kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

এক দিনে শনাক্ত ৭০৮৭, মৃত্যু ৫৩

হাসপাতালে রোগী বাড়ছে, শয্যা কমছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এক দিনে শনাক্ত ৭০৮৭, মৃত্যু ৫৩

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এক দিনে সাত হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে সাত হাজার ৮৭ জন। একই সময় মারা গেছে ৫৩ জন।

সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ছয় লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ৯ হাজার ২৬৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৭০৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছে পাঁচ লাখ ৫২ হাজার ৪৮২ জন।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই তথ্য অনুসারে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৫৩ জনের মধ্যে ৪৫ জন পুরুষ এবং আটজন নারী। বয়স বিবেচনায় তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব ৩৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের পাঁচজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের দুজন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের একজন। সর্বোচ্চ ৩৭ জন ঢাকা বিভাগের, ৯ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, রাজশাহী বিভাগের একজন, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের তিনজন করে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা হয়েছে ৩০ হাজার ৭২৪টি নমুনার। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪৭ লাখ ৮৩ হাজার ৩৮৫টি নমুনার।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩.০৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩.৩২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬.৬৮ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৪৫ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের খবর দেয় সরকার। প্রায় এক বছর পর গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো এক দিনে পাঁচ হাজারের বেশি রোগী শনাক্তের খবর আসে। গত বৃহস্পতিবার দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ছাড়িয়ে যায়। মাঝে শনিবার এক দিনে শনাক্ত রোগী ছয় হাজারের নিচে থাকলেও গতকাল তা নতুন রেকর্ডে পৌঁছল।

এদিকে গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে, ঢাকার সরকারি হাসপাতালের মধ্যে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ১৬৯ সাধারণ শয্যার মধ্যে ১৫২টি রোগী আছে। তবে ১৬টি আইসিইউ শয্যার কোনোটি খালি নেই। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ২৭৫ শয্যার জায়গায় রোগী আছে ৪২০ জন। অর্থাৎ ১৪৫ জন অতিরিক্ত রোগী রয়েছে। অন্যদিকে ১০টি আইসিইউ শয্যার সব কটিই পূর্ণ। শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ১৪০ সাধারণ শয্যার ১২৪টিতে রোগী আছে। আর ১৬টি আইসিইউ শয্যার সব কটিই রোগীতে ভরা। সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের ৯৪টি সাধারণ শয্যার ৭৯টিতে রোগী আছে, সেখানেও কোনো আইসিইউ শয্যা খালি নেই। ঢাকা মেডিক্যালের ৮৮৩টি সাধারণ শয্যার মধ্যে ৭০৫টিতেই রোগী রয়েছে। ২০টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে খালি মাত্র একটি। একইভাবে অন্য হাসপাতালেও রোগীর ভিড় বাড়ছে। বেসরকারি হাসপাতালেও কমে আসছে সাধারণ ও আইসিইউ শয্যা। ঢাকার ১০টি বড় বেসরকারি হাসপাতালের ৭৬৩ শয্যার মধ্যে ৬৩১টিতেই রোগী ছিল। ১৭১টি আইসিইউ শয্যার ১৪৩টিতে রোগী আছে।