kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

পদ্মা সেতু

ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে হবে : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে হবে : হাইকোর্ট

পদ্মা সেতুর বিরোধিতাকারীরা উন্নয়নবিরোধী মন্তব্য করে হাইকোর্ট বলেছেন, তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করা নিয়ে পাঁচ বছর আগের স্বপ্রণোদিত রুলটি গত রবিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। গতকাল সোমবার সেটি শুনানির জন্য উঠলে আদালত ওই মন্তব্য করেন।

আদালত বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ।

বিজ্ঞাপন

এটি জাতীয় উন্নয়নের প্রতীক। আমাদের অহংকার। জাতীয় স্বার্থেই পদ্মা সেতু। এর বিরোধিতাকারীরা উন্নয়নের বিরুদ্ধে। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরোধিতাকারীরা দেশ, জাতির শত্রু। তাদের খুঁজে বের করতে হবে। ’

এরপর আদালত প্রয়োজনীয় আদেশের জন্য আজ মঙ্গলবার দিন ধার্য রাখেন। তবে এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর বক্তব্য শুনবেন বলে জানিয়েছেন আদালত। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আর দুদকের পক্ষে আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা সেতুতে অর্থায়নের জন্য চুক্তি করেও পরে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে প্রথমে তা স্থগিত এবং পরে বাতিল করে। এরপর নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ সরকার।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন চুক্তি বাতিল হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন দৈনিক পদ্মা সেতু ষড়যন্ত্রে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে জড়িয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেসব প্রতিবেদন নজরে আসার পর ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে রুলসহ আদেশ দেন। ১৯৫৬ সালের ‘ইনকোয়ারি অ্যাক্টের ৩ ধারা এবং অন্যান্য আইন অনুযায়ী পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, জানতে রুল জারি করেন। ‘প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের’ কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয় রুলে।

মন্ত্রিপরিষদসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, যোগাযোগসচিব, দুদক চেয়ারম্যান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এ ছাড়া কমিটি বা কমিশন গঠনে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা জানিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে মন্ত্রিপরিষদসচিবকে নির্দেশ দেন আদালত।

ওই কমিশন গঠন নিয়ে সরকারের তিনটি মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালাচালি হলেও পরে আর এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

 



সাতদিনের সেরা