kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

দক্ষিণ আফ্রিকায় যাচ্ছেনই না সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

১০ মার্চ, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দক্ষিণ আফ্রিকায় যাচ্ছেনই না সাকিব

সাকিব

একই সঙ্গে দুটো সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখে গিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। দুবাই যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে শারীরিক ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদের জন্য এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছিলেন। পাশাপাশি আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের ওয়ানডে সিরিজে বিশ্রামে থেকে টেস্ট খেলা যায় কি না, আলোচনার মাধ্যমে সে রকম একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছার দুয়ারও খুলে রেখে গিয়েছিলেন। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সর্বশেষ যোগাযোগে সেটিও বন্ধ করে দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ আফ্রিকায় কোনো সংস্করণেই তিনি খেলতে চান না বলে জানিয়ে দিয়েছেন, থাকতে চান পুরো বিশ্রামে। এই অবস্থায় তাঁকে ‘জোর’ না করে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকেই বিশ্রামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।

সাকিবের সিদ্ধান্ত জানার পরপরই গতকাল বিকেলে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের কর্মস্থল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের কার্যালয়ে এক সভায় বসেন সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা। সেখান থেকে বেরিয়েই ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস জানান, সাকিবের স্বার্থেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। দেশ ছাড়ার আগে এই অলরাউন্ডারকে ভাবার জন্য দুই দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষে বোর্ড সভাপতিকে মৌখিকভাবে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়া নিশ্চিত করার পরও মত বদলানোয় তাঁকে যা কিছু জানানোর লিখিতভাবেই জানাতে বলা হয়েছিল। সেটি যেমন জানাননি, তেমনি নিজে থেকে জালালকে ফোনও করেননি সাকিব, ‘ওকে ই-মেইল করতে বলা হয়েছিল। সেটি করেনি, শুধু একটি এসএমএস পাঠায়। দুই দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর আজ আমি নিজেই ওকে ফোন দিই। ’

ফোনালাপে ওয়ানডে সিরিজ না খেলে টেস্ট খেলার কথা বলেছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জালাল বলেছেন, ‘এখন কোনো সংস্করণেই খেলতে চায়নি। সে বলছে যে শারীরিক ও মানসিকভাবে এখনো ক্রিকেট খেলার জন্য আনফিট। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেই যেতে চাচ্ছে না সে, বাদ দিতে চাচ্ছে। ’ তাই বোর্ড সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে ঠিক হয়েছে, ‘সভাপতির সঙ্গে সভায় প্রধান নির্বাহী ছিলেন, আমি ছিলাম এবং ছিলেন বোর্ডের আরো কয়েকজন পরিচালকও। সাকিবের স্বার্থের কথা চিন্তা করে আমরা একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ওকে বিশ্রাম দেওয়া দরকার। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ওকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। আমাদের সিদ্ধান্তটি ওকে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। ’ বিশ্রামে থাকার সময় সাকিবের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সুযোগও রাখা হয়নি। গতকাল সন্ধ্যায় বিসিবির পাঠানো বিবৃতিতেই নিশ্চিত করা হয়েছে সেটি। অর্থাৎ ১৫ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও (ডিপিএল) খেলতে পারবেন না তিনি। অবশ্য এই আসরে মোহামেডানের হয়ে খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন সাকিব।



সাতদিনের সেরা