kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

রামপুরায় বাস চাপায় ছাত্র নিহত ৯ বাসে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রামপুরায় বাস চাপায় ছাত্র নিহত ৯ বাসে আগুন

রাজধানীর রামপুরায় গত রাতে বাসচাপায় ছাত্র নিহত হওয়ার পর বাসে আগুন দেয় জনতা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর রামপুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় আরো এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাস পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। ভাঙচুর করা হয় আরো কয়েকটি বাস।

গত রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারের সামনে অনাবিল পরিবহনের একটি বাস মাঈনুদ্দিন ইসলাম দুর্জয় (১৭) নামের এক শিক্ষার্থীকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। এই দুর্ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছে। দুর্ঘটনার পরই বিক্ষুব্ধ জনতা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে অনন্ত ৯টি বাসে আগুন দেয়। এর মধ্যে দূরপাল্লার বাসও রয়েছে। একই সঙ্গে তারা বাস চলাচল বন্ধ করে এক ঘণ্টার বেশি সময় রাস্তা অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট ও পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনতাকে সরিয়ে দেয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, নিহত মাঈনুদ্দিন এ বছর স্থানীয় একরামুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। তার বাবার নাম আব্দুর রহিম। বাসা পূর্ব রামপুরার তিতাস রোডে। নিহতের বন্ধু মারুফ ইসলাম জানায়, রাস্তা পার হওয়ার সময় বেপরোয়া গতির অনাবিল পরিবহনের বাসটি মাঈনুদ্দিনকে চাপা দেয়। এ সময় বোনের জামাই সাদ্দাম তার সঙ্গে ছিলেন। আহত অবস্থায় তিনি চিকিৎসাধীন।

রামপুরার বাসিন্দা রাকিব হোসেন জানান, বাসের চাপায় ওই শিক্ষার্থীর শরীর পিষে গেছে। এ সময় উত্তেজিত জনতা অনাবিলের বাসটিসহ কয়েকটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার এরশাদ আলী জানান, রামপুরা সড়কে বাসে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে তাঁদের বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রামপুরা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম রাত ১টার দিকে কালের কণ্ঠকে বলেন, বাসটির চালককে আটক করা হয়েছে। এখনো নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। 

এদিকে গতকাল দুপুরেও রামপুরায় রাইদা পরিবহনের ৪০টি বাস আটক করেছিল ইম্পেরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এক সহপাঠীকে ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে বাসগুলো আটক করে তারা। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে বাস মালিকদের সঙ্গে সমঝোতায় বিকেলে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।

 



সাতদিনের সেরা