kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ মাঘ ১৪২৮। ২০ জানুয়ারি ২০২২। ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

নারায়ণগঞ্জ সিটির ভোট ১৬ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জ সিটির ভোট ১৬ জানুয়ারি

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ২০১১ সালে সিটি করপোরেশন হিসেবে যাত্রা শুরুর পর এটি হবে তৃতীয় নির্বাচন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সভা শেষে তফসিল ঘোষণা করেন কমিশন সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের এটিই শেষ গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এর আগে ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর নাসিক নির্বাচন হয়েছিল। এরপর ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি করপোরেশনের প্রথম সভা হয়। সে হিসাবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি এ সিটি করপোরেশনের বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের মেয়াদ শেষ হবে। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুসারে মেয়াদ শেষের আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

নাসিকের তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ ডিসেম্বর। ২০ ডিসেম্বর বাছাই। আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৭ ডিসেম্বর।

এদিকে একই সময়সূচিতে জাতীয় সংসদের শূন্য টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপনির্বাচন ও পাঁচটি পৌরসভায় ভোট হবে। এসব নির্বাচনও হবে ইভিএমে। পৌরসভাগুলো হলো নোয়াখালী, নাটোর ও বাগাতীপাড়া, যশোরের ঝিকরগাছা এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালী।

এদিকে গতকাল নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের তারিখ ৫ জানুয়ারি অপরিবর্তিত রেখে পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের তফসিল পুনর্নির্ধারণ করেছে। পুনঃতফসিল অনুসারে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ৭ ডিসেম্বরের বদলে ৯ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ৯ ডিসেম্বরের বদলে ১২ ডিসেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৫ ডিসেম্বরের বদলে ১৯ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

নাসিক নির্বাচনে আলোচনায় আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী : নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নাসিক নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের চার প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তাঁরা হলেন বর্তমান মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চন্দন শীল ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা। এরই মধ্যে চারজনই দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা বলেন, ‘গত সোমবার আমাদের দলীয় সভা হয়েছে। সেই সভায় আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল, চন্দন শীল ও আমার নাম মেয়র পদে প্রার্থিতার জন্য প্রস্তাবাকারে কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

অন্যদিকে মেয়র পদে বিএনপির একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও তাঁরা তাকিয়ে আছেন কেন্দ্রের দিকে। তাঁদের মধ্যে ২০১১ সালে নির্বাচন থেকে হঠাৎ বসে যাওয়া জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামালের নামই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। এ ছাড়া ২০১৬ সালে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ টিপুর নামও আলোচনায় রয়েছে।

এ ব্যাপারে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল বলেন, ‘আমি গতবারও দলের মনোনয়ন চেয়েছিলাম। দল যদি নির্বাচনে যায় তাহলে এবারও আমি মনোনয়ন চাইব।’

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে আমি সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছি। নির্বাচনের বিষয়ে দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। দল যে সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই আমরা মাথা পেতে নেব। তবে এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার বিষয়টাই আসল ইস্যু।’



সাতদিনের সেরা