kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জুন ২০২২ । ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৯ জিলকদ ১৪৪৩

পুলিশের সামনে ধর্ষণ মামলার বাদীকে আসামির লাথি

মাদারীপুর প্রতিনিধি   

২৬ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশের সামনে ধর্ষণ মামলার বাদীকে আসামির লাথি

মাদারীপুরে আদালতের এজলাসের বাইরে হাতকড়া পরা অবস্থায় পুলিশের সামনেই ধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটে লাথি মেরে মেঝেতে ফেলে দিয়েছেন ২ নম্বর আসামি মেহেদী হাসান শিকদার। এ সময় বাদীর স্বামীকে মারধর করেন আসামির স্বজনরা। পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেন। গতকাল বুধবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী ও বাদী জানান, মাদারীপুরের কালকিনি থানায় ধর্ষণ মামলার আসামি মেহেদী হাসান শিকদার গতকাল জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে আসেন। এ সময় তাঁর এক হাতে হাতকড়া ছিল। পরে তিনি এজলাস থেকে বের হওয়ার সময় অন্য হাত দিয়ে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মামলার বাদীকে হাত টেনে নিচে ফেলে পেটে লাথি মারেন। এ সময় বাদীর স্বামী এগিয়ে এলে তাঁকে মারধর করেন আসামির স্বজন মামুন প্যাদা ও সোহাগ শিকদার। পরে বাদী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান তাঁরা।

মামলার বাদী বলেন, “আসামি মেহেদী হাসান পুলিশের সামনেই আমার ওপর হামলা চালায় ও পেটে লাথি মারে। আমার স্বামীকে আসামির ভাইয়েরা মারধর করে। আসামির ভাই মামুন প্যাদা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে, ‘যদি আমার ভাই জামিন না পায়, তোদের দেখে নেব। ’”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুর আদালতের পুলিশ পরিদর্শক রমেশ চন্দ্র দাস বলেন, ‘ধর্ষণ মামলার এক আসামি বাদীকে লাথি মারার চেষ্টা করেছিল। তবে পুলিশ তাত্ক্ষণিক আসামিকে টেনে সরিয়ে নিয়ে গেছে। ’

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে কালকিনিতে দাঁতের চিকিৎসক সাইদুর রহমান কিরণের কাছে চিকিৎসা নিতে যান এক গৃহবধূ। সেখানে কিরণ তাঁকে চিকিৎসার নামে অচেতন করেন। এরপর ধর্ষণ ও ভিডিও করেন। পরে সেই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে কিরণ ও তাঁর দুই বন্ধু মেহেদী হাসান শিকদার, সোহাগ মোল্লা গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী গৃহবধূ একসময় তাঁর স্বামীকে বিষয়টি জানান। পরে এই তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কালকিনি থানায় একটি মামলা করেন গৃহবধূ।



সাতদিনের সেরা