kalerkantho

সোমবার । ১১ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৬ জুলাই ২০২১। ১৫ জিলহজ ১৪৪২

হেফাজতের আরো ৪৬ নেতাকর্মীর ব্যাংক হিসাব তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হেফাজতের আরো ৪৬ নেতাকর্মীর ব্যাংক হিসাব তলব

হেফাজতে ইসলামের আরো ৪৬ নেতাকর্মীর ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। সম্প্রতি ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়ে তাঁদের তথ্য চেয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় আর্থিক গোয়েন্দা বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। হেফাজত নেতাদের অর্থের উৎস কী তা জানার জন্যই এসব হিসাব তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএফআইউয়ের কর্মকর্তারা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর ঘিরে গত ২৬ মার্চ থেকে দেশজুড়ে হেফাজতকর্মীদের সহিংসতায় ১৩ জন মারা যাওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য মানুষ আহত হয়। এসব নাশকতায় কোনো সন্ত্রাসী অর্থায়ন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি সরকারি সংস্থার চাহিদার আলোকে গত ৫ এপ্রিল হেফাজতের আমির জুনাইদ বাবুনগরী, সাবেক মহাসচিব প্রয়াত নূর হুসাইন কাসেমী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজত নেতা মুহাম্মদ মামুনুল হকসহ শীর্ষস্থানীয় ২৪ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করেছিল বিএফআইইউ। একই সঙ্গে ৩০টি মাদরাসার ব্যাংক হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে আরো ৪৬ জন হেফাজত নেতার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে সংস্থাটি।

নতুন করে যাঁদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে, তাঁদের সবাই হেফাজতের সাবেক কমিটিতে ছিলেন। এই ৪৬ জন হলেন হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, সাবেক প্রচার সম্পাদক গাজী ইয়াকুব উসমানী (কসবা), সাবেক সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব আহমেদ, সাবেক সহকারী প্রচার সম্পাদক মাওলানা কামরুল ইসলাম কাসেমী, সক্রিয় সমর্থক মো. আহমদ আলী কাসেমী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির।

ঢাকা মহানগরীর দায়িত্বশীলদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগরী হেফাজতের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সাবেক অর্থ সম্পাদক মাওলানা মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, সদস্য মাওলানা নূর হোসাইন নূরানী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, সাবেক সহকারী অর্থ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, সাবেক শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মাওলানা হারুন ইজহার ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা জালাল উদ্দিন।

আরো রয়েছেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ কাসেমী, হাফেজ মাওলানা জুনায়েদ কাসেমী, মাওলানা মুহাম্মদ মহসিন মিয়া, মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী, জাকারিয়া নোমান কাসেমী, মাহমুদুল হাসান গুনবী, আলী হাসান উসামা, নাসির উদ্দিন মনির, আহসান উল্লাহ মাস্টার, আসাদুল্লাহ আসাদ, মাওলানা মুসা বিন ইসহাক, ফজলুর রহিম কাসেমী, মাওলানা এহসানুল হক, খলিলুর রহমান মাদানী, আবু আম্মার আব্দুল্লাহ, আজহারুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শাহীনুর পাশা চৌধুরী, ওবায়দুল্লাহ কাসেমী, মুফতি আজহারুল ইসলাম, মাওলানা প্রফেসর ড. আহমদ আব্দুল কাদের, মাওলানা আশরাফ মাহাদী, মাওলানা মোহাম্মদুল্লাহ জামী, মাওলানা শাহ আকরাম আলী, মাওলানা মুফতি কামরুজ্জামান, মাওলানা মুফতি কেফায়েত উল্লাহ, ইনামুল হাসান ফারুকী, মাওলানা মুহসিনুল করিম, মাওলানা জয়নাল আবেদীন বাকাইলী ও মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী।



সাতদিনের সেরা