kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

কার্তিকে শ্রাবণের বৃষ্টি বিপর্যস্ত জনজীবন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



কার্তিকে শ্রাবণের বৃষ্টি বিপর্যস্ত জনজীবন

নিম্নচাপের প্রভাবে চলমান টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে চট্টগ্রাম নগরীর নিচু এলাকা। দুর্ভোগে পড়েছে গণপরিবহনের যাত্রীরা। বন্দর নগরের ২ নম্বর গেট এলাকার গতকালের চিত্র। ছবি : কালের কণ্ঠ

কার্তিকে যেন আষাঢ়-শ্রাবণ মাস নেমে এসেছে। বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে বরিশাল, চট্টগ্রাম, বাগেরহাট, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দুই বা তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। গত বৃহস্পতিবার থেকে বরিশালের কীর্তনখোলাসহ কয়েকটি নদীর পানি বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টি ও নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে বরিশাল নগরের বেশির ভাগ এলাকা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদীবন্দরগুলোতে ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করায় বরিশালের অভ্যন্তরীণ সব রুটে লঞ্চ চলাচল গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডাব্লিউটিএ। মুন্সীগঞ্জ ও মারদারীপুরের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌপথে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ। বাগেরহাটে ডুবে গেছে প্রায় আট হাজার ম ৎস্যঘের ও পুকুর।

ঝালকাঠিতে সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পানি বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি ঢুকে পড়েছে শহর, ক্ষেত ও মাছের ঘেরে। বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলায় তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত, মাছের ঘের, পুকুর ও পানের বরজ। কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় আটকা পড়েছে পাঁচ শতাধিক পর্যটক।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়ে গতকাল সন্ধ্যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের খুলনা উপকূল অতিক্রম করেছে। কোথাও ভারি, কোথাও অতিভারি বর্ষণের ফলে গভীর নিম্নচাপের শক্তি কমে যায়। গতকাল সন্ধ্যায় খুলনা সুন্দরবন এবং ভারতের সুন্দরবন অংশে আঘাত হেনে আরো দুর্বল হয়ে যায়। গভীর নিম্নচাপটির ঘূর্ণিঝড় রূপ নেওয়ার যে আশঙ্কা ছিল, বৃষ্টির ব্যাপকতার কারণে তা আর হয়নি। এদিকে নিম্নচাপটি উপকূল অতিক্রম করায় সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা সংকেত ৪ থেকে ৩ নম্বরে নামিয়ে এনেছে আবহাওয়া অফিস। তবে নিম্নচাপের প্রভাবে কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় আজ শনিবারও দেশের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। ২৫ অক্টোবর রবিবার থেকে আবহাওয়ার অবস্থার উন্নতি ঘটবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), বিআইডাব্লিউটিএ-বিআইডাব্লিউটিসি, কৃষি, আবহাওয়া, ম ৎস্য, বিদ্যুৎ অফিস ও প্রশাসন সূত্রে বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতি জানিয়েছেন কালের কণ্ঠ’র বিশেষ প্রতিনিধি, নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা—

বরিশালে তলিয়েছে নগর, লঞ্চ চলাচল বন্ধ

বরিশালে গত বৃহস্পতিবার থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল। তবে এদিন বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বৃষ্টিপাত বন্ধ ছিল। বৃষ্টি ও নদীর পানিতে নগরের বেশির ভাগ সড়কই হাঁটুপানিতে তলিয়ে আছে। বরিশালে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে।

বাগেরহাটে ডুবেছে আট হাজার ম ৎস্যঘের

দুই দিনের ভারি বর্ষণে বাগেরহাট শহরের বিভিন্ন সড়ক ও বাড়িঘরে হাঁটুপানি জমে গেছে। জেলায় প্রায় ৩৮ হাজার (শরণখোলায়ই ৩০টি গ্রামের প্রায় ৩৫ হাজার) মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ডুবে গেছে প্রায় আট হাজার ম ৎস্যঘের ও পুকুর। ভেসে গেছে কয়েক কোটি টাকার চিংড়িসহ বিভিন্ন মাছ। বৃষ্টির কারণে গতকাল মোংলা সমুদ্রবন্দরে জাহাজে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজ ব্যাহত হয়। বাগেরহাটে ২৪ ঘণ্টায় গড়ে ৬৮.৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার মোট ৩২৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করতে ইউএনওদের নির্দেশনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। শরণখোলায় উপজেলা তহবিল থেকে তাত্ক্ষণিকভাবে শুকনা খাবার বিতরণের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ঝালকাঠিতে নদীতে পানি বৃদ্ধি : গতকাল সকাল থেকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে ঝালকাঠিতে। বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি বইছে ধমকা হাওয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় ঝালকাঠিতে ১৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। পানি বাড়ায় নদীতীরের বাসিন্দারা আতঙ্কে আছে। জেলা প্রশাসন জরুরি সভা করে মেডিক্যাল টিম, স্বেচ্ছাসেবীসহ দুর্যোগের প্রস্তুতি নিয়েছে। নদীতীরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ডুবেছে ধানক্ষেত মাছের ঘের বরজ, বন্ধ বিদ্যুৎ সরবরাহ : তিন দিনের ভারি বৃষ্টিপাতে বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলাসহ গোটা উপকূলীয় এলাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্লুইস গেট ও ড্রেনগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় পৌর শহরসহ দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত, বেশির ভাগ মাছের ঘের, পুকুর ও পানের বরজ। দমকা হাওয়ায় বিভিন্ন গ্রামে গাছ উপড়ে পড়ে এবং লাইনের তার ছিঁড়ে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। কর্মহীন হয়ে কষ্টের জীবন যাপন করছেন অনেক শ্রমজীবী।

উপকূলজুড়ে বৃষ্টি, দমকা হাওয়া, আটকা ৫০০ পর্যটক : কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ উপকূলজুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দুই দিন ধরে চলছে বর্ষণ ও দমকা হাওয়া। প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে আটকা পড়েছে পাঁচ শতাধিক পর্যটক। তাদের মধ্যে আছে দুর্গাপূজা উদযাপনের উদ্দেশ্যে যাওয়া দুই শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। দ্বীপের বিভিন্ন হোটেল ও কটেজে পর্যটকরা ভালো সময় কাটাচ্ছে। তবে সকাল থেকেই দ্বীপে অঝোর বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে গতকাল পর্যটকদের অনেকেই ভয়ের মধ্যে ছিল। সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কালের কণ্ঠকে সন্ধ্যায় বলেন, ‘দ্বীপে পর্যটকদের দেখভাল করার দায়িত্ব আমরা পালন করে যাচ্ছি।’

এদিকে লঘুচাপ ও বাতাসের প্রভাবে গতকাল সাগরের জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানিতে কুতুবদিয়া দ্বীপের উত্তর ধুরুং এলাকার বেড়িবাঁধ দিয়ে দ্বীপের বেশ কিছু এলাকা সয়লাব হয়ে গেছে। উপকূলীয় অন্যান্য নিম্নাঞ্চলীয় এলাকাও প্লাবিত হয়েছে। অন্যদিকে আবহাওয়ার সতর্কতা সংকেত তথা বিপজ্জনক পরিস্থিতি উপেক্ষা করেই পর্যটকরা নেমে পড়ছে সৈকত স্নানে। শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌপথে নৌযান চলাচল বন্ধ : বৈরী আবহাওয়ার কারণে পদ্মা নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ থাকায় মাওয়া নদীবন্দরে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত রয়েছে। তাই গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে নৌপথে সব ধরনের নৌযান (৮৭টি লঞ্চ ও তিন শতাধিক সি-বোট) চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে উভয় ঘাটে শত শত যাত্রী আটকে পড়ে তীব্র দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। নাব্যতা সংকটে ১৫ অক্টোবর থেকে এ নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে যাত্রী পারাপারের জন্য লঞ্চ ও সি-বোট চলাচল করলেও নাব্যতা সংকটের কারণে তা মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছিল।

টানা বর্ষণ ও দমকা বাতাস, পূজার আমেজ নেই : টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। বইছে দমকা বাতাস। হঠাৎ আগমন হয়েছে শীতের। ফলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাপক আয়োজন করা হলেও পূজার তেমন আমেজ নেই। মির্জাপুর শহরের বিভিন্ন সড়কে বৃষ্টির পানি জমেছে। বরগুনার বেতাগীতে বুধবার গভীর রাত থেকে কখনো মূষলধারে, কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। বইছে দমকা বাতাস। হঠাৎ জেঁকে বসেছে শীত। পৌর শহরে বৃষ্টির পানি জমেছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পূজার আমেজ নেই। বিপাকে পড়েছে দিনমজুররা। উপজেলার বিবিচিনি, সদর, রেহাসনাবাদ, মোকামিয়া, কাজিরাবাদ, বুড়ামজুমদার ও সরিষামুড়ি ইউনিয়নে অনেক আমন ও সবজির মাঠ পানিতে তলিয়ে গেছে।

হাতিয়ার সঙ্গে নৌ যোগাযোগ বন্ধ : নদী ও সাগর উত্তাল থাকায় নোয়াখালীর ৯টি উপজেলায় যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় শুকনো খাবার, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়াসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি হাতিয়ার সঙ্গে সব ধরনের নৌ যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। সব উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক জরুরি সভা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি : বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারি বর্ষণে ঝালকাঠির রাজাপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে অধিক উচ্চতায় বিষখালী নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে আগাম শীতকালীন সবজির। অনেক মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

জলমগ্ন নিম্নাঞ্চল : চট্টগ্রামে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ধারাবাহিক বর্ষণে প্রায় পুরো দিনই মহানগরের নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন ছিল। কোথাও কোথাও হাঁটুর ওপরে ছিল পানি। ফলে নগরবাসীকে কার্যত ঘরবন্দি দিন পার করতে হয়।

নিম্নচাপ উপেক্ষা করে সৈকতে! : পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে সকাল ৮টা থেকে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। ৩০ মিনিট পর ঝড়ের তীব্রতা কমলেও ঢেউ আর বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঝুঁকি নিয়েই আবার সাগরে নামে পর্যটকরা।

আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হয় গত বুধবার। সেটি খুব দ্রুতই সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নেয়। বৃহস্পতিবার নিম্নচাপ থেকে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়। ভারি বর্ষণের কারণে শক্তি অনেকটা ক্ষয়ে যাওয়ায় সেটি গভীর নিম্নচাপ থেকে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে গতকাল সন্ধ্যায় খুলনা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে গত বুধবার রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়। গতকাল সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয় পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ২৫৪ মিলিমিটার। এ ছাড়া ঢাকায় ৪৪, পটুয়াখালীতে ১৭৪, কুতুবদিয়ায় ১৬৬, হাতিয়ায় ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের মতো গতকাল দিনভর আকাশ ছিল মেঘলা। টানা বৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম বা তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

নিম্নচাপের প্রভাবে আজ ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণও হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। গভীর নিম্নচাপটি কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা