kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

‘প্রয়োজনে’ মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘প্রয়োজনে’ মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলবে

অনুমোদিত এলাকার বাইরে মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং করা যাবে না এবং পবিত্র ঈদুল আজহার আগের তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের তিন দিন কোনো মহাসড়কে যৌক্তিক কারণ ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো যাবে না। পাশাপাশি এক জেলায় নিবন্ধিত মোটরসাইকেল অন্য জেলায় চালানো যাবে না। তবে যৌক্তিক ও অনিবার্য প্রয়োজনে পুলিশের অনুমতি নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো যাবে।

এ ছাড়া নিত্যপণ্য, কাঁচামাল, ওষুধ, জ্বালানি তেল, গার্মেন্টসামগ্রী, রপ্তানি পণ্য, পচনশীল দ্রব্য, পশুবাহী ট্রাক ছাড়া ভারী পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি ঈদের আগের তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের তিন দিন সারা দেশের মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে।

বিজ্ঞাপন

এ নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গতকাল রবিবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, মহাসড়কের ওপরে পশুর হাট  বসানো যাবে না। এ সময় তিনি ফিটনেসবিহীন গাড়িতে কোরবানির পশু পরিবহন না করার জন্য পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অনুরোধ জানান। সেই সঙ্গে সিএনজি ফিলিং স্টেশন সার্বক্ষণিক খোলা রাখার বিষয়ে উদ্যোগ নিতেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানান মন্ত্রী। পোশাক শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার জন্য তিনি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর  প্রতিও আহ্বান জানান।

সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় অনেক পশুবাহী যানবাহন এ পথে ঢাকায় আসবে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। এ ছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়বে। এ চাপ মোকাবেলায় পদ্মা সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাসহ, বঙ্গবন্ধু সেতু, মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোল প্লাজায় বুথের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন। গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠক শেষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী সাংবাদিকদের জানান, প্রয়োজন ছাড়া এক জেলার মোটরসাইকেল অন্য জেলায় যেতে পারবে না। জরুরি কারণে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে হলে পুলিশের অনুমতি নিয়ে যাওয়া যাবে।

তবে বৈঠক সূত্র কালের কণ্ঠকে জানায়, ঈদে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। বাস মালিক শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ঈদে মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের বিষয়ে জোরালো আলোচনা করা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। তবে মোটরসাইকেলে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন বন্ধের কথা বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে দূরপাল্লায় মোটরসাইকেল নিরুৎসাহ করার কথা বলা হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠান বলেন, ঈদে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে যা কিছু করা দরকার, সেই সব বিষয়ে কমিটি একমত প্রকাশ করেছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে মোটরসাইকেল নিয়ে।

 



সাতদিনের সেরা