kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ইডেন ছাত্রলীগে বিভক্তি

সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজ প্রশাসনের তদন্ত কমিটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজ প্রশাসনের তদন্ত কমিটি

রাজধানীর ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে তদন্ত কমিটি করেছে কলেজ প্রশাসন। তবে কমিটিতে কারা রয়েছেন বা কত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি কলেজ কর্তৃপক্ষ।

এদিকে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার অনুসারীরা ক্যাম্পাসে ফিরেছেন। ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় বিতাড়িত হওয়ার পর গতকাল মঙ্গলবার প্রথবারের মতো ক্যাম্পাসে ফেরেন তাঁরা।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ‘অনৈতিক’ কার্যকলাপে বাধ্য করার অভিযোগের বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইডেন কলেজ শিক্ষার্থীদের একাংশ।

ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার তদন্ত করতে চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে কলেজ প্রশাসন। গতকাল কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য। তদন্ত কমিটির বিষয়ে তিনি বলেন, সংঘর্ষের কারণ জানতে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে চার সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকা চারজন শিক্ষক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অনুসারীদের নিয়ে কলেজে ফিরেছেন রিভা ও রাজিয়া। এ বিষয়ে স্থগিত কমিটির সহসভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ায় আমরা কলেজে ফিরেছি। কলেজের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ’

মানববন্ধন

ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখীর ‘অনৈতিক’ কার্যকলাপে বাধ্য করার অভিযোগের বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইডেন কলেজ শিক্ষার্থীদের একাংশ।

গতকাল সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ইডেন কলেজের সামনে এই মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা সামিয়া আক্তার বৈশাখীকে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ছাত্রলীগ নেত্রীদের নিজেদের মধ্যে আধিপত্য ও স্বার্থের দ্বন্দ্বে কেন ইডেন কলেজ কলুষিত হবে? তাঁরা তো সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমস্যা বা সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কথা বলেন না। সব শিক্ষার্থী তো ছাত্রলীগও করে না। তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কেন চারিত্রিক অপবাদ দেবেন? এটা অন্যায়, তাঁকে এ জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

এদিকে নিজের বক্তব্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ক্ষমা চেয়েছেন সামিয়া আক্তার বৈশাখী। গতকাল তিনি লেখেন, ‘ইডেন কলেজের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে গণমাধ্যমে আমার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি। ’



সাতদিনের সেরা