kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

ভূমধ্যসাগরে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভূমধ্যসাগরে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যু

লিবিয়া থেকে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম ও অভিবাসন নিয়ে কাজ করা এনজিও তাঁদের জাতীয়তা বাংলাদেশি বলে উল্লেখ করেছে।

উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া থেকে ২৮০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে বহনকারী একটি সাধারণ নৌকা বিপজ্জনকভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালির লাম্পেদুসা দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল। যাত্রাপথে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় সাতজন মারা গেছেন।

বিজ্ঞাপন

তাঁরা সবাই বাংলাদেশি বলে ইতালির গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

লাম্পেদুসার মেয়র তোতো মারতেলো বলেন, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময়ই তিনজন মারা যান। চারজন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কোস্ট গার্ড নৌকাটিকে দ্বীপে নেওয়ার সময় ওই চারজনেরও মৃত্যু হয়।

গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইতালির একজন কৌঁসুলি বলেছেন, কোস্ট গার্ড সদস্যরা লাম্পেদুসার কাছের জনবসতিহীন দ্বীপ লাম্পিওনি থেকে প্রায় ১৮ মাইল (২৯ কিলোমিটার) দূরে নৌকাটি দেখতে পান। পরে তাঁরা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধার করেন। ওই কৌঁসুলি বলেন, তাঁর দপ্তর অবৈধ অভিবাসনে সহায়তাকারী ও মানুষ হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।

চলতি বছর প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও হাজারো অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপের উদ্দেশে প্রাণঘাতী যাত্রা করছে। সাধারণত শীতের সময় অভিবাসীদের এই যাত্রা বন্ধ থাকে। ইউরোপের উদ্দেশে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের এই বিপজ্জনক যাত্রা আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্য মেডিটেরিয়ান হোপ মাইগ্রেশন প্রজেক্ট টুইটারে বলেছে, লিবিয়া থেকে যাত্রা করা ২৮০ জন অভিবাসী মূলত বাংলাদেশ, মিসর, মালি ও সুদানের নাগরিক। তাদের প্রায় সবাই অতিরিক্ত শীতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।

উদ্ধারকৃত ব্যক্তিদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং আফ্রিকার উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত ছোট্ট দ্বীপে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল ১০০ জনের কিছু বেশি লোককে জাহাজে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।

হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা এবং সমুদ্র উত্তাল থাকা সত্ত্বেও এই মাসে এ পর্যন্ত এক হাজার ৭৫০ জনেরও বেশি লোক ইতালিতে এসেছে।

গত বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৩৭৯। প্রায়ই এ পথে নৌকা ডুবে বছরে বহু লোকের মৃত্যু হচ্ছে।

 



সাতদিনের সেরা