kalerkantho

রবিবার। ৩ মাঘ ১৪২৭। ১৭ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

করোনায় মৃতদের ৫৩ শতাংশই ঢাকা বিভাগের

২৪ ঘণ্টায় আরো, ৩৬ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে




করোনায় মৃতদের ৫৩ শতাংশই ঢাকা বিভাগের

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৬ জন মারা গেছে। একই সময়ে নতুন শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০৮ জন, সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ২০৯ জন। দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত চার লাখ ৬০ হাজার ৬১৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে তিন লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৫ জন, মারা গেছে ছয় হাজার ৫৮০ জন।

গতকাল শনিবার পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী মোট শনাক্তকৃতদের মধ্যে সর্বোচ্চ এক লাখ ৮৯ হাজার ৯১৮ জন বা ৪১.২৩ শতাংশ ঢাকা বিভাগের। বাকিরা সারা দেশের অন্য বিভাগগুলোর।

মৃতদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫৩.৪৫ শতাংশ বা তিন হাজার ৫১৭ জন ঢাকা বিভাগের, ১৯.০৬ শতাংশ বা এক হাজার ২৫৪ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪০১ জন বা ৬.০৯ শতাংশ রাজশাহী বিভাগের, ৭.৫২ শতাংশ খুলনা বিভাগের, ৪.৫৩ শতাংশ রংপুর বিভাগের, ৪.০১ শতাংশ সিলেট বিভাগের, ৩.৩৩ শতাংশ বরিশাল বিভাগের এবং ২.০২ শতাংশ ময়মনসিংহ বিভাগের।

এদিকে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ এক লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৪ জন ঢাকা মহানগরী এলাকার। এর পরই ২৪ হাজার ৫৮৮ জন চট্টগ্রামে। আর গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৬৬ জন উত্তরায়, ৬৫ জন মিরপুর, ৬৪ জন মোহাম্মদপুর, ৫৮ জন ধানমণ্ডিতে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৩.৬২ শতাংশ, সুস্থতার হার ৮১.৬০ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.৪৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩৬ জনের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ, আটজন নারী। তাদের মধ্যে ৩০ জন বা ৮৩ শতাংশ ঢাকার। বাকিদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে একজন, খুলনায় তিনজন, বরিশাল ও রংপুরে একজন করে মারা গেছে।

শুরু থেকে এ পর্যন্ত সংক্রমণ ও মৃত্যু ঢাকায় বেশি কেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘একমাত্র চীন ছাড়া সারা বিশ্বে করোনার প্রথম সংক্রমণ হয়েছে দেশের প্রধান নগরীতে। বিশেষ করে যেখানে দেশের প্রধান বিমানবন্দর বা আন্তর্জাতিক যাতায়াতের প্রধান পথ, সেখানেই বেশি সংক্রমণ ঘটছে এবং মারা যাচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের দেশে ঢাকায় যেহেতু প্রধান বিমানবন্দর তাই ঢাকাতেই প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে এবং ছড়িয়েছে। এরপর চট্টগ্রাম, বড় শহর হিসেবে সেখানেও ছড়িয়েছে। পুরনো শহরগুলোয় একইভাবে ছড়িয়েছে। ফলে বাইরে থেকে প্রবেশ পথগুলো উপযুক্ত মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে অনেক উপকার হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহনীলা ফেরদৌসী বলেন, ‘বিমান কর্তৃপক্ষকে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বলে আসছি, সনদ ছাড়া যাতে কেউ কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশগামী বিমানে চড়তে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সেটা করা হচ্ছে না। আমরা তো বিমানে গিয়ে ওই দায়িত্ব পালন করতে পারি না। এটা করতে হবে বিমানসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে, প্রয়োজনে আমরা সহায়তা করব।’

মন্তব্য