kalerkantho

রবিবার। ২৮ চৈত্র ১৪২৭। ১১ এপ্রিল ২০২১। ২৭ শাবান ১৪৪২

মতবিনিময়সভায় এলজিআরডিমন্ত্রী

অপরিকল্পিত নির্মাণ ঠেকাতে ড্যাপ বাস্তবায়ন জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অপরিকল্পিত  নির্মাণ ঠেকাতে ড্যাপ বাস্তবায়ন জরুরি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং ড্যাপ রিভিউ কমিটির আহ্বায়ক মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘বিভিন্ন সময়ে ঢাকা নগরীতে অপরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। এতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আর যাতে অপরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণ না হয়, সে জন্য ড্যাপ বাস্তবায়ন জরুরি।’

গতকাল রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ড্যাপ বাস্তবায়ন বিষয়ে এক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন-রিহ্যাব ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশন-বিএলডিএর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড্যাপ রিভিউ কমিটির আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম।

মতবিনিময়সভায় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিএলডিএর সভাপতি আহমেদ আকবর সোবহান এবং রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

মন্ত্রী বলেন, ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান-ড্যাপ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রিহ্যাব ও বিএলডিএ প্রস্তাবিত মতামত ও সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। ড্যাপ বাস্তবায়নে রিহ্যাব ও বিএলডিএর পক্ষ থেকেও বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ ও মতামত তুলে ধরা হয়েছে। এসব মতামত ও সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি ওয়ার্কিং কমিটি করা হয়েছে। এই কমিটি এসব সুপারিশ পর্যালোচনা করে সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এই দেশটা আমাদের সবার। ঢাকা শহরকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করে বসবাস উপযোগী করার জন্য আমরা সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ। ড্যাপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের সুযোগ রয়েছে, সেখানে তা নির্মাণ করা হবে। আর যেখানে সব নাগরিকসেবা প্রদান করা সম্ভব নয়, সেখানে সুউচ্চ ভবন নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না।’

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, মানুষ যদি চলাচলের জন্য রাস্তা না পায়, যেখানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ না থাকে, ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলার মাঠ, জলাধারসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা না থাকে তাহলে সেখানে বড় বড় ভবন করা ঠিক হবে না। তাই সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়ে এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউকের চেয়ারম্যান ড. সাঈদ হাসান শিকদার, ড্যাপের প্রকল্প পরিচালক আশরাফুল ইসলাম।

 

মন্তব্য