kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

ভারতে আবার ১১ দিনের হেফাজতে পি কে হালদার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৮ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতে আবার ১১ দিনের হেফাজতে পি কে হালদার

পি কে হালদার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারকে ১১ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। তাঁর চারজন সহযোগীকেও ১১ দিনের হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিচারক সৌভিক ঘোষ গতকাল শুক্রবার এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের আগামী ৭ জুন আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং অর্থপাচার মামলার পলাতক আসামি পি কে হালদার। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও পাচারের অভিযোগে অন্তত ৩৫টি মামলা রয়েছে। গত ১৩ মে পশ্চিমবঙ্গে চার সহযোগীসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পি কে হালদারসহ তাঁর সহযোগীদের ১১ দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল আদালতে হাজির করা হয়। ইডির পক্ষে আইনজীবী অরিজিৎ ঘোষ আসামিদের ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চান। পি কে হালদারের আইনজীবীরা তাঁকে নতুন করে হেফাজতে নেওয়ার বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত ১১ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

এর আগে স্থানীয় সময় গতকাল দুপুর ২টায় আসামিদের আদালতে তোলা হয়। পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তারের পর পি কে হালদারদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনে ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।

দুদক কমিশনার বললেন

পি কে হালদারকে দেশে আনা হবে

আমাদের মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। অর্থপাচারের অভিযোগে ভারত ও বাংলাদেশ—দুই দেশের আদালতেই তাঁর বিচার হবে।

গতকাল সকালে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা এলাকায় ড. মোজাম্মেল হক খান কলেজে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন দুদক কমিশনার। তিনি বলেন, ‘পি কে হালদার বাংলাদেশের নাগরিক। দেশের অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত। এরই মধ্যে তাঁর কয়েকজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা করা হয়েছে। সহযোগীরা অর্থপাচারের বিষয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারলে আরো অজানা তথ্য বের হয়ে আসবে। এসব তথ্য মামলা নিষ্পত্তিতে সহায়তা করবে। ’

 

 



সাতদিনের সেরা