kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সাত চক্রে জিম্মি গুলিস্তান

অপরাধীদের ধরতে শুরু অভিযান

ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অপরাধীদের ধরতে শুরু অভিযান

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজদের ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল থেকে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে চাঁদাবাজচক্রের সদস্য ‘লাইনম্যান’দের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, গতকাল কালের কণ্ঠে ‘সাত চক্রে জিম্মি গুলিস্তান, হকাররা টুকরি ফেললেই চাঁদা দিতে হয়’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর লাইনম্যানরা গাঢাকা দিয়েছে। হকাররা জানান, দীর্ঘদিন পর অন্তত গতকাল তাঁদের লাইনম্যানদের চাঁদা দিতে হয়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের পল্টন থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজদের ধরতে অভিযান শুরু করেছি। পুলিশের নাম ভাঙানোসহ যারাই চাঁদাবাজি করছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ তিনি বলেন, এ নিয়ে পত্রিকায় নিউজ হয়েছে। সেটাই আমলে নিয়ে তদন্ত করছেন তাঁরা। চলমান অভিযান আরো জোরদার করা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, এরই মধ্যে সন্দেহভাজন অনেক ‘চাঁদাবাজ’কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সাদা পোশাকে নজরদারি চলছে।

মতিঝিল থানার ওসি মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত বলেন, মতিঝিল থানা এলাকায় যেসব ফুটপাত ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তা গুরুত্বসহকারে নিয়ে তদন্ত চলছে। লাইনম্যান নামে যারা ফুটপাতে চাঁদাবাজি করছে, তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল গুলিস্তান এলাকায় কালের কণ্ঠ’র ওপর বাড়তি নজর ছিল ফুটপাতের ব্যবসায়ীদেরও। অনেকেই বলে, পত্রিকায় তাদের অর্থাৎ গরিব মানুষের কথা উঠে এসেছে। এখন প্রশাসন তৎপর হলে চাঁদাবাজরা এলাকা ছেড়ে পালাবে। হকার সুরুজ আলী গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আজ আর লাইনম্যান ইউসুফ আসেনি। মনে হয় পত্রিকার নিউজটা পড়ছে। পুলিশ আইছিল তার খোঁজ নিতে।’ তিনি যোগ করেন, ‘পুলিশের অনেকেই তাকে চেনে, এত দিন তারে ধরে নাই, এহন পত্রিকায় নিউজ হইছে, তাই আইছে।’  গতকাল বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আমিন বলেন, ‘গুলিস্তান এলাকায় আমিও ব্যবসা করি। সকালে কালের কণ্ঠে গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজির নিউজ হইছে শুনেই চলে যাই রতন ভাইয়ের অফিসে। সেখানে গিয়ে নিউজ পড়ে মনে হয়েছে, এ ধরনের সত্য খবর পত্রিকায় আসা উচিত। এখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা