kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

চট্টগ্রামে ‘নগরপিতা’ বেছে নেওয়ার দিন আজ

উদ্দীপ্ত রেজাউলের সামনে শঙ্কিত শাহাদাত

নূপুর দেব ও তৈমুর ফারুক তুষার, চট্টগ্রাম থেকে   

২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



উদ্দীপ্ত রেজাউলের সামনে শঙ্কিত শাহাদাত

১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন ভোটার, ২৩৩ প্রার্থী, ৪১টি ওয়ার্ড, ৭৩৫টি কেন্দ্র, চার হাজার ৮৮৬টি বুথ, ৬৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ১৬ হাজার ১৬৫ জন ভোটকর্তা এবং প্রায় ১৮ হাজার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। সব কিছুই এক সুতায় গাঁথা। অপেক্ষা শুধু শীতের সকালের, আজ সকাল ৮টার। প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) স্পর্শে চট্টগ্রামের নতুন ‘নগরপিতা’ বেছে নেবেন ভোটাররা। একই সঙ্গে মনোনীত করবেন ওয়ার্ডের যোগ্য কাউন্সিলর। বিকেল ৪টায় বাজবে ভোট দেওয়ার শেষ বাঁশি। ভোট ঘিরে চট্টগ্রাম এখন উৎসবের নগরী। এ উৎসবের বাঁকে বাঁকে আছে নানা শঙ্কাও।

টানা তৃতীয় দফা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভোটে বিএনপির দুই প্রার্থীকে হারিয়ে ‘বিজয়ের মুকুট’ পরেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। প্রায় এক বছরের মাথায় আজ বুধবার হতে যাওয়া দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর চট্টগ্রাম সিটির ভোটে এখন দেশবাসীর অনুসন্ধানী চোখ।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন থাকলেও আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরী ও বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের মধ্যে হবে মূল ভোটযুদ্ধ। জয়ের ব্যাপারে রেজাউল আশাবাদী হলেও সংশয়ে আছেন ডা. শাহাদাত। তবে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা এক ধরনের অঘোষিত ‘উত্তেজনা’ জারি রেখেছেন।

ভোট উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরে এবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়নি। তবে যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে পারে সাধারণ মানুষ।

এ নির্বাচন নিয়ে দেশজুড়ে আগ্রহ থাকলেও ভোটকেন্দ্রে আশাব্যঞ্জক ভোটার উপস্থিত করতে পারাটা নির্বাচন কমিশন ও প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এরই মধ্যে তিনটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজনের প্রাণহানির ঘটনার পর সাধারণ ভোটারদের মনে ভীতি ছড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন, তাঁরা ভোটকেন্দ্রে যাবেন পরিস্থিতি বুঝে।

তবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর শুনিয়েছেন আশার কথা। তিনি গতকাল মঙ্গলবার  বলেছেন, ‘আশা করি চট্টগ্রামে একটা ভালো নির্বাচন দেখবেন।’ অন্যদিকে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো ও সুষ্ঠু ভোটের ব্যাপারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের নেতাকর্মীরাই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রগুলোতে পোলিং এজেন্ট ছাড়াও আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থীর পক্ষে এক লাখ ২০ হাজারের মতো নেতাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। আর বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ২০ হাজার থেকে ২২ হাজার নেতাকর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে বিএনপির নেতাকর্মীরা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না তা নিয়ে দলটির নেতারা সংশয়ে আছেন।

মেয়র পদে ভোট নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অনেকটা আত্মবিশ্বাসী থাকলেও প্রতিপক্ষ বিএনপির নেতাকর্মীরা আছেন শঙ্কায়। ভোটকেন্দ্রের আশপাশ থেকে নেতাকর্মীদের আটকের শঙ্কায় বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি পোলিং এজেন্ট তালিকা করা হয়েছে। ভোটের আগের রাতে বা ভোটের দিন সকালে বিএনপির এজেন্টদের গ্রেপ্তার করার শঙ্কা মাথায় রেখেই এমন কৌশল নেওয়া হয়েছে। প্রথম তালিকার এজেন্টদের গ্রেপ্তার করা হলে দ্বিতীয় তালিকায় থাকা নেতাকর্মীদের পোলিং এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেবে বিএনপি।

ভোটকেন্দ্রের দলীয় কমিটিতে পিছিয়ে বিএনপি : এ নির্বাচনে ৪১ ওয়ার্ডে ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কমিটি গঠন করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এসব কমিটির নেতাকর্মীরা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসা, ভোটদানে সহযোগিতার কাজ করবেন।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘নৌকায় ভোট দিয়ে মো. রেজাউল করিম চৌধুরীকে বিজয়ী করতে নগরবাসী উন্মুখ হয়ে আছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার বিকল্প ভাবছে না চট্টগ্রামবাসী। আশা করছি ভোটার উপস্থিতি বাড়বে।’

এক প্রশ্নের জবাবে নাছির আরো বলেন, ‘আমরা প্রতিটি কেন্দ্রে ১০১ এবং তারও বেশি সদস্য নিয়ে একটি করে কমিটি গঠন করেছি। সেখানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিকেও রাখা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে বিষয়টিও দেখভাল করবেন তাঁরা।’

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, ‘প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই যুবলীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান করবেন। প্রায় ২২ হাজার নেতাকর্মীকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য যা যা করার আমরা তা করব।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিএনপির পক্ষ থেকেও কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্রের জন্য গঠিত বিএনপির কমিটিতে ২০ হাজার থেকে ২২ হাজারের মতো নেতাকর্মী রয়েছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ২৫ থেকে ৩০ জন নেতাকর্মীকে কমিটিতে রাখা হয়েছে। এসব কমিটিতে বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রয়েছেন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আমরা একটি অসম যুদ্ধের মধ্যে আছি। আমরা প্রত্যেক কেন্দ্রে কমিটি গঠন করেছি। কিন্তু আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ঢালাও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রায় ২০০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা খবর পাচ্ছি ভোটের দিন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তিন স্তরে আমাদের বাধা দেওয়ার বন্দোবস্ত করে রেখেছে।’

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা কমিটি বড় করতে পারতাম না, এমন নয়। চট্টগ্রামে বিএনপির কর্মীর সংখ্যা আওয়ামী লীগের চেয়ে কম নয়। কিন্তু কেন্দ্রে আমাদের এজেন্টদের ঢুকতে দেবে কি না তারই তো ঠিক নেই। চট্টগ্রামের আশপাশের জেলা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এনে কেন্দ্র দখলের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ জন করে রাখা হবে।’

ভোটার উপস্থিতিটাই চ্যালেঞ্জ : নির্বাচন নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকলেও কেন্দ্রে আশাব্যঞ্জক ভোটার উপস্থিত করতে পারাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অনেকেই। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে রয়েছে সংঘাতের ভয়। অনেক ভোটার জানিয়েছেন, সকালের দিকে আগে তাঁরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চললেই তাঁরা কেন্দ্রে যাবেন।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জাকির হোসেন (৫৩) নগরের কাজীর দেউড়ি নূর আহমদ সড়কের কাজীপাড়া গলি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে থাকেন। তিনি গত সিটি নির্বাচনে নগরের এস এস খালেদ সড়কসংলগ্ন আঞ্চলিক লোক প্রশাসন কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট দিতে গিয়ে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলে আসেন। গতকাল বিকেলে জাকির হোসেন বলেন, ‘গতবার (২০১৫ সাল) এ কেন্দ্রে দুপুর ১২টার দিকে ভোট দিতে গিয়ে যখন কক্ষে ঢুকি তখন নির্বাচন গ্রহণে দায়িত্বপ্রাপ্তরা বলেন মেশিন (ইভিএম) খারাপ হয়েছে। ২টার দিকে আসেন। কিন্তু ২টার আগে ওই কেন্দ্রে গণ্ডগোল (অপ্রীতিকর ঘটনা) শুরু হলে আমি আর ভোট দিতে যায়নি।’ এবারও ইভিএমে ভোট হবে। ভোট দিতে যাবেন কি না—এ প্রশ্নের জবাবে জাকির বলেন, ‘পরিবেশ ভালো থাকলে যাব। না হলে মার খেতে ভোট দিতে কে যাবে?’

দামপাড়া বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের ভোটার রুহুল আমিন (৬০) বলেন, ‘আমি ওই কেন্দ্রের ভোটার। কিন্তু এখনো ইভিএম কী জিনিস তা জানি না। এ রকম মেশিনে কখনো ভোট দিইনি। দেখি, সবাই গেলে আমিও ভোট দিতে যাব।’

একই কথা বলেছেন আসকারদীঘির ২ নম্বর গলির ভোটার ওমর ফারুক (৫২)। তিনি বলেন, ‘ভোট দিতে যাব না কেন? যদি কেন্দ্রে কোনো সমস্যা না থাকে আমি ও পরিবার ভোট দিতে চাই।’

২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডের এক ভোটার নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমাদের এ ওয়ার্ডে নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর এক কর্মী নিহত হয়েছেন। কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোট হলে অবস্থা দেখে দুপুরে ভোট দিতে যাব। সমস্যা হলে ভোট দিতে যাব না।’

৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বিদ্রোহী গতবারের কাউন্সিলরের বাড়ি কয়েক গজের মধ্যে। গতকাল সকাল ১১টার দিকে ওই এলাকায় গেলে চারদিকে দেখা যায় দুই প্রার্থীসহ আরো কয়েকজন প্রার্থীর পোস্টারে ছেয়ে আছে। তবে স্থানীয়রা জানায়, মেয়রসহ কাউন্সিলর প্রার্থীদের উৎসবের মতো মনে হলেও এলাকাবাসীর মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক আছে। কারণ দুই দিন আগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর বাসার সামনে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি অবনতি না হলেও জনমনে আতঙ্ক রয়েই গেছে।

এভাবে নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোটারদের পাশাপাশি জনমনে একধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে। বিশেষ করে কাউন্সিলর পদে যেখানে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বিদ্রোহী শক্তিশালী প্রার্থী রয়েছেন সেখানে ভয়টা বেশি।

এদিকে গত সোমবার নগরের সব কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশন অনুশীলন (মক) ভোটের ব্যবস্থা করলেও উপস্থিতি ছিল কম। অভিযোগ উঠেছে, অনুশীলন ভোটেও বিভিন্ন কেন্দ্রে ইভিএমে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা গেছে। ফলে অনেকে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েও মক ভোট দিতে পারেননি।

মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন তফসিল ঘোষণার পর থেকে ইভিএমে ভোট না নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানাতে থাকেন। পরে ইভিএমে ভোটের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে প্রতিটি কেন্দ্রের বুথে সশস্ত্র সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণের দাবি জানান তিনি।

এ নির্বাচন ঘিরে এরই মধ্যে টানা ১৮ দিনের প্রচারণার পর গতকালও মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় কাটান। চট্টগ্রাম সিটির আগের পাঁচটি নির্বাচনে চারটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ও একটিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হন। এ ছাড়া এসব নির্বাচনে প্রত্যেকটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের কাউন্সিলরদের জয়জয়কার ছিল। এ কারণে আওয়ামী লীগ মনে করছে, এবারের নির্বাচনেও তাদের মেয়র প্রার্থীসহ কাউন্সিলররাও বিজয়ের হাসি হাসবেন। বিএনপি বলছে, তাদের হারানো মেয়র পদ পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি কাউন্সিলর পদগুলোতেও বেশিসংখ্যক প্রার্থী জয়ী করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর নির্বাচনের জন্য ভোট হবে ৩৯টিতে। এতে মোট প্রার্থী ১৬৯ জন এবং ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫৭ কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৩২টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৬২ জন ও ১৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ২৮ জন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। আর বিএনপিতে একটি সাধারণ ও দুটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোট পাঁচজন বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে আছেন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা