kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

বন্দর ও সদরে ভোট বেশি পেয়েছেন আইভী

হাসান শিপলু   

১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বন্দর ও সদরে ভোট বেশি পেয়েছেন আইভী

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বন্দর ও সদর থানায় ভোট বেশি পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াত আইভী। তবে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা থানায় ভোট কম পেয়েছেন।

প্রদত্ত ভোট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বন্দর থানায় তিনি পেয়েছেন ৫৬.৮৫ শতাংশ ভোট। সদর থানায় পেয়েছেন ৫৯.২১ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফুতল্লা থানায় পেয়েছেন যথাক্রমে ৫১.১৭ ও ৪৮.৪২ শতাংশ ভোট।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে প্রাপ্ত কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের প্রদত্ত ভোট বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

আইভীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৈমূর আলম খন্দকার সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লায় পেয়েছেন যথাক্রমে ৩১.২৭ শতাংশ ও ৪৮.৪৩ শতাংশ। বন্দরে পেয়েছেন ৩০.১২ শতাংশ ভোট। আর সদরে পেয়েছেন ৩২.৭২ শতাংশ।

সিটি করপোরেশনের চার থানার প্রতিটিতে আইভী বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু বলেন, ‘আইভীর কর্ম ভোটের ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। তিনি নগরে উন্নয়ন করেছেন। ’

প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা থানায় ব্যবধান যথাক্রমে ১৯.৯ ও ১১.৪৯ শতাংশ। বন্দর ও সদর থানায় এই হার ২৫.৬৫ ও ২৬.৭৩ শতাংশ।

নির্বাচনে ১৯২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৮৩টিতে জিতেছেন আওয়ামী লীগের আইভী। মাত্র ৯টি কেন্দ্রে জিতেছেন স্বতন্ত্র প্রাার্থী তৈমূর আলম খন্দকার। তিনটি ভোটকেন্দ্রে দ্বিতীয়ও হতে পারেননি তিনি।

নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারের চেয়ে ৬৬ হাজার ৫৩৫ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হন আইভী। তিনি পান এক লাখ ৫৯ হাজার ৯৭ ভোট। অন্যদিকে তৈমূর পান ৯২ হাজার ৫৬২ ভোট। ভোট পড়ে ৫৬.৩২ শতাংশ।

সর্বনিম্ন ৩০.৫১ শতাংশ ভোট পড়ে এবিসি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কেন্দ্রে। কেরামতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৭৯.৯১ শতাংশ ভোট পড়ে। সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট পড়েছে ৭৪টি কেন্দ্রে। ৭০ থেকে ৭৯ শতাংশ ভোট পড়ে ১২টি কেন্দ্রে। ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে ৬২টি কেন্দ্রে। ৪০ শতাংশের নিচে ভোট পড়েছে ১২টি কেন্দ্রে।

তৈমূর আলম খন্দকার চাপাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুড়িপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় পূর্ব ভবন এবং রাদপুর দারুল উলুম মাদরাসা কেন্দ্রে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকতে পারেননি। ওই তিন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রার্থী মাওলানা মো. মাছুম বিল্লাহ ভোটপ্রাপ্তিতে দ্বিতীয় হয়েছেন। তৈমূর আলম খন্দকার যে ৯টি কেন্দ্রে বেশি ভোট পেয়েছেন, সেগুলো হলো—মা আমেনা মেমোরিয়াল কিন্ডারগার্টেন পুরুষ ভোটকেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ (হোস্টেল ভবন), মহিলা কলেজ (অনার্স ভবন), আদর্শ স্কুল নারায়ণগঞ্জ (পশ্চিম পাশের ভবন), নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা, গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (্উত্তর পাশের ভবন), গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (পশ্চিম পাশের ভবন), ফুলকলি ল্যাবরেটরি হাই স্কুল (পুরুষ ভোটকেন্দ্র) এবং ১০২ নম্বর শিমরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

 



সাতদিনের সেরা