kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

এবারও ইভিএমেই ভোটের হার বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবারও ইভিএমেই ভোটের হার বেশি

প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়েও চেয়ারম্যান পদে ব্যালটের তুলনায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট পড়ার হার বেশি। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তথ্য অনুসারে, গত সোমবার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে আটটি ইউপিতে ইভিএমে গড়ে ৬৯.৭৮ শতাংশ ভোট পড়ে। আর ১০৯টি ইউপিতে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট পড়ে ৬৯.৩০ শতাংশ।

ওই দিন অনুষ্ঠিত মোট ১৬১টি ইউপির মধ্যে একক প্রার্থীর কারণে ৪৩টিতে চেয়ারম্যান পদে ভোট হয়নি। আর চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থিতার একটি ইউপির ভোট আদালতের নির্দেশে স্থগিত আছে।

এর আগে গত ২১ জুন অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের প্রথম পর্যায়ের ইউপি নির্বাচনেও ইভিএমে ভোট পড়ার হার বেশি ছিল। ওই দিন ২০৪ ইউপির মধ্যে ২০টি ইউপিতে ইভিএমে ভোট হয়। এতে ভোট পড়ে ৬৩.৪৬ শতাংশ। আর অন্য ইউপিগুলোতে ব্যালটে ভোট পড়ে ৬৪.৮৩ শতাংশ।

এ নির্বাচনের আগে ইভিএমে ভোট পড়ার হার ব্যালটের তুলনায় অনেক কম ছিল। এর কারণ ব্যখ্যা করতে নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছিল, ব্যালটের মতো ইভিএমে জাল ভোট দেওয়ার সুযোগ  থাকে না বলেই ভোটের হার কম হয়।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, সোমবার ইভিএমে ভোট হওয়া আট ইউপির মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৭.৯৫ ভোট পড়ে খুলনার বাটিয়াঘাটা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউপিতে। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলায় ৭৫.৪৭ শতাংশ ভোট পড়ে। আর সর্বনিম্ন ৫৬.১৬ শতাংশ ভোট পড়ে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউপিতে।

ব্যালটে সর্বোচ্চ ৮৪.৪৮ শতাংশ ভোট পড়ে খুলনার দাকোপ উপজেলার দাকোপ ইউপিতে। ৮১.৫৪ শতাংশ ভোটর পড়ে বাটিয়াঘাটা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গায়। এ ছাড়া একই উপজেলার আমিরপুর ইউপিতেও ৮০.৫৪ শতাংশ ভোট পড়ে। ব্যালটে সর্বনিম্ন ৪৩.৭৬ শতাংশ ভোট পড়েছে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মুছাপুর ইউনিয়নে।

এ পর্যায়ের ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) জয়ী হয়েছেন ৩৬টিতে, আর একটিতে জয় পেয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী। বাকি ইউপিগুলোতে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।



সাতদিনের সেরা