kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৩ রজব ১৪৪২

আত্মবিশ্বাসী আ. লীগ, বিএনপিতে ভয়

উৎসব আর উত্তেজনার চট্টগ্রাম সিটির ভোট কাল

তৈমুর ফারুক তুষার, চট্টগ্রাম থেকে   

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



আত্মবিশ্বাসী আ. লীগ, বিএনপিতে ভয়

ঘড়ির কাঁটা ধরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান। রাত পেরিয়ে আগামীকালের শীতমাখা সকালের অপেক্ষায় চট্টগ্রাম। পুরোপুরি তৈরি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের ভোটের মঞ্চ। একদিকে উৎসবমুখরতা অন্যদিকে স্নায়ুচাপ, উত্তেজনা আর সংঘাতের শঙ্কায় কাটছে ভোটের আগের শেষক্ষণ। এরই মধ্যে প্রার্থীরা প্রচারণাকে জানিয়েছেন বিদায়। শেষের ‘দুর্লভ’ সময়টাতে এসে ঘরে বসেই নিজের বিজয়ের ছক কষছেন এই কয়টা দিন ভোটের মাঠ দাপানো প্রার্থীরা।

এবারই প্রথম চট্টগ্রামে ভোটের দিন সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়নি। ইভিএম পদ্ধতিতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৭৩৫ ভোটকেন্দ্রে চলবে টানা ভোট। গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সব কেন্দ্রে ইভিএম ভোটের মহড়াও শেষ হয়েছে।

এ নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন থাকলেও বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্যে হবে বাঘ-সিংহের লড়াই। নৌকার প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জয়ের ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী হলেও নানা শঙ্কার ঘোরে সময় পার করছেন ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের ঘরোয়া শত্রুতা বহু বছরের পুরনো। এবার ভোটের একেবারে আগ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর পক্ষে দলটির বেশির ভাগ নেতা মাঠে নামেন। আর যাঁরা মাঠে ছিলেন না তাঁরাও প্রকাশ্যে বা গোপনে নৌকার বিরোধিতায় ছিলেন চুপ। তাই যেকোনো নির্বাচন এলেই প্রতিপক্ষকে মোকাবেলার পাশাপাশি নিজেদের গৃহবিবাদ মেটাতে দলটিকে হতে হয় সমান গলদঘর্ম। এবারের ছবিটাও আলাদা ছিল না। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের কঠোর নজরদারি আর চট্টগ্রামে এসে কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা দফায় দফায় বৈঠক করে নৌকার পক্ষে প্রায় সব নেতাকে মাঠে নামাতে পেরেছেন। ফলে মেয়র পদে জয়ের ব্যাপারে অনেকটাই নির্ভার আওয়ামী লীগের রেজাউল।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে বিগত কয়েকটি নির্বাচনের মতো এবারও ভোট কারচুপি করে জয়ী হওয়ার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকাছাড়া করার চেষ্টা করছে। সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী এনে ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করা হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন দলটির নেতারা। সুষ্ঠু ভোট হলে বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলেও আশার কথা শুনিয়েছেন নেতারা।

এদিকে ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যেসব ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন সেসব ওয়ার্ডে সংঘাতের শঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে নগরীর ১১, ১৯ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। রবিবার রাতে নগরীর ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। কাউন্সিলর পদে নির্বাচন হতে যাওয়া ৩৯ ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টিতেই বর্তমান কাউন্সিলররা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এ ছাড়া আরো ২০টি সাধারণ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। সেসব ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। তবে এই ওয়ার্ডগুলোতে সংঘর্ষ, রক্তপাতের ফলে যেন নির্বাচন বিতর্কিত না হয় সেদিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ক্ষমতাসীনরা।

চট্টগ্রামে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে জানান, চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের নেতারা ঐক্যবদ্ধ হলে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকাকে পরাজিত করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। অতীতে যতবারই নির্বাচন হয়েছে, এমনকি আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকার সময়ও এখানে নৌকা জয়ী হয়েছে। শুধু ২০১০ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এম মনজুর আলম জয়ী হন। সে সময় মনজুর আলম বিএনপির কোনো পদে ছিলেন না। বরং প্রয়াত মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে বিএনপির একাধিক প্রভাবশালী নেতা চসিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কখনো জয়ের হাসি হাসেননি। ফলে চট্টগ্রামে নৌকাকে জয়ী করতে দলকে ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, ‘চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে ভোটাররা নৌকার পক্ষেই রায় দেবে। আমাদের টেনশন ছিল দলীয় কোন্দল নিয়ে। অনেক সময় দেখা যায় প্রভাবশালী অনেক নেতা ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে প্রকাশ্যে বা গোপনে নৌকার বিরোধিতা করেন। ফলে নৌকার প্রতিপক্ষ জিতে যায়। এবার চসিকে সেটা হচ্ছে না। কেউ কেউ হয়তো এখনো আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীকে মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না, কিন্তু তার পরও তাঁরা নৌকার বিরোধিতা করছেন না। আর এত দিন নিষ্ক্রিয় থাকা বেশ কয়েকজন নেতা নৌকার পক্ষে শেষ পর্যন্ত মাঠে নেমেছেন। ফলে আমরা মেয়র পদে জয়ের বিষয়ে অনেকটাই নির্ভার।’

এবারের চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ১৯ জন নেতা। তাঁদের মধ্যে বর্তমান মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির ছিলেন অন্যতম। নাছিরের সঙ্গে প্রয়াত মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছিল তীব্র বৈরিতা। এখনো চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ মূলত মহিউদ্দিন গ্রুপ ও নাছির গ্রুপ—এ দুই ধারায় বিভক্ত। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত নাছিরকে এবার আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব করা হয়। তিনি নৌকাকে জয়ী করতে মাঠে বেশ ভালোভাবেই সক্রিয়।

মেয়র পদে মনোনয়ন চেয়েছিলেন চসিক প্রশাসক মোরশেদ আলম সুজন। মনোনয়নবঞ্চিত এই নেতা সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলন করে নৌকাকে জয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। মনোনয়নবঞ্চিত চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু ও ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরীও নৌকার পক্ষে মাঠে রয়েছেন। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালাম মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। এই নেতাও এখন নৌকাকে জয়ী করতে কাজ করছেন।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়ার বাড়ি চট্টগ্রামে। তিনি চসিক নির্বাচন উপলক্ষে এক সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রামে। শেষ বেলায় দলীয় কোন্দল কমিয়ে এনে বিবদমান নেতাদের নৌকার পক্ষে মাঠে নামার ব্যাপারে বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতারা যেকোনো চূড়ান্ত যুদ্ধের মুহূর্তে সবাই এক হয়ে মাঠে নামেন। অতীতেও বারবার এটা দেখা গেছে। এবারে দলীয় কোন্দল নিরসনে আমাদের কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা চট্টগ্রামে বসে অনেকগুলো বৈঠক করেছেন। বিবদমান নেতাদের বুঝিয়ে তাঁদের নৌকার পক্ষে মাঠে নামিয়েছেন।’

ভোটের দিনে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের শঙ্কা প্রসঙ্গে বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীকে আমরা বুঝিয়ে নির্বাচন থেকে বসিয়ে দিয়েছি। আরো চেষ্টা চলছে। শেষ মুহূর্তেও কেউ কেউ বসে যাবেন। আর শেষ পর্যন্ত যেসব ওয়ার্ডে বিদ্রোহী থেকে যাবেন তাঁদের বিষয়ে ভোটাররাই সিদ্ধান্ত নেবে। কেউ সন্ত্রাস করার চেষ্টা করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’

আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে জয়ী করতে চট্টগ্রামে অবস্থান করে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত ঘরোয়া বৈঠক করে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও এস এম কামাল। তাঁরা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিয়মিত চসিক নির্বাচন পরিস্থিতির তথ্যও জানাচ্ছেন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা চট্টগ্রামে এসে বিবদমান নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের ক্ষোভ, বেদনার কথা শুনেছি। সেগুলো প্রশমিত করতে কাজ করেছি। তাঁদের বুঝিয়েছি, রেষারেষি যা-ই থাকুক সেগুলো ভোটের পরে দেখাবেন। কিন্তু নৌকাকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

নানা শঙ্কার কথা জানালেও বিএনপির প্রার্থীকে জয়ী করতে মাঠে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা। তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছাড়া অন্যরা কেউ মাঠে না নামায় দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে একধরনের ক্ষোভ রয়েছে। বলা যায়, বিএনপির তৃতীয় সারির কেন্দ্রীয় নেতারাই শুধু মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তবে এই সব কিছু ছাপিয়ে বিএনপির নেতাদের প্রধান শঙ্কা হলো তাঁদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও এলাকাছাড়া হওয়ার আতঙ্ক। দলটির নেতাদের অভিযোগ, গায়েবি মামলা, গ্রেপ্তার ও ঘরে ঘরে তল্লাশি চালিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত পর্যন্ত দলটির ৬৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির নেতারা।

এ নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন গতকাল সোমবার সকালে নগরীর নাসিমন ভবনে বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসী, মাস্তান, চাঁদাবাজ, ইয়াবা কারবারি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতি উৎসাহী কিছু সদস্যের কারণে সিটি নির্বাচনের পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেছে। নির্বাচনের বাকি আর মাত্র এক দিন। সাত দিন ধরে পুলিশ নেতাকর্মীদের ঘরে থাকতে দিচ্ছে না। ঘরে ঘরে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। যাদের পাচ্ছে না, তাদের পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছে, যাতে এলাকা ছেড়ে চলে যায়।’

শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ইতিমধ্যে বিএনপির ৪০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার ও সাতটি মামলা করা হয়েছে। গায়েবি, সাজানো এসব মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। রবিবার রাতে ২০ জনকে আটক করে পুলিশ। নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিমকে ওই দিন রাত দেড়টায় পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে ছাড়িয়ে আনা হয়। ওই নেতাকে পুলিশ লুঙ্গি পর্যন্ত পরতে দেয়নি। বাকলিয়ায় মুন্নী নামের এক কর্মীকে শিশুসহ গ্রেপ্তার করেছে।’

ক্ষমতাসীনদের প্রতি ইঙ্গিত করে শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তাঁরা নোয়াখালী, বান্দরবান, ফেনী, সাতকানিয়াবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন নৌকার প্রার্থীর পক্ষে। ওই সময় তাঁরা কেন্দ্র পাহারা দেবেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানতে পারি। অথচ বিএনপি মতবিনিময় করেছে বাইরের কারো সঙ্গে নয়, নগরে থাকা বিভিন্ন পেশাজীবীর সঙ্গে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা