kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩ আষাঢ় ১৪২৮। ১৭ জুন ২০২১। ৫ জিলকদ ১৪৪২

ক্যান্ডি টেস্টের আগে আশায় বসতি মমিনুলের

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

২১ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্যান্ডি টেস্টের আগে আশায় বসতি মমিনুলের

দেশে কিংবা দেশের বাইরে, কোথাও ভালো পারফরম্যান্সের টাটকা কোনো স্মৃতি নেই। সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে বিধ্বস্ত হয়ে ফেরা বাংলাদেশ এর আগে দেশের মাটিতে খর্ব শক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছেও দুই টেস্টেই হেরেছে। সফরে গিয়ে পুরো শক্তির ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুটি টেস্টই ড্র করে ফেরা শ্রীলঙ্কার তুলনায় অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী। নিজেদের মাটিতে সেই বিশ্বাস নিয়েই আজ তারা দুই টেস্টের সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে থাকা বাংলাদেশের। পাহাড়ঘেরা ক্যান্ডির পাল্লেকেল্লে স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায়।

অবশ্য ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে হারতে হারতে টেস্ট ড্র করে ফেরা লঙ্কানরাও যে নিকট অতীতে সাফল্যের বন্যায় ভেসেছে, তা নয়। গত ডিসেম্বর-জানুয়ারির দক্ষিণ আফ্রিকা সফর তো বটেই, সম্প্রতি দেশের মাটিতেও ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়া দলটি যে বাংলাদেশকে পিষেই জয়ে ফিরতে চাইবে, তা নিয়ে কোনো সংশয়ই নেই। কিন্তু সম্প্রতি হারে হারে ব্যতিব্যস্ত বাংলাদেশ কি পাল্টা আঘাতে লঙ্কানদের ভড়কে দিতে পারবে? এ রকম জিজ্ঞাসায় মিশে থাকা সন্দেহটা ধরতে পারলেন বলেই কিনা, কাল দুপুরের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মমিনুল হকের প্রতিক্রিয়ায় যেন দেখিয়ে দেওয়ার প্রতিজ্ঞাও ফুটে উঠল, ‘আশার তো কোনো শেষ নেই। আশা সব সময় থাকতেই হবে। আপনি (যদি বলেন) এই জায়গায় এসেছেন শুধু অংশ নিতে, তাহলে তো হবে না। তাহলে ক্রিকেট না খেলাই ভালো। যেখানেই যান, যত খারাপ পরিস্থিতিই থাকুক, পরের  ম্যাচটি অবশ্যই জেতার আশা থাকতে হবে। জেতার স্পৃহা থাকতে হবে। এটি নিয়েই আমরা মাঠে নামব।’

মাঠে নামার আগে প্রস্তুতিতে স্বাভাবিকভাবেই ঘাটতি রয়ে গেছে। দল নিউজিল্যান্ড থেকে ফিরতে না ফিরতেই শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার সময় হয়ে যায়। তা ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগে মমিনুলের মতো অল্প কয়েকজন টেস্ট বিশেষজ্ঞই কেবল জাতীয় লিগ খেলে কিছুটা ম্যাচ প্রস্তুতি নিতে পেরেছেন। নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়া ক্রিকেটারদের তেমন কোনো প্রস্তুতিই হয়নি। তবে এখনকার মতো পরিস্থিতিতে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতিতেই বেশি জোর দিলেন অধিনায়ক, ‘বাংলাদেশে থাকতেও বলে এসেছি, বলব না যে খুব ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। তবে এখনকার যে পরিস্থিতি, সেই অনুযায়ী ভালো প্রস্তুতিই হয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি, দু-তিন দিন অনুশীলন করেছি। দেশের জন্য আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে গেলে কিছু পরিস্থিতি আসবে, যেগুলোতে মানসিক ও শারীরিকভাবে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে।’

 



সাতদিনের সেরা