kalerkantho

শনিবার । ৮ মাঘ ১৪২৮। ২২ জানুয়ারি ২০২২। ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

হত্যার ৪৩ মামলায় আসামি ১৮৫২

এস এম আজাদ   

১৯ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



হত্যার ৪৩ মামলায় আসামি ১৮৫২

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার ১৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশের ২৫টি জেলায় সহিংসতায় গতকাল পর্যন্ত ৪৯ জন নিহত হয়েছেন। হত্যা মামলা হয়েছে ৪৩টি। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রায় দুই হাজার ব্যক্তিকে।

বিজ্ঞাপন

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, আসামিরা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁদের গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ। পুলিশ সদর দপ্তর থেকেও অস্ত্র উদ্ধারসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু  মাঠ পর্যায়ে তার প্রতিফলন দেখা যায় না।

কালের কণ্ঠের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যানুযায়ী, নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় যে ৪৯ জন নিহত হয়েছেন, তাঁদের ২২ জনই গুলিতে মারা যান। এসব ঘটনায় হওয়া হত্যা মামলায় প্রার্থীসহ ২৬ জন স্থানীয় নেতাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের চারজন স্থানীয় নেতা আছেন। বাকিরা আওয়ামী লীগের প্রতীকধারী ও বিদ্রোহী প্রার্থী।  

নিহতের মধ্যে নরসিংদীতে দুই দফায় ৯ জন, বরিশালে ছয়জন, কক্সবাজারে পাঁচজন এবং মাগুরায় চারজন নিহত হন। এ ছাড়া  গাইবান্ধা, মেহেরপুর, রাঙামাটি ও ঢাকার ধামরাইয়ে দুজন করে নিহত হয়েছেন। সিলেট, নড়াইল, রাজবাড়ী, ঝালকাঠি, চট্টগ্রাম, রংপুর, পাবনা, কুমিল্লা, মাদারীপুর, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাট, মৌলভীবাজার, যশোর, ভোলা ও নওগাঁয় একজন করে নিহত হয়েছেন। নওগাঁয় গতকাল মারা যাওয়া ব্যক্তি ১২ নভেম্বর সংঘর্ষে আহত হন।  

হত্যা মামলাগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, আওয়ামী লীগের বিজয়ী দুই চেয়ারম্যান ও আট মেম্বার মামলার প্রধান আসামি হয়েছেন। বাকি প্রধান আসামিদের মধ্যে আওয়ামী লীগের পরাজিত দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং সম্ভাব্য একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিএনপির একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর ভাইসহ চার নেতা, আওয়ামী লীগের একজন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, চারজন পরাজিত মেম্বার, পরবর্তী ধাপের তিন সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী ও একজন চেয়ারম্যানের জামাতা আছেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. কামরুজ্জামান বলেন, সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে কেউ যেন অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করতে না পারে, তা কঠোরভাবে দেখতে পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারসহ পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।  

নরসিংদীতে পাঁচ মামলায় গ্রেপ্তার ১৪, পাঁচটি অস্ত্র উদ্ধার : নরসিংদীতে সবচেয়ে বেশি ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় পাঁচটি হত্যা মামলায় ২৩৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরো শতাধিক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ১৪ জনকে। নরসিংদীতে গতকাল পর্যন্ত পাঁচটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

২৮ অক্টোবর রায়পুরার পাহারতলীতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ওই ঘটনায় মেম্বার বড় শাহ আলম ও সহযোগীদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে। ৪ নভেম্বর সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নে সংঘর্ষে মেম্বার পদপ্রার্থী আবুল খায়েরের তিন সমর্থক নিহত হন। খায়ের বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দিপুর অনুসারী। ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ মিয়া চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ায় দিপুর সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব চলছিল। পরে আসাদুল্লাহ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। তবে তিন খুনের ঘটনায় তাঁকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর বাঁশগাড়িতে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (সাবেক চেয়ারম্যান) আশরাফুল হক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (ভোটে জয়ী) রাতুল হাসানের সমর্থকদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন আরো তিনজন। নিহত জাহাঙ্গীরের মা পরাজিত চেয়ারম্যান আশরাফুল হককে প্রধান আসামি করে মামলা করেছেন।

নরসিংদীর পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আশরাফুল আজীম বলেন, আসামি গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।  

কক্সবাজারে পাঁচ মামলায় ২৫৮ আসামি, গ্রেপ্তার ৯ : কক্সবাজারে পাঁচটি হত্যাকাণ্ডে পাঁচ মামলা হয়। আসামি করা হয় ২৫৮ জনকে। এসব মামলায় গতকাল পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ৫ নভেম্বর রাতে কক্সবাজার সদরের লিংকরোড স্টেশনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন মেম্বার পদপ্রার্থী কুদরতউল্লাহ সিকদার কক্সবাজার থানায় ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এজাহার নাম আছে এমন কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তবে ইমাম খায়ের নামের সাবেক ছাত্রশিবির নেতাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব জানিয়েছে, ওই ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত জড়িত।

গত ১১ নভেম্বর খুরুশকুল তেতৈয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে সহিংসতায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন আকতারুজ্জামান নামের এক যুবক। নিহতের বড় ভাই ওসমান সরোয়ার ২৮ জনের নাম উল্লেখসহ ৩২ জনকে আসামি করে কক্সবাজার থানায় মামলা করেন। বাদী গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, আকতারের চিকিৎসা চলাকালে হাসপাতালে হামলা চালানোর সময় চারজনকে আটক করেছিল পুলিশ। এরপর আর কোনো গ্রেপ্তার নেই।

১৭ আগস্ট চকরিয়ায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নেছার উদ্দিন নোবেল খুন হন। ওই মামলার প্রধান আসামি খলুিল্লাহ চৌধুরী ও আলাউদ্দিন আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। নোবেলের ভাই মামুনুর রশিদ বলেন, আসামিরা এখন আওয়ামী লীগ করেন।

বাকি দুটি খুনের ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।  

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান বলেন, পুলিশ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে যথেষ্ট আন্তরিক। সোর্সের মাধ্যমে গোপনে সংবাদ নিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বরিশালে ছয় মামলায় আসমি ৪২৮, গ্রেপ্তার ১৭ : বরিশালে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থকদের সংঘর্ষে মেহেন্দীগঞ্জে চারজন এবং গৌরনদীতে দুজন নিহত হয়েছেন।

১০ এপ্রিল মেহেন্দীগঞ্জের দক্ষিণ উলানিয়া ইউনিয়নে সংঘর্ষে দুজন এবং ২০ মে উপজেলার উত্তর উলানিয়া ইউনিয়নে সংঘর্ষে দুজন নিহত হন। প্রথম ঘটনায় ১২৮ জনকে আসামি করে দুটি মামলা হলেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে উভয় পক্ষের আটজনকে। দ্বিতীয় ঘটনায় ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক জামাল রাঢ়ীসহ ১০০ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হলেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে পাঁচজনকে।

গত ২১ জুন গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের সংঘর্ষে দুজন নিহতের ঘটনায় পরাজিত মেম্বর পদপ্রার্থী আরজ আলী সরদারসহ ২০০ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়। পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে চারজনকে, যাঁরা এখন জামিনে আছেন।

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, চারটি হত্যা মামলার তদন্ত সম্প্রতি পিবিআইতে গেছে।

মাগুরায় দুই মামলায় আসামি ১২০, গ্রেপ্তার ১১ : ১৫ অক্টোবর মাগুরা সদর উপজেলার জগদল ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার নজরুল ইসলামের সমর্থকদের হামলায় প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ হাসানের সমর্থক তিন ভাইসহ চারজন নিহত হন। পাল্টাপাল্টি দুটি মামলায় ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। নির্বাচনে হাসান বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর পক্ষের মামলায় পরাজিত নজরুলসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মেহেরপুরে আসামি ৬৬, গ্রেপ্তার ৭ : গত ৮ নভেম্বর মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের লক্ষ্মীনারায়ণপুর ধলা গ্রামে সাহাদুল ইসলাম ও জাহারুল ইসলাম নামের দুই সহোদর নিহত হন। মেম্বার পদপ্রার্থী আজমাইন হোসেন টুটুল ও আতিয়ার গ্রুপের সংঘর্ষে নিহতরা ছিলেন টুটুলের সমর্থক। নির্বাচনে টুটুল বিজয়ী হয়েছেন। ঘটনায় আতিয়ারসহ ৬৬ জনের নামে মামলা হলেও পুলিশ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

টুটুল কালের কণ্ঠকে বলেন, আসামিরা এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন।

ধামরাইয়ে দুই মামলায় ৩০ আসামি, গ্রেপ্তার ১ : ঢাকার ধামরাইয়ে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় কুল্লা ইউনিয়নে রেফাত রেজওয়ান সানি হত্যা মামলায় ধামরাই উপজেলার যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন মাহমুদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধামরাই থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুস সালাম বলেন, এলাকায় আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা ভোট করেছেন। পূর্ব বিরোধের জেরেই নির্বাচনের রাতে খুন হয়। ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এদিকে সূয়াপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিজয়ী মেম্বার লাবু মিয়ার লোকজন পরাজিত মিজানুর রহমান মোল্লার বাড়িতে হামলা চালালে নছুরউদ্দিন নামের একজন নিহত হন। এ ঘটনায় বিজয়ী মেম্বার লাবুকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।  

গাইবান্দায় দুই মামলায় আসামি ১৭ গ্রেপ্তার ১ : ১২ নভেম্বর গাইবান্ধায় সহিংসতায় সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ নিহত হন। এ ঘটনায় প্রধান আসামি আরিফকে র‌্যাব গ্রেপ্তার করেছে। ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, পারিবারিক শত্রুতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড।

বল্লমঝাড় ইউনিয়নের স্থানীয় এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় পরাজিত মেম্বার প্রার্থী নাজমুল হককে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়েছে। দুই মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

কুমিল্লায় ২১০ আসামি, গ্রেপ্তার নেই : ১১ নভেম্বর কুমিল্লার মেঘনায় মানিকারচর ইউনিয়নের আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গুলিতে শাওন আহমেদ নামের এক যুবক নিহত হন। এ ঘটনায় ২০০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। নিহতের বাবা আদালতে বিজয়ী চেয়ারম্যান (আওয়ামী লীগ) জাকির হোসেনকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নামে আরেকটি মামলা করেন।

মেঘনা থানার ওসি সমিউদ্দিন বলেন, ‘থানায় আগেই মামলা থাকার ব্যাপারে আমরা আদালতকে জানাব। তদন্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ’

দুই হত্যা মামলায় ময়নাতদন্তের অপেক্ষা : গত ১২ নভেম্বর রংপুরের পীরগাছা উপজেলার অন্নদানগর ইউনিয়নের পঞ্চানন গ্রামে ইউপির বিজয়ী সদস্যের ফল আসার পর সংঘর্ষে আব্দুর রহিম নামের একজন মারা যান। এতে পরাজিত মেম্বার রফিকুল ইসলামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

পীরগাছা থানার ওসি আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে আমরা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। ’

১৯ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়নের মেম্বার পদপ্রার্থীদের সমর্থকদের হামলায় ফাতেমা বেগম নামের এক নারী নিহত হন। এ ঘটনায় নবনির্বাচিত মেম্বার শফিকুল শেখসহ ১০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শফিকুল উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।

মোংলা থানায় ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে আমরা আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। ’

বাকি ১৪ জেলায় ১৫টি হত্যা মামলায় ৪৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭১ জনকে প্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  

অস্ত্র উদ্ধার ও আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিবদমান গ্রুপের কারণে পুলিশ সতর্ক আছে। আসামি গ্রেপ্তারেও চেষ্টা চলছে।

(প্রতিবেদন তৈরিতে স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন)

 



সাতদিনের সেরা