kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

অভিমত

সরবরাহ বাড়িয়ে দাম কমাতে হবে

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম

২৬ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরবরাহ বাড়িয়ে দাম কমাতে হবে

করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় এই মুহূর্তে বৈশ্বিক কর্মকাণ্ড নতুন করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দেশেও সব কর্মকাণ্ড আবার শুরু হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেন বৃদ্ধির কারণে ডলারের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধি তারই প্রভাব।

এটা কৃত্রিম কিছু না। অর্থনীতিতে হঠাৎ বাড়তি চাহিদা সৃষ্টির কারণে দাম বেড়েছে।

তবে ডলারের মূল্যবৃদ্ধির ভালো-খারাপ দুটি দিক রয়েছে। খারাপ দিকটি হলো—আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর ভালো দিক হলো—ডলারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে রপ্তানিকারক ও রেমিটাররা সুবিধা পাচ্ছেন। তবে বাংলাদেশের মতো দেশে যেহেতু আমদানিনির্ভর অর্থনীতি, তাই ডলারের মূল্যবৃদ্ধিটা সীমিত পর্যায়ে রাখাটাই আমাদের জন্য যৌক্তিক। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে এই মুহূর্তে যেটা করতে পারে, সেটা হলো—বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া। বাজারে ডলারের প্রাপ্যতা বাড়লে টাকার মূল্যমান কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পাবে। ফলে এখন যেভাবে ডলারের বিপরীতে টাকা অবমূল্যায়িত হচ্ছে, সেটা অন্তত ধীর হতে পারে।

শুধু দেশের বাইরে মানুষের যাতায়াত বৃদ্ধির কারণেই নয়, যখন খোলাবাজারের সঙ্গে ব্যাংকের রেটের অনেক বেশি পার্থক্য হয়, তখন খোলাবাজারে ডলারের অনেক বেশি চাহিদা বৃদ্ধি পায়। কারণ দামের বেশি পার্থক্যের কারণে প্রয়োজন না থাকলেও অনেকের মধ্যে ডলার কিনে মজুদ করার প্রবণতা বাড়ে। এ ক্ষেত্রে যে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, সেটা হলো বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়িয়ে খোলাবাজারের সঙ্গে আন্ত ব্যাংকের দামের পার্থক্য যতটা সম্ভব কমিয়ে আনার পদক্ষেপ গ্রহণ করা। যাতে করে যাদের ডলারের প্রয়োজন নেই, অথচ মজুদ করছে, সেই প্রবণতা কমিয়ে আনা যায়।

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সিপিডির গবেষণা পরিচালক



সাতদিনের সেরা