় কি তারা গুনতেছো? যাও, বাজারটা করে আনো। তবু কিছু কাজ হোক তোমাকে দিয়ে।’

আপনি টিভি দেখছেন—‘দেখি রিমোটটা দাও, সিরিয়াল দেখব। জীবনে তো কিছু দিলা না আমাকে, অন্তত সিরিয়ালটা ঠিকমতো দেখতে দাও।’

ইহতিশাম আহমেদ টিংকু

 

২০০ বছর পরে কোন একদিন...

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা