kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

মৃত্যু ও শনাক্ত দুই সূচকই ঊর্ধ্বমুখী

এক মাসের মাথায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ৪৪

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




মৃত্যু ও শনাক্ত দুই সূচকই ঊর্ধ্বমুখী

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ও শনাক্ত এবং দৈনিক শনাক্তের হার—তিন সূচকই ঊর্ধ্বমুখী। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এই উল্লম্ফনের তথ্য মিলেছে। বিশেষ করে প্রায় এক মাসের মাথায় মৃত্যু সর্বোচ্চ ৪৪ জনে উঠেছে। একই সঙ্গে ৪০ দিনের মাথায় শনাক্ত সর্বোচ্চ দুই হাজার ৩২২ জন এবং দৈনিক শনাক্তের হার ৪২ দিনের মাথায় ১২.১২ শতাংশে উঠেছে।

করোনা সংক্রমণে দেশে এর আগে সর্বশেষ গত ৯ মে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়। ২৯ এপ্রিল শনাক্তসংখ্যা ছিল দুই হাজার ৩৪১। আর ২৭ এপ্রিল দৈনিক শনাক্তের হার ছিল ১২ শতাংশের ওপরে। মাঝের দিনগুলোতে এই তিনটি সূচকই ছিল কম।

অন্যদিকে মাঝে এক দিন বিরতি দিয়ে আবারও রাজশাহীতে মৃত্যু ঘটল সর্বোচ্চ ১১ জনের। নমুনা পরীক্ষার সংখ্যাও আবার ঊর্ধ্বমুখী, শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ১৬৫টি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এই তথ্য জানানো হয়েছে। ওই তথ্য অনুসারে, দেশে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত আট লাখ ১৫ হাজার ২৮২ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ১২ হাজার ৯১৩ জন এবং সুস্থ হয়েছে সাত লাখ ৫৫ হাজার ৩০২ জন। আর শেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৬২ জন।

গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে মৃত ৪৪ জনের মধ্যে ঢাকা ও রাজশাহীতে ১১ জন করে, চট্টগ্রামে সাত, খুলনায় ছয়, সিলেটে দুই, রংপুরে পাঁচ এবং ময়মনসিংহে দুজন। তাদের মধ্যে ১১-২০ বছরের একজন, ৩১-৪০ বছরের চারজন, ৪১-৫০ বছরের তিনজন, ৫১-৬০ বছরের ১০ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ২৬ জন। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২৭ জন, বাকি ১৭ জন নারী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, আগে থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল যে জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে সংক্রমণে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিতে পারে। এখন সেই শঙ্কা বাস্তবে রূপ নেওয়ার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। তাই সবাইকেই অধিকতর সতর্ক থাকতে হবে। করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। প্রশাসনিকভাবে যে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে সেখানেও কোনো ধরনের শৈথিল্য বা ঢিলেঢালা রাখলেই বিপদ বাড়বে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে কঠোর নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা রাখতেই হবে।

 

 



সাতদিনের সেরা