kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত আদর্শে দেশ চলবে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত আদর্শে দেশ চলবে

ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে যে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দিয়েছিলেন, সে মতেই বাংলাদেশ চলবে। আর দেশের এই অগ্রযাত্রা যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও সবাইকে সতর্ক করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনাসভায় সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন।

তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আলোচনাসভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে (পাকিস্তানের কারাগার থেকে) এসে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কিভাবে চলবে, সেই নীতিনির্ধারণী বত্তৃদ্ধতা দিয়েছিলেন। যে আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ চলবে, সেই আদর্শ তিনি ব্যক্ত করেছিলেন। আর সেই আদর্শ নিয়েই আমাদের চলতে হবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আর দেশের এই অগ্রযাত্রা যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়। ’

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এ দেশের উন্নয়নের চাকাটা গতিশীল থাকবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খুনি-যুদ্ধাপরাধী, দুর্নীতিবাজদের কোনো স্থান বাংলার মাটিতে হবে না। এ কথাটা তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘জনগণের অধিকার নিয়ে আমরা কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে অতীতে যারা ছিনিমিনি খেলেছে, তারা শাস্তি পেয়েছে। বাংলাদেশের

মানুষ তাদের ক্ষমতা থেকে হটিয়েছে। আর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি বলেই আমরা আজ ১৩ বছর পূর্ণ করতে পেরেছি এবং পর পর তিনবার ক্ষমতায় আসতে পেরেছি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হলে সেটা সম্ভব ছিল না। এটা হচ্ছে বাস্তবতা। আর এই বাস্তবতাকে স্বীকার করতে হবে। ’

দলের অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ অনুষ্ঠানে বত্তৃদ্ধতা করেন। আরো বত্তৃদ্ধতা করেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান ও এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, কেন্দ্রীয় সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জ্বল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণ ও উত্তরের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী ও শেখ বজলুর রহমান।

দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এমপি গণভবন থেকে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

জাতির পিতা দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসতে শিখিয়ে গেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে তিনি যে বলেছিলেন, এ দেশের মানুষ অন্ন পাবে, বস্ত্র পাবে, উন্নত জীবন পাবে—সেটাই আমাদের আদর্শ। ’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে সবাইকে টিকা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে মাস্ক ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রত্যেকে টিকা নেবেন, টিকার কোনো অভাব নেই। পাশাপাশি তিনি বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসন, জিয়াউর রহমানের নির্বাচন নিয়ে প্রহসন এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিভিন্ন আভাস তুলে ধরে দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দাও করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ভালো কাজ করলেই তার বিরুদ্ধে লেগে থাকাটা এক শ্রেণির মানুষের অভ্যাস। কারণ যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে সরকার গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, যারা দেশের উন্নয়নকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে চেয়েছিল, তাদের কিছু প্রেতাত্মা এখনো সমাজে আছে, রাজনৈতিক অঙ্গনে আছে এবং তারাই এগুলো করে বেড়াচ্ছে। বিদেশের কাছে নালিশ করে বেড়াচ্ছে। সূত্র : বাসস

 



সাতদিনের সেরা