kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

বিশ্বব্যাংকের অভিনন্দন

পদ্মা সেতু নির্মাণ বাংলাদেশের জন্য ‘গৌরবের বিষয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পদ্মা সেতু নির্মাণ বাংলাদেশের জন্য ‘গৌরবের বিষয়’

পদ্মা সেতু প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণকে বাংলাদেশের জন্য ‘গৌরবের বিষয়’ বলে অভিহিত করেছেন বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুনাইদ কামাল আহমেদ। এদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বল সেতুর কাজ শেষ হওয়ায় আনন্দিত বলে উল্লেখ করেছেন।

বাসসের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস জুনাইদ কামাল আহমেদকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণ দেশের (বাংলাদেশ) জন্য একটি গৌরবের বিষয়।

বিজ্ঞাপন

’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে দেশের যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে এবং পদ্মা সেতু এই খাতকে আরো শক্তিশালী করেছে। ’ তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনের পাশাপাশি উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

গতকাল শনিবার সেতুর মাওয়া প্রান্তে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে অংশ নিতে গিয়ে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বল সাংবাদিকদের বলেন, পদ্মা সেতু হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণ বিপুল সুবিধা পাবে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী। আমরা এ সেতুর গুরুত্ব স্বীকার করি। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ বিপুল অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে। এ সেতুর কাজ শেষ হওয়ায় আমরা আনন্দিত। খুশি লাগছে বাংলাদেশ এ সেতুর মধ্য দিয়ে লাভবান হবে। ’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের সহযোগী হিসেবে আমরা নিবিড়ভাবে বাংলাদেশের পাশে আছি। এ সেতুর মধ্য দিয়ে চাকরির ক্ষেত্র তৈরি হবে, যাত্রাপথে সময় কমবে, জনগণের আয় বাড়বে, বিনিয়োগের বাজার তৈরি হবে এবং জনগণের দারিদ্র্য কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে। ’

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করে সরকার। পরে প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্রকল্পের অর্থায়ন থেকে সরে যায় সংস্থাটি।



সাতদিনের সেরা