kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বিজয় দিবসে হাসিনা-মোদি আলোচনা

আজ জেসিসি বৈঠক

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে




বিজয় দিবসে হাসিনা-মোদি আলোচনা

আগামী ডিসেম্বরে মহান বিজয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নেবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এদিকে আজ মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্করের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশন, সংক্ষেপে জেসিসি) ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আজকের জেসিসি বৈঠকে কোনো চুক্তির বিষয়ে সম্মতি বা ঐকমত্য হবে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন এমন সম্ভাবনা জোর দিয়ে বলেননি।

এর কারণ হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “কিছু দিন পর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়ালি মিটিং হবে, ডিসেম্বরে। তখন চুক্তি-টুক্তি হয়তো, প্রধানমন্ত্রী সামনে হলে পরে ‘ইট লুকস বেটার’ (এটি ভালো দেখায়)।’’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিজয় দিবস, ওই সময়ে মুজিববর্ষ শেষ হওয়ার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি আলোচনা হবে। যদি কভিড চলে যায়, তবে হয়তো সামনাসামনিও হতে পারে।’

আজকের জেসিসি বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হবে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন আন্ত মন্ত্রণালয় বৈঠক করেছি। আমরা আমাদের

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করেছি। অনেক ইস্যু আমাদের আছে। (ভারত) আমাদের প্রতিবেশী ও সবচেয়ে ভালো বন্ধু। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের অনেক ইস্যু আছে। তবে এবারের জেসিসিতে খুব বেশি কিছু আমরা আশা করি না।’

এর কারণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, ‘এবার জেসিসিটা হচ্ছে খুব দ্রুত এবং মাত্র এক ঘণ্টার ইভেন্ট। এমনিতে তিন-চার ঘণ্টা হয়। আর এটি হচ্ছে ভার্চুয়ালি।’ তিনি বলেন, ‘স্বল্প সময়ের মধ্যে পানি, বাণিজ্য, ঋণ, কভিডসহ অন্যান্য ইস্যু যতটা সম্ভব আলোচনার চেষ্টা করব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফ্লাইট যোগাযোগ চালুর জন্য নয়াদিল্লি প্রস্তাবিত ‘এয়ার বাবল চুক্তি’ নিয়েও আলোচনা হবে। সীমান্তে হত্যা নিয়ে আলোচনা হবে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অবশ্যই। সুখের বিষয়, বাংলাদেশ ও ভারত, বিজিবি ও বিএসএফ তারা ওয়াদা করেছে যে ‘জিরো’ (মৃতের সংখ্যা শূন্যে নামানো হবে)। আমরা চাই না একটি লোকও মারা যাক। এটি (সীমান্তে হত্যা ইস্যু) বারবার উঠুক, আমরা তা চাই না।”

তিস্তা নিয়ে আলোচনা হবে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অনেকগুলো নদী, আমাদের সাত-আটটি নদী নিয়ে আলোচনা করব। কত দূর করতে পারব জানি না। কারণ সময়টা খুব নির্দিষ্ট। তবে আমরা যেটা চাচ্ছি, সেটা হচ্ছে যে যৌথ নদী কমিশনে আজ প্রায় ১১ বছর ধরে কোনো মিটিং নেই। এতে যদি ওরা রাজি হয়, তাহলে সুবিধা। তখন বিভিন্ন নদী সম্পর্কে আলাপ করা যাবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা