kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

৭ই মার্চের ভাষণ নিয়ে জাতিসংঘে ৫ ভাষায় বই

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৬ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৭ই মার্চের ভাষণ নিয়ে জাতিসংঘে ৫ ভাষায় বই

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বিষয়ক একটি বই জাতিসংঘের পাঁচটি দাপ্তরিক ভাষায় (ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, আরবি, রুশ ও চীনা) প্রকাশিত হয়েছে। বইটির নাম ‘দ্য হিস্টরিক সেভেন্থ মার্চ অব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান : আ ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’। গতকাল শুক্রবার প্যারিস সময় সকাল ১০টায় জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থায় (ইউনেসকো) আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, আরবি, রুশ ও চীনা ভাষী ১২ জন রাষ্ট্রদূত এবং ইউনেসকোতে স্থায়ী প্রতিনিধিরা বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ইউনেসকোতে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন বইটি প্রকাশ করে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ভাষণটি ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে’ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। এরপর এই প্রথম বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ জাতিসংঘের সব দাপ্তরিক ভাষায় অনূদিত হলো। ইউনেসকো সদর দপ্তরে কভিড পরিস্থিতি বিবেচনায় শুধু আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয় এবং দূতাবাসের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ইউনেসকোতে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, আইভরি কোস্ট, সেনেগাল, স্পেন, কিউবা, সৌদি আরব, মৌরিতানিয়া, কুয়েত, রাশিয়া, চীন ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও ইউনেসকোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কাজী ইমতিয়াজ তাঁর স্বাগত বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। এ ভাষণ দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিসংগ্রামে মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সব রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি তাঁদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের সফল নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাঁরা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনার জন্য ইউনেসকোতে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এ প্রকাশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তাঁরা অভিমত ব্যক্ত করেন।

 

 

মন্তব্য