kalerkantho

রবিবার । ৬ আষাঢ় ১৪২৮। ২০ জুন ২০২১। ৮ জিলকদ ১৪৪২

করোনাকেন্দ্রিক কেনাকাটায় ফের অনিয়ম!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাকেন্দ্রিক কেনাকাটায় ফের অনিয়ম!

গত বছর করোনাকেন্দ্রিক কেনাকাটায় স্বাস্থ্য খাতের অনেক অনিয়ম-দুর্নীতি সামনে আসে। এসবের মূলে ছিল বিধি-বিধান ঠিকমতো অনুসরণ না করা। এই কারণে এখনো ৩৪৩ কোটি টাকার বকেয়া বিল আটকে রয়েছে। এ অবস্থায় একই অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

কার্যাদেশ ও ব্যাংক গ্যারান্টি ছাড়াই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ করোনা টেস্ট কিট কিনেছে, যার দাম প্রায় ৯ কোটি টাকা। কিটগুলো চীনের সানসিউর কম্পানির তৈরি হলেও মূল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখানো হয়েছে হংকংয়ের একটি প্রতিষ্ঠানের নাম।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গত বছর কেনাকাটায় কোনো ক্ষেত্রে পিপিআর উপেক্ষা করা হয়, কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা নিজেদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কেনাকাটা করেন কিংবা উপযুক্ত দরপত্র বা কার্যাদেশ ছাড়া কেনাকাটা করা হয়। এসব অনিয়ম ধরার পর কেনাকাটায় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি বদলায়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র জানায়, হঠাৎ ‘জি এস বায়োটিক’ নামের একটি কম্পানির কাছ থেকে দুই দফায় ৫০ হাজার করে এক লাখ কিট কেনা হয়েছে। নিয়মমাফিক কোনো কার্যাদেশ না দিয়ে বা কোনো ব্যাংক গ্যারান্টি না পেয়েই এসব আরটিপিসিআর কিট কেনা হয়েছে। কিটগুলো চীনের সানসিউর কম্পানির তৈরি। অথচ মূল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে হংকংয়ের একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ওই এক লাখ কিট বুঝে নিয়েছে। এর আগে ৬ মে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এ ব্যাপারে অনাপত্তি দিয়েছিল।

এই বিষয়ে জানতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈকতের মোবাইল নম্বরে কল করার পর পরিচয় ও কথা বলার বিষয় জানতে চান। সেসব জানানোর পরে ওপাশ থেকে বলা হয়, ‘আমি সৈকত সাহেব না, তাঁর সহকারী মাহবুব হোসেন, সৈকত সাহেব বাইরে আছেন। পরে জানাব।’ তবে পরে আর কিছু জানাননি।