kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১২ রজব ১৪৪২

করোনার প্রভাব মোকাবেলায় আরো দুই প্রণোদনা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনার প্রভাব মোকাবেলায় আরো দুই প্রণোদনা

করোনা মহামারির প্রভাব থেকে রক্ষা করতে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পে এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণে দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকার আরো দুটি প্রণোদনা প্যাকেজ আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রণোদনা প্যাকেজগুলো অনুমোদন করেছেন। এগুলোর বাস্তবায়ন শিগগিরই শুরু হবে বলে রবিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নতুন দুই প্রণোদনা কর্মসূচির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির প্রভাব মোকাবেলায় দেশের কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে গতি সঞ্চার, গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং অতিদরিদ্র বয়স্ক ও বিধবাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রী নতুন দুটি প্রণোদনা কর্মসূচি অনুমোদন করেছেন। কর্মসূচি দুটির মোট বরাদ্দ দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা, যার বাস্তবায়ন অবিলম্বে শুরু হবে।

তিনি বলেন, ‘নতুন অনুমোদিত এই দুটিসহ মোট প্রণোদনা প্যাকেজের সংখ্যা হলো ২৩, যার মোট আর্থিক পরিমাণ এক লাখ ২৪ হাজার ৫৩ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৪.৪৪ শতাংশ। আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী যে উদ্দেশ্যে এ দুটি নতুন প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন তা অবশ্যই কার্যকর হবে। নতুন এ দুটি প্রণোদনার মাধ্যমে আমাদের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী অত্যন্ত উপকৃত হবে। পাশাপাশি আমাদের অর্থনীতিতেও আরো গতি সঞ্চার হবে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন প্রথম প্যাকেজটির আকার এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর আওতায় ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প খাত এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নেওয়া কার্যক্রম সম্প্রসারণে এসএমই ফাউন্ডেশনকে ৩০০ কোটি, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা (বিসিককে) ১০০ কোটি এবং জয়িতা ফাউন্ডেশনকে ৫০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করতে এনজিও ফাউন্ডেশনকে ৫০ কোটি, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনকে ৩০০ কোটি, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনকে ৩০০ কোটি, ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনকে ১০০ কোটি এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডকে ৩০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

দ্বিতীয় প্যাকেজের আকার এক হাজার ২০০ কোটি টাকা। এ টাকায় আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের ১৫০টি উপজেলায় দরিদ্র বয়স্ক এবং বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীর ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা