kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ মাঘ ১৪২৮। ২০ জানুয়ারি ২০২২। ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ডিজেলে বিশৃঙ্খল পরিবহন সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ডিজেলে বিশৃঙ্খল পরিবহন সেবা

লোকসান কমানো এবং ভারতে পাচার রোধ করতে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়িয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। কিন্তু ডিজেলের দাম বাড়ানোয় আজ শুক্রবার সকাল থেকে গণপরিবহন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের তিনটি সংগঠন। তবে ধর্মঘট ডাকা নিয়ে মতবিরোধও আছে।

আবার গতকাল বৃহস্পতিবার ডিজেলের দাম বাড়ার পর বাসের ভাড়া বাড়ানোর জন্য বাস মালিক সমিতি থেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআরটিএ) চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগামী রবিবার বিকেলে এ নিয়ে বাস মালিকদের সঙ্গে বিআরটিএর বৈঠক হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজেল-কেরোসিনের দাম বাড়ায় নিশ্চিতভাবেই পরিবহন খরচ বাড়বে। আর পরিবহন খরচ বাড়লে পণ্যের দামে এর প্রভাব পড়বে। করোনার কারণে দেশের সাধারণ মানুষের আয়ের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছে, অনেকের ব্যবসাও বন্ধ হয়েছে। এর বিরূপ প্রভাব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টার মধ্যেই জ্বালানি তেলের এই দামের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর চাপ তৈরি করবে। 

ভাড়া বাড়ানোর দাবি বাস মালিকদের, রবিবার বৈঠক

ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে ঢাকাসহ দেশের কয়েক স্থানে গতকালই যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া আদায় করেছে বেশ কিছু পরিবহন কম্পানি। ঢাকার অনেক পথে গতকালই বেশি ভাড়া নিয়েছে কিছু পরিবহন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো ধর্মঘটের ডাক দিইনি। বাস চালানো হবে কি না সে বিষয়ে প্রতিটি জেলায় আলাদাভাবে মালিকরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ডিজেলের দাম বাড়ায় বেশির ভাগ মালিকই বাস চালাতে রাজি না।’

বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসেন মো. মজুমদার বলেন, ‘কাল (আজ) সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে সব ধরনের পণ্য পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হবে। ডিজেলের এমন মূল্য দিয়ে পণ্য পরিবহনের গাড়ি চালানো সম্ভব নয়।’

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, ‘বাসের ভাড়া বাড়াতে বাস মালিকরা একটি চিঠি দিয়েছেন। আগামী রবিবার বিকেল ৩টায় এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। বাসের ধর্মঘট নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যত দূর জানি, কোনো ধর্মঘট হচ্ছে না। একদিকে ধর্মঘট চলবে আর অন্যদিকে ভাড়া বাড়ানোর আলোচনা হবে; দুটি একসঙ্গে হতে পারে না।’

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এরই মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন পথে বাসের ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা অযৌক্তিক। ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। নাহয় এই ১৫ টাকার অসিলায় বাস মালিকরা যাত্রীদের কয়েক গুণ বেশি পকেট কাটবেন।

ঢাকায় নিয়মিত বাসে চলাচল করা যাত্রীরা বলছে, এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়বে যাত্রীদের ওপর। এখন দেখা যাক যাত্রীদের কাছ থেকে কত টাকা ভাড়া বাড়িয়ে নেওয়া হয়। যেখানে বাসের ভাড়া দু-তিন টাকা বাড়ালেই ডিজেলের অতিরিক্ত দাম উঠে যেত, সেখানে যাত্রীদের কাছ থেকে অন্তত ১০ টাকা বেশি নেওয়া হবে বলে অভিজ্ঞতা বলছে।

লঞ্চের ভাড়া বেড়েছে : বরিশাল-ঢাকা নৌপথের লঞ্চভাড়া বেড়েছে। গতকাল বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চগুলোতে ডেকে যাত্রীপ্রতি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২৫০ টাকা আদায় করা হয়।

পারাবাত লঞ্চের বরিশাল কাউন্টারের ব্যবস্থাপক সেলিম হোসেন জানান, ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা দাম বাড়ানোয় প্রতি ট্রিপে জ্বালানি বাবদ খরচ বেড়েছে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। তাই লঞ্চভাড়া কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

লঞ্চ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু জানান, প্রতিটি লঞ্চে জ্বালানি বাবদ ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা খরচ বেড়েছে। তাই ডেকের ভাড়া ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। কেবিন ও সোফার ভাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে।

খুলনায় সব পথে বাসের ভাড়া বেড়েছে : কোনো ঘোষণা ছাড়াই খুলনার ১৮টি পথে যাত্রীবাহী বাসের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। খুলনার সোনাডাঙ্গা থেকে মোংলা ও বাগেরহাট পথে যাত্রীপ্রতি ভাড়া ছিল ৬০ টাকা। গতকাল সকাল থেকে ৮০ টাকা আদায় করা হয়। এ ছাড়া খুলনা-কুষ্টিয়া রুটে ভাড়া ছিল ৩৫০ টাকা, তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪২০ টাকা, খুলনা-যশোর পথে ১০০ টাকার ভাড়া নেওয়া হয় ১৩০ টাকা।

ভাড়া বেড়েছে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পথে : ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পথেও গতকাল বাসের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। উৎসব, বন্ধন ও হিমাচলসহ অন্য যেসব পরিবহনের ভাড়া ছিল ৩৬ টাকা, সেখানে গতকাল যাত্রীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়।

চট্টগ্রামে অঘোষিত ধর্মঘট পালন : গতকাল চট্টগ্রামে অঘোষিত ধর্মঘট পালন করেছেন পণ্য ও গণপরিবহনের চালক-মালিকরা। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে যাত্রীসাধারণকে। যদিও আজ শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো।

গতকাল বিকেলে দেখা যায়, অঘোষিত ধর্মঘটের কারণে নগরীর বিভিন্ন পথে গণপরিবহনের তীব্র সংকট। মোড়ে মোড়ে গাড়ির জন্য যাত্রীরা অপেক্ষা করেছে। একটি গাড়ি এলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যাত্রীরা।

তবে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানান, জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে গতকাল সড়কে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ গণপরিবহন ছিল না।

সিলেটে ২ দিনের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা : আজ থেকে সিলেটে দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার অথবা ভাড়া সমন্বয়ের দাবি মানা না হলে পরবর্তী সময়ে লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা। সিলেট জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজি ময়নুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সকাল ৬টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘটের কর্মসূচি দিয়েছি আমরা।’

কালীগঞ্জে যান চলাচল বন্ধ : আজ সকাল থেকে কালীগঞ্জসহ সব রুটে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বাস-মিনিবাস ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন। দুপুরে বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এদিকে কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই বাস, থ্রি-হুইলারসহ যাত্রীবাহী যানবাহনের ভাড়া পাঁচ থেকে ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

গতকাল সকালে সরেজমিনে রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে গেলে স্টেশনের কর্মীরা জানান, মধ্যরাতে সরকার তেলের দাম বাড়ানোর কারণে গাড়ি চালকরা জানতে পারেনি। তাই প্রত্যেক চালকের সঙ্গেই আমাদের তর্কে জড়াতে হচ্ছে। ডিজেল, কেরোসিন লিটারে ১৫ টাকা বেড়েছে, এটি অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। যারা বিশ্বাস করছে তারা অল্প করে ডিজেল নিচ্ছে। আবার যারা বিশ্বাস করছে না, তারা ডিজেল না নিয়েই ফিরে যাচ্ছে।’

সকালে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার মক্কা ফিলিং স্টেশনে ডিজেল নিচ্ছিলেন ট্রাক ড্রাইভার এনায়েত উল্লাহ। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডিজেলের দাম বেড়েছে, সেটি জানতাম না। তাই প্রতিদিন যে পরিমাণ তেল নেই সে পরিমাণ নিতে পারিনি। দাম এত বেড়ে যাবে, কল্পনাও করতে পারছি না। আমরা এখন যাব কোথায়, কারণ আমাদের আয় তো বাড়ছে না।’ 

খিলক্ষেত নিকুঞ্জে ইসরাইল তালুকদার ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা ট্রাক চালক মো. আনোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘লিটারে চার-পাঁচ টাকা বাড়ালেও মানা যেত। আমাদের পথে বসানোর জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ এই ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক ট্রাকচালক মো. জয়নাল শেখ বলেন, ‘আমাদের প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। লিটারে ১৫ টাকা বাড়া মানে আমাদের জন্য অনেক টাকা।’

রাজধানীর উত্তরা-রামপুরা রোডে চলাচল করা গণপরিবহন ভিক্টরের চালক রুবেল বলেন, যেহেতু তেলের দাম বেড়েছে, তাই গাড়িভাড়াও বাড়বে, এটাই তো স্বাভাবিক।’

দাম বৃদ্ধির যুক্তি হিসেবে জ্বালানি বিভাগ বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জালানি তেলের মূল্য ক্রমবর্ধমান। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিভিন্ন গ্রেডের পেট্রোলিয়াম পণ্য বর্তমান মূল্যে সরবরাহ করায় মোট ৭২৬.৭১ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

ডিজেল-কেরোসিনের দাম বাড়ায় দেশে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে— জানতে চাইলে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিশেষভাবে কৃষি উৎপাদনে ব্যয় বাড়বে এবং গণপরিবহনের ভাড়া বাড়বে।

গোলাম রহমান বলেন, ‘যখন দাম বাড়বে তখন ভর্তুকি দিবে, আবার যখন দাম কমবে তখন লাভ খাবে এই পদ্ধতি চলে এসেছে। এই পদ্ধতি যদি চলতে থাকে আমরা মনে করি এখন দাম বৃদ্ধিটা যৌক্তিক হয়নি।’

জানতে চাইলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম. তামিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিশ্ববাজারে যেহেতু জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, এখন তো দেশে দাম বাড়াতেই হবে। তিনি বলেন, ‘সমস্যাটা হচ্ছে আমাদের দেশে যখন তেলের দাম বাড়ে, ঠিক যে অনুপাতে বাড়ানো উচিত তার চেয়ে অনেক বেশি অনুপাতে বাড়ানো হয়। সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ার কারণে গণপরিবহনে ১০০ টাকার ভাড়া সর্বোচ্চ ১১০-১১৫ টাকা হতে পারে। কিন্তু দেখা যাবে তেলের খরচ দেখিয়ে ১০-১৫ টাকার জায়গায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে।’  

কেরোসিনের বিষয়ে ড. তামিম বলেন, ‘কেরোসিনের ব্যবহার বর্তমানে বলতে গেলে নেই। তাই কেরোসিনের দাম বাড়াতে দেশে তেমন প্রভাব পড়বে না। কারণ গ্রামাঞ্চলে কেরোসিন দিয়ে এখন খুব কমসংখ্যক মানুষ কুপি বাতি জ্বালায়। বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়ায় লোডশেডিংয়ের সময় এখন ছোট ব্যাটারি দিয়ে এলইডি লাইট ব্যবহার করে।’

বিপিসি সূত্রে জানা যায়, বছরে প্রায় ৪০ লাখ টন ডিজেল আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে বিপিসি লোকসানের মুখে পড়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি লিটার ডিজেল ৬৫ টাকায় বিক্রি করতে গিয়ে লিটারে ১৩ থেকে ১৪ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয়কে জানায় বিপিসি। প্রতিদিন ডিজেল ও ফার্নেস তেল বিপণনে ২০ থেকে ২২ কোটি টাকার মতো লোকসান হচ্ছে।

ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনশাস কনজিউমার্স সোসাইটি (সিসিএস) বিবৃতিতে বলেছে, দফায় দফায় নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়েছে। বহু পণ্যের মূল্য এখনো ঊর্ধ্বগতিতে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি অত্যন্ত অমানবিক সিদ্ধান্ত।

ভারতে ডিজেলের দাম কমেছে

বাংলাদেশে যখন ডিজেলের দাম বাড়ানো হলো, প্রতিবেশী ভারতে তখন পেট্রল ও ডিজেলের দাম কমানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের উৎপাদন শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তের ঘোষণার পরই দেশটিতে লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম ১১ রুপি এবং পেট্রলের দাম পাঁচ রুপি কমেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ভারতজুড়ে নতুন মূল্যে বিক্রি হচ্ছে পেট্রল ও ডিজেল। তবে রাজ্যভেদে দামে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। দাম কমে দিল্লিতে পেট্রল ১০৫ রুপি এবং ডিজেল ৯৩ রুপি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে দাম কমে পেট্রল বিক্রি হচ্ছে ১০৪ রুপি এবং ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৯ রুপিতে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে দামের পার্থক্য কমেছে।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল; নারায়ণগঞ্জ ও কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন।)



সাতদিনের সেরা