kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ নভেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নিখোঁজের পাঁচ বছর পর উদ্ধার যুবকের কঙ্কাল

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

৬ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিখোঁজের পাঁচ বছর পর উদ্ধার যুবকের কঙ্কাল

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় পাঁচ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া খাইরুল মীর নামের এক যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল উপজেলার কানুদাশকাঠি গ্রামের একটি মসজিদের পেছন থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।

গতকাল ঝালকাঠি সিআইডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার মো. এহসানুল হক বলেন, মাদক কারবার নিয়ে বিরোধের জেরে খাইরুলকে হত্যা করে লাশ মাটিচাপা দেন মাদক কারবারি ফোরকান, সোহাগ, মনির ও গিয়াস।

সিআইডি জানায়, ২০১৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মোবাইল ফোনে কল করে রাজাপুরের বাইপাস এলাকার নিজ বাড়ি থেকে খাইরুলকে নলবুনিয়া গ্রামে ডেকে নেন ফোরকান।

বিজ্ঞাপন

পরে ওই গ্রামের মনিরের বাড়িতে খাইরুলকে পিটিয়ে হত্যা করেন ফোরকান, সোহাগ, মনির ও গিয়াস। পরে তাঁর লাশ মনিরের বাড়ির পাশে মাটিচাপা দেওয়া হয়। ঘটনার এক মাস পর সেখান থেকে লাশ উত্তোলন করে পাশের কানুদাশকাঠি গ্রামের একটি মসজিদের পেছনে বাঁশঝাড়ের মধ্যে মাটি চাপা দেন তাঁরা। কিন্তু তা দেখে ফেলেন কানুদাশকাঠি গ্রামের বাসিন্দা মিজান হাওলাদার মিজু।

তিনি আরো জানান, খাইরুলকে অপহরণের পর গুম করা হয়েছিল বলে ধারণা করছিল তাঁর পরিবার। এই ঘটনায় খাইরুলের ছোট ভাই সিরাজুল ইসলাম ২০১৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাজাপুর থানায় মামলা করেন। ওই বছরের ২৬ ডিসেম্বর মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে গত সোমবার মিজুকে আটক করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত এবং লাশ কোথায় চাপা দেওয়া হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে তা জানান মিজু। পরে কানুদাশকাঠি গ্রামের ওই মসজিদের পেছন থেকে খাইরুলের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার মো. এহসানুল হক বলেন, খাইরুল মীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে অভিযুক্ত করা হবে। গিয়াস মারা যাওয়ায় তাঁর নাম বাদ দেওয়া হবে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মিজান হাওলাদার মিজুকে সাক্ষী বানানো হবে।

 



সাতদিনের সেরা