kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

ক্ষমা চাইল সিটি ব্যাংক, চার কঠিন শর্তে রেহাই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




ক্ষমা চাইল সিটি ব্যাংক, চার কঠিন শর্তে রেহাই

দেশে চলমান ডলারসংকটের মধ্যে ‘আগ্রাসীভাবে’ মুনাফা করে দি সিটি ব্যাংকসহ বেসরকারি ছয় ব্যাংক। এর মধ্যে সিটি ব্যাংক ৩৪০ শতাংশ মুনাফা করেছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ।

বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এলে সিটি ব্যাংকসহ ছয়টি ব্যাংক তাদের অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ক্ষমা করেছে চারটি কঠিন শর্তে।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বৃহস্পতিবার এসংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিনের কাছে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগের পরিদর্শনে যে অভিযোগ পরিলক্ষিত হয়েছে, ব্যাংকের পক্ষ থেকে পাঠানো জবাব বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগ পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, যেহেতু প্রথমবারের মতো এজাতীয় অতিমুনাফা অর্জনের বিষয়টি সংঘটিত হয়েছে মর্মে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে, সেহেতু সার্বিক বিষয় বিবেচনায় চারটি শর্ত দিয়ে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।   

সিটি ব্যাংককে দেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম শর্তে বলা হয়েছে, বৈদেশিক বাণিজ্য লেনদেনের মাধ্যমে গত মে ও জুন মাসে যে পরিমাণ মুনাফা অর্জিত হয়েছে, তার অর্ধেক পরিমাণ সিএসআর ফান্ডে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। মুনাফার ওই অর্থ সংরক্ষণের পর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকের আয় খাতে স্থানান্তর করা যাবে।

দ্বিতীয় শর্তে বলা হয়, সিএসআর ফান্ডের অর্থ (গত মে ও জুন মাসের মুনাফার অর্ধেক) ব্যবহারের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

তৃতীয় শর্তে বলা হয়, ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসহ ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাংকিংসংক্রান্ত সব নিয়ম-নীতি অনুসরণসহ রাষ্ট্রের স্বার্থে নৈতিকতার বিষয়টি অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থ শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বাজারসহ সার্বিক মুদ্রাবাজারকে অস্থিতিশীল করতে পারে, এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে।

এর আগে আগস্ট মাসের শুরুর দিকে দেশের বাজারে ডলারসংকটকে পুঁজি করে কয়েকটি ব্যাংক বাড়তি মুনাফা করেছে বলে অভিযোগ ওঠে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর এমডিরা এ নিয়ে পরিস্থিতির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। তাঁরা এ ধরনের ভুল আর হবে না বলেও জানিয়েছেন। এ জন্য বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

 



সাতদিনের সেরা