kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

বলেছিলেন জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন এগিয়ে নিতে

ড. কামাল হোসেন   

৭ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



বলেছিলেন জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন এগিয়ে নিতে

বঙ্গবন্ধুর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের দিন আমি ছিলাম যুগোশ্লাভিয়ার বেলগ্রেডে। ১৯৭৫ সালের আগস্ট মাসে পেরুর লিমায় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রীদের একটা কনফারেন্স ছিল। এর প্রস্তুতি হিসেবে আমি যুগোশ্লাভিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বেলগ্রেডে গিয়েছিলাম। ১৫ই আগস্টের দুই দিন আগে গণভবনে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। তখন বুঝিনি, এটা শেষ দেখা। বেলগ্রেডে যাওয়ার আসলে খুব একটা ইচ্ছা আমার ছিল না, কিন্তু উনি আমাকে পাঠিয়েছিলেন। বলেছিলেন, জোটনিরেপেক্ষ আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে উনার তো আর কোনো সম্মেলনে যাওয়া হয়নি। যত দূর মনে পড়ে, ১৫ আগস্ট সকালে যুগোশ্লাভিয়ার একজন মন্ত্রী এসে খবর জানালেন যে বাংলাদেশে ক্যু হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সম্ভবত মারা গেছেন বলে তিনি জানালেন। শুনে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। ১৯৫৯-৬০ সালের দিকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমার পরিচয়।

১৯৫৯ সালে অক্সফোর্ড থেকে লেখাপড়া শেষে আমি দেশে ফিরি। সেই দূর দেশে বসেও বঙ্গবন্ধুর কথা শুনেছি। এসেই উনার সঙ্গে দেখা হলো। সোহরাওয়ার্দী সাহেবকে রিসিভ করতে বঙ্গবন্ধুও বিমানবন্দরে যেতেন, আমিও যেতাম। এভাবেই এয়ারপোর্টে প্রথম দেখা হলো। ওখান থেকে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার বাসায় যেতাম। বঙ্গবন্ধু পুরো সময় উনার সঙ্গে থাকতেন। সোহরাওয়ার্দী সাহেব তাঁর জুনিয়র আইনজীবী হিসেবে ঢাকায় আমাকে রাখতেন। আবার বঙ্গবন্ধুকেও উনি বলে দিয়েছিলেন যে ছেলেটাকে কাজে লাগাও। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরিতে এটা কাজে লেগেছিল। ওই সময়টাতে অনেক লোক বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যেতেন। সেই সময় অনেক প্রশ্ন করার সুযোগ হলো। একটার পর একটা করতাম। কিন্তু তিনি বিরক্ত হতেন না। শুনতেন। তো জানতে চাইলাম, এত ভোট নিয়ে পাকিস্তানের মন্ত্রী হলেন, কিন্তু ছেড়ে দিলেন কেন?

বঙ্গবন্ধু বললেন, পাকিস্তানের আমলাদের নিয়ে তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতা হচ্ছে, মন্ত্রীদের তাঁরা ডামি হিসেবে রাখেন। ঘন ঘন বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দেন। কিন্তু নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত তাঁরাই নেন। কাজ করতে দিতেন না। তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম, মন্ত্রিত্ব ছেড়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাব। এর পরপরই সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বঙ্গবন্ধু মাঠে নেমে পড়েন। এভাবে কথা বলতে বলতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক তৈরি হলো।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় আমিও আইনজীবী ছিলাম। বঙ্গবন্ধু ডেকে নিয়ে বলতেন, তুমিও কোর্টে থেক। কারণ কিছু আইনজীবীর মাধ্যমে সরকার আপসের চেষ্টা করছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ছয় দফা বাস্তবায়ন চাইছিলেন। তিনি আপস চাননি।

স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে সম্ভবত ৪ এপ্রিলের দিকে লালমাটিয়ায় আমার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে প্রথমে আমাকে ক্যান্টনমেন্টে এবং পরের দিন বিশেষ প্লেনে করে পাকিস্তানে প্রথমে করাচি এবং পরে রাওয়ালপিন্ডি নিয়ে যায়। তবে রওয়ালপিন্ডি শহরে না নিয়ে আমাকে নিয়ে যায় ফ্রন্টিয়ার প্রদেশের হরিপুর জেলে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন মিয়াওয়ালি জেলে। ১৬ ডিসেম্বরের কিছু আগে থেকেই কারাগার কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ করলাম। তাদের আচার-ব্যবহারে পরিবর্তন এসেছে। জেল সুপারিনটেনডেন্ট আমাকে বেশ খাতির করতে লাগলেন। একটু স্যার স্যার করতে লাগলেন। এই সময় বুঝতে পারলাম একটা পরিবর্তন ও স্বাধীনতা আসন্ন।

১৬ ডিসেম্বরের পরে একদিন, সম্ভবত ২৮ ডিসেম্বর জেল কর্তৃপক্ষের একজন এসে প্যাকআপ করতে বলেন। জানালেন আমাকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে। কোথায় নেওয়া হবে জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ইউ উইল লাইক ইট। অল্প সময়ের মধ্যে গাড়িতে উঠলাম। পেছনে মিলিটারি ট্রাক ছিল। গাড়ি পেশোয়ার-রাওয়ালপিন্ডি হাইওয়ে দিয়ে এগিয়ে চলছে। পরে দেখলাম রাওয়ালপিন্ডি না গিয়ে গাড়ি অন্যদিকে যাচ্ছে। কোনদিকে জানতে চাইলে আবার বলে ইউ উইল লাইক ইট। বাম দিকে টার্ন নিয়ে একটু কাঁচা রাস্তা দিয়ে এগিয়ে একটা প্রাতিষ্ঠানিক বিল্ডিংয়ের সামনে গাড়ি গিয়ে থামল। একজন অফিসার এসে বললেন, ‘আই অ্যাম কর্নেল আবদুল্লাহ। প্লিজ কাম ইনসাইড। গাড়ি থেকে নেমে ভেতরে গেলাম। পরে জানা গেল, সেটি ছিল সিহালা পুলিশ একাডেমির একটি গেস্ট হাউস।’

আমাকে বলা হলো এক নম্বর কক্ষে যেতে। ঢুকে দেখি বঙ্গবন্ধু দাঁড়িয়ে আছেন। আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘তোমার এত দেরি হলো কেন? সে এক আবেগঘন মুহূর্ত! বললেন, তিন দিন আগে আমাকে এখানে আনা হয়েছে।’ বঙ্গবন্ধু বললেন, তিনি আসার পরেই ভুট্টো তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। ভুট্টোকে দেখেই তিনি বলেন, ‘তুমিও কি বন্দি হিসেবে এসেছ?’ জবাবে ভুট্টো বলেন, ‘না না, আমি তো প্রেসিডেন্ট।’ বঙ্গবন্ধু তখন বলেন, ‘তুমি প্রেসিডেন্ট হলে কী করে। আমি তো ১৬৭ সিট পেলাম, তুমি তো আমার অর্ধেকের চেয়েও কম পেয়েছ।’ ভুট্টো তখন লজ্জা পেয়ে বলেন, ‘আপনিই প্রেসিডেন্ট হবেন।’ বঙ্গবন্ধু তখন রসিকতা করে পরিস্থিতি হালকা করে বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব আমাকে বাংলাদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা করো।’ ভুট্টো তখন বলেন, ‘আমাকে দুই-তিন দিন সময় দিন, ব্যবস্থা আমি করব।’ কথায় কথায় বঙ্গবন্ধু ভুট্টোকে বলেন, ‘আমার ধারণা ড. কামাল হোসেন তোমাদের হেফাজতে আছে। ওকে আমার কাছে পাঠিয়ে দাও।’ ভুট্টো কথা রেখেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু বললেন, ‘গত পরশু ভুট্টোকে বলা হলো আর আজই তোমাকে এখানে পাঠানো হলো। তুমি আসছ, আমার জন্য খুবই ভালো হলো। কারণ কোনো ধরনের রাজনৈতিক নেগোসিয়েশন এখানে আমরা করব না। সবার আগে স্বাধীন বাংলাদেশে আমাকে ফিরে যেতে হবে। সেখান থেকে রাজনৈতিক আলোচনা বা নেগোসিয়েশন, সেটা পরে দেখা যাবে।’ বঙ্গবন্ধু আমাকে বললেন, ‘ওরা এখনো ছয় দফা নিয়ে আলোচনা করতে চাইছে। অন্তত একটা দফা হলেও যাতে আমরা মেনে নিই। কিন্তু পাকিস্তানে কোনো আলোচনা না করার প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু অনড় ছিলেন।’

এরপর দেশে ফেরার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আজিজ আহমেদ। তিনি জানালেন, সরাসরি ফ্লাই করা যাবে না। অন্য রুটে যেতে হবে। কারণ যুদ্ধের কারণে পাকিস্তানি প্লেন তখন ভারতের আকাশসীমা দিয়ে চলাচল করছিল না। বঙ্গবন্ধু তখন জাতিসংঘ বা রেড ক্রসের প্লেন দেওয়ার কথা বলেন। ওরা ইরান বা তুরস্কের ওপর দিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। পরে হঠাৎ করে তারা লন্ডনের কথা বলায় বঙ্গবন্ধু বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। সম্ভবত ৭ জানুয়ারি পিআইয়ের বিমানে আমরা যাত্রা করে ৮ জানুয়ারি লন্ডনে পৌঁছাই। তবে লন্ডনে খবর পৌঁছে অনেক দেরিতে। জানাজানি হলে সমস্যা হতে পারে এ জন্য প্লেন ল্যান্ড করার এক ঘণ্টা আগে লন্ডন কর্তৃপক্ষকে বার্তা দিতে বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু। কথা অনুযায়ী পাকিস্তান সরকার ল্যান্ড করার এক ঘণ্টা আাাগে জানায় যে প্লেনে বঙ্গবন্ধু আছেন।

নামার সময় বিমানবন্দরে এনাউন্স হচ্ছিল, ‘এখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বা উনার পক্ষে কেউ এসেছেন কি না। জানা গেল বঙ্গবন্ধু নামে বিমানবন্দরে একটা ফোনকল এসেছে। বঙ্গবন্ধু কল রিসিভ করতে আমাকে পাঠালেন। ধরে বুঝলাম, ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কমনওয়েলথ বিভাগের কূটনীতিক ইয়ান সাদারল্যান্ডের কল। উনাকে চিনতে পারলাম। কারণ, ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সত্যিই লন্ডনে এসেছেন কি-না এটা তিনি কনফার্ম করতে চাইলে তাঁকে বললাম, হ্যাঁ। সাদারল্যান্ড জানালেন, আধাঘণ্টার মধ্যেই তিনি বিমানবন্দরে আসছেন। এ-ও বললেন, বঙ্গবন্ধুকে ব্রিটিশ সরকারের অতিথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। সে অনুযায়ী সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

‘গাড়িতে করে আমাদের ক্যারিজেস হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।’ বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘এত দামি হোটেলে আমি যাই না। রাসেল স্কয়ারে ছোট হোটেলে যাই। ওখানে থাকা বাঙালিরা যাতে দেখা করতে পারে। সাদারল্যান্ড বলেন, দেখ, এখন তো উনাকে আমরা হেড অব স্টেট হিসেবে দেখি। ক্যারিজেস হোটেলে এ ধরনের অতিথিদেরই রাখা হয়। তবে ক্যারিজেসে যাতে সবাই দেখা করতে পারেন সে ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দিলেন সাদারল্যান্ড। তিনি জানালেন, বঙ্গবন্ধুর কথা শুনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ তাঁর বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে আজই ফিরে বিকেলে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করবেন। সে অনুযায়ী বিকেলে প্রধানমন্ত্রী হিথের সঙ্গে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে বঙ্গবন্ধুসহ আমাদের দেখা হয়। হিথ জানান, বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবেই তাঁরা মর্যাদা দেন। তিনি জানতে চান, বঙ্গবন্ধুর জন্য তিনি আর কী করতে পারেন। জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ঢাকা যাওয়ার ব্যবস্থা হলেই তিনি খুশি। খবর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানলেন, ৯ জানুয়ারি সকাল ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর প্লেন বঙ্গবন্ধুর জন্য প্রস্তুত থাকবে।

১৯৭১ সালের ৯ জানুয়ারি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর রাজকীয় প্লেনে করে বঙ্গবন্ধু দিল্লি রওনা হলেন। অনেক আগ্রহ এবং ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কলকাতা বাদ দিয়ে দিল্লি যাত্রাবিরতি করে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। এটার কারণ ছিল, কলকাতায় দ্বিতীয় দফা যাত্রাবিরতি করলে দিনের বেলা ঢাকা এসে পৌঁছা সম্ভব ছিল না। লন্ডন থেকে প্লেনে আরো উঠলেন গোলাম মাওলা। উনি একটা ইনস্যুরেন্স কম্পানির এমডি এবং বঙ্গবন্ধুর খুব ভক্ত ছিলেন। তেল নেওয়ার জন্য আমাদের প্লেন সাইপ্রাসে নেমেছিল। সেখান থেকে দিল্লি। দিল্লি পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী যে সংবর্ধনা দিয়েছিলেন সেটি ছিল ঐতিহাসিক। তাঁর মন্ত্রিসভার বেশির ভাগ সদস্য, অনেক এমপি বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অনেকের চোখে পানি ছিল। অনেককে কাঁদতে দেখেছি। হাজার হাজার মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছিল। অনেক বাঙালি ও ভারতের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রটোকল ভেঙে পড়েছিল। সেখানকার প্রটোকল অফিসার আমাকে বললেন, ‘স্যার এমন দৃশ্য আমরা কোনো দিন দেখেনি।’ বিমানবন্দরের পাশের একটা মাঠে বঙ্গবন্ধু বাংলায় একটা ভাষণ দিয়েছিলেন। একটা গাড়িতে করে রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তাঁকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানালেন। তিন ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর আমরা প্লেনে উঠে ১০ জানুয়ারি ঢাকা পৌঁছি। ঢাকায় পৌঁছানের পরের ইতিহাস সবার জানা।

স্বাধীন বাংলাদেশে আইনমন্ত্রী হওয়ার বিষয়টিও খুব মনে পড়ে। ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের দিন সকালে বঙ্গবন্ধু আমাকে বললেন, ‘তুমি আজ থেকো। একটা ভালো পোশাক পরে এসো।’ ২টার সময় গেলাম। বঙ্গবন্ধু বললেন, ‘তোমাকে তো শপথ নিতে হবে।’ আমি বললাম, ‘বলেন কী!’ তিনি বলেন, ‘তোমার দরকার আছে, সংবিধান তৈরি করতে হবে।’ আমাকে আইনমন্ত্রী করা হলো। তবে গত এক বছর ধরেই উনার নানা ড্রাফটসহ কাজ করে দিচ্ছিলাম। আমি দলের কোনো পদে না থাকা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর মহানুভবতায় আমাকে মন্ত্রী করা হয়।

 



সাতদিনের সেরা