kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ আগস্ট ২০২২ । ১ ভাদ্র ১৪২৯ । ১৭ মহররম ১৪৪৪

ডিজেল-কেরোসিনের দাম লিটারে বাড়ল ৩৪ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডিজেল-কেরোসিনের দাম লিটারে বাড়ল ৩৪ টাকা

নসরুল হামিদ

দেশে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে লিটারপ্রতি দাম হয়েছে ১১৪ টাকা। গতকাল শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়।

গতকাল শুক্রবার রাতে জ্বালানি বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গতকাল বারিধারার বাসভবনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছিলেন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন। তবে জনগণের দুর্ভোগ হয়, এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না। পাশাপাশি বলেছিলেন চলতি অথবা আগামী মাসে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানান তিনি।

নসরুল হামিদ বলেন, পেট্রল, অকটেন নিয়ে চিন্তা নেই, মাথাব্যথা হয়েছে ডিজেল। ডিজেল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পরিবহন খাতে। সেদিকটাও সরকার বিবেচনা

 করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে। এখানে কোনো ভর্তুকি নেই, সব লোকসান দিচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। বিপিসির লোকসান আট হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা দাম সমন্বয় করার কথা চিন্তা করছি। তবে তা জনগণের সহনীয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা হবে। সরকার একটি মেকানিজম বের করার চেষ্টা করছে, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়ে গেলে এখানেও বাড়ে। আবার কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যাবে। ’

জ্বালানি তেলের দাম বিইআরসির মাধ্যমে না করে নির্বাহী আদেশে করা হচ্ছে কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার মনে করছে আপাতত নির্বাহী বিভাগের হাতে থাকলেই ভালো। ’

বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশে বাড়ানো সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কতটা কমেছে, সে বিষয়টি বুঝতে হবে। দর উঠেছিল ১৭০ ডলারে, এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩৪ ডলারে। ৭৯ ডলারের ওপরে গেলে লোকসান দিতে হয়। ’ অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্প্রতি গ্যাসের যে দাম বাড়ানো হয়েছে তা ২০২১ সালের দরে। যুদ্ধের কারণে অনেক দাম বেড়ে গেছে, এখন আবার সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে লোড শেডিং দিয়ে কী ফল পাওয়া গেল—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো বিএনপির মতো অন্ধকার যুগে চলে যাইনি। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ লোড শেডিং করছে। রাজধানীতে এর ফলাফল ভালো শৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে লোড শেডিং হচ্ছে। তবে গ্রামাঞ্চলে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এক ঘণ্টার লোড শেডিং তিন-চার ঘণ্টা পর্যন্ত গড়াচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ’ মাস শেষে বিল এলে সাশ্রয়ের বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা মিলবে বলে মনে করেন প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি বিইআরসির এখতিয়ারে। তারা গণশুনানি গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম শেষ করে এনেছে। চলতি অথবা আগামী মাসে দর ঘোষণা করতে পারে।

 



সাতদিনের সেরা