kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফিরিয়ে আনা

শিক্ষা বাজেট বাড়ানোর তাগিদ বিশ্বব্যাংকের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিক্ষা বাজেট বাড়ানোর তাগিদ বিশ্বব্যাংকের

করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষা বরাদ্দ কমিয়েছে ৬৫ শতাংশ নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ। একইভাবে ৩৩ শতাংশ উচ্চ ও উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশও শিক্ষা বরাদ্দ কমিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করে বলা হয়, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে শিক্ষায় যে পরিমাণ সরকারি ব্যয় প্রয়োজন, নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ব্যয় বর্তমানে এর চেয়ে কম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষা ব্যয়ে করোনা মহামারির স্বল্প মেয়াদে প্রভাব বোঝার জন্য সব অঞ্চলের ২৯ দেশের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এতে সহায়তা করেছে ইউনেসকোর বৈশ্বিক শিক্ষা মনিটরিং (জিইএম) রিপোর্ট।

দেশগুলোকে শিক্ষা ব্যয় বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা সংক্রমণ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্কুলগুলোর জন্য বাড়তি বরাদ্দ প্রয়োজন। একই সঙ্গে করোনায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে বাড়তি প্রগ্রামের জন্যও অর্থায়ন প্রয়োজন।

এ প্রতিবেদনে যেসব দেশের তথ্য নেওয়া হয়েছে তাতে রয়েছে নিম্ন আয়ের তিনটি দেশ—আফগানিস্তান, ইথিওপিয়া ও উগান্ডা। নিম্ন মধ্যম আয়ের ১৪ দেশ—বাংলাদেশ, মিসর, ভারত, কেনিয়া, কিরগিজ রিপাবলিক, মরক্কো, মিয়ানমার, নেপাল, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, তানজানিয়া, ইউক্রেন ও উজবেকিস্তান। ১০টি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ—আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, মেক্সিকো, পেরু, রাশিয়া ও তুরস্ক। দুটি উচ্চ আয়ের দেশ—চিলি ও পানামা। এসব দেশের শিক্ষা বরাদ্দ ১০ শতাংশের নিচে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যেসব দেশের শিক্ষা বরাদ্দ কমেছে, সেসব দেশ কিভাবে করোনা-পরবর্তী পরিস্থিতির খরচ মানিয়ে নেবে তা স্পষ্ট নয়। কারণ করোনায় খরচ আরো বেড়েছে। তাই স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াতে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন।

করোনা-পরবর্তী স্কুলগুলো নিরাপদে খোলার জন্য যেখানে জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষা খাতে বাড়তি বরাদ্দ প্রয়োজন, সেখানে উল্লিখিত দেশগুলোর প্রায় অর্ধেকই বরাদ্দ কমিয়েছে, যা ভবিষ্যতের ভালো ইঙ্গিত দেয় না। এটি সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়। সূত্র : দ্য হিন্দু।

 

মন্তব্য