kalerkantho

সোমবার। ৪ মাঘ ১৪২৭। ১৮ জানুয়ারি ২০২১। ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সাম্বার হরিণ পরিবারে নতুন অতিথি

বাঘশাবককে বাঁচাতে প্রাণান্ত চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৭ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




সাম্বার হরিণ পরিবারে নতুন অতিথি

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সাম্বার হরিণ পরিবারে নতুন অতিথি এসেছে। দেশে বিলুপ্তপ্রায় এই সাম্বার হরিণ রয়েছে শুধু নগরের ফয়’স লেক চিড়িয়াখানায়।

ওই চিড়িয়াখানায় জন্ম নেওয়া একটি বাঘশাবককে বাঁচাতে প্রাণান্ত চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। বাঘিনী দুধ না দেওয়ায় দুটি শাবক এরই মধ্যে মারা গেছে।

চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. মো. শাহাদাত হোসেন শুভ জানান, ২৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার সাম্বার হরিণ পরিবারে নতুন শাবকের জন্ম হয়েছে। কাজল-লাইলি নামের এই হরিণ জুটির সংসারে নতুন অতিথি এসেছে। মা হরিণ ও শাবকটি সুস্থ রয়েছে। তিনি জানান, বংশবৃদ্ধির ফলে এ পরিবারের সদস্যসংখ্যা উন্নীত হয়েছে ছয়টিতে।

ডা. শুভ জানান, বাংলাদেশে বিলুপ্তপ্রায় সাম্বার হরিণ শুধু চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আছে। এটি উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় জাতের হরিণ। গর্ভধারণকাল সাত-আট মাস। তিন বছরে বয়ঃপ্রাপ্ত হয়। ২০-২৫ বছর বাঁচে। সাম্বার হরিণশাবক ছয় মাস পর্যন্ত দুধ খায়।

এদিকে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘিনী জয়া গত ১৪ নভেম্বর রাতে তিনটি শাবকের জন্ম দিলেও বেঁচে আছে একটি।

ডা. শুভ জানান, জয়া-রাজ জুটির এই শাবকগুলোর জন্মের পর বাঘিনী তাদের দুধ খেতে দেয়নি এবং বাচ্চাদের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করে। ফলে ১৫ নভেম্বর রাতে একটি শাবক মারা যায়। বাধ্য হয়ে তাঁরা বাকি দুটো বাচ্চাকে আলাদা করে ফেলেন। না খাওয়ার কারণে দুটি শাবকই দুর্বল ও সংকটাপন্ন ছিল। ১৮ নভেম্বর আরো একটি শাবক মারা যায়। তিনি জানান, বর্তমানে বেঁচে থাকা বাঘশাবককে ফিডারে করে দুধ খাওয়ানো হচ্ছে। তার অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও এখনো সংকটমুক্ত বলার সময় আসেনি। নিয়মিত খাবার গ্রহণ করলে মাসখানেক পর শাবকটিকে নিরাপদ বলা যাবে। নিরাপত্তা ও সংক্রমণের আশঙ্কায় শাবকটিকে সবার কাছ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া যাঁরা শাবকটির যত্ন নিচ্ছেন তাঁরা ছাড়া অন্য কাউকে কাছে যেতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

মন্তব্য