kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ময়মনসিংহে দেড় মাসে মাদরাসার ৪ শিক্ষার্থী নিখোঁজ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

১ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ময়মনসিংহে দেড় মাসে মাদরাসার ৪ শিক্ষার্থী নিখোঁজ

গত দেড় মাসে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ ও নান্দাইল উপজেলার বিভিন্ন মাদরাসা থেকে চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। এর মধ্যে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান মেলেনি। এ নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন তাদের স্বজনরা।

নিখোঁজরা হলো—ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের গুইলাকান্দা গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে রিসান মিয়া (১৩), একই উপজেলার সোহাগি ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে তামিম মিয়া (১৪), মগটুলা ইউনিয়নের মধুপুর নয়াপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের ছেলে ইয়াহিয়া মাহমুদ (১৫) এবং নান্দাইল ইউনিয়নের ভাটি সাভার এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে আসিফ মিয়া (১৭)।

বিজ্ঞাপন

এই শিক্ষার্থীরা ঈশ্বরগঞ্জ ও নান্দাইল উপজেলার বিভিন্ন মাদরাসায় পড়ত।

নিখোঁজ রিসানের বাবা ওমর ফারুক জানান, গত ২০ আগস্ট তাঁর ছেলে পাশের সরিষা ডেকুয়ারচর দাখিল মাদরাসায় যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। ওই মাদরাসায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিসান। কিন্তু পরে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে কোথাও পাওয়া যায়নি। শেষে ২৩ আগস্ট তিনি থানায় জিডি করেন। জিডি নম্বর ৯১৬। এরপর এক মাসের বেশি সময় পার হলেও কোথাও আর রিসানের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

তারাকান্দি গ্রামের দুলাল মিয়া জানান, তাঁর ছেলে তামিম ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর মাদরাসায় পড়ত। গত ১৫ আগস্ট সে নিখোঁজ হয়। পরে জানা যায় ওই মাদরাসায় এক সময় পড়ালেখা করত পাশের খানপুর গ্রামের শাহাব উদ্দিনের ছেলে শুভ মিয়া। সে-ই তামিমকে নিয়ে গেছে। এর পর থেকে শুভর মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। দুলাল মিয়া আরো জানান, শুভ এর আগেও আরো এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে নিয়ে গেছে বলে তার অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন। ওই শিক্ষার্থীও আর বাড়ি ফিরে আসেনি। দুলাল মিয়া গত ১৫ সেপ্টেম্বর ছেলের সন্ধান চেয়ে থানায় জিডি করেন। জিডি নম্বর ৯০৮।  

৩৭ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে মগটুলা ইউনিয়নের মধুপুর নয়াপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের ছেলে ইয়াহিয়া মাহমুদ (১৫)। ২৫ আগস্ট সে বাড়ি ছাড়ে। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেনি। তার সন্ধানও পাওয়া যাচ্ছে না।

নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল ইউনিয়নের ভাটি সাভার গ্রামের একটি মাদরাসায় পড়ত রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার মুজিবুর রহমানের ছেলে আসিফ মিয়া। দুই মাস আগে সে-ও নিখোঁজ হয়। সেই থেকে এখনো তার সন্ধান মেলেনি।

এই দুই ঘটনায়ও থানায় জিডি হয়েছে। তবে জিডি নম্বর জানা যায়নি।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি পীরজাদা মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘প্রযুক্তির ব্যবহার করে নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ’

নান্দাইল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, ‘নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের স্বজনরা আমাদের সহায়তা চাইলে সার্বিক সহায়তা দেওয়া হবে। ’

 



সাতদিনের সেরা