kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

দেশি মাছের উৎপাদন বাড়াতে ২০২ কোটি টাকার প্রকল্প

উদ্ভিদ ও প্রাণী সংরক্ষণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশি মাছের উৎপাদন বাড়াতে ২০২ কোটি টাকার প্রকল্প

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশজ যা কিছু আছে, উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রত্যেকটাকে আমরা সংরক্ষণ করব। শামুক নিয়ে প্রকল্প আছে, ঝিনুককেও আনতে হবে। কাঁকড়াকেও আনতে হবে। বাংলাদেশের যা প্রাণিজ, জলজ সম্পদ আমাদের আছে, প্রত্যেকটা আইটেমকে কাজে আনতে হবে।’

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় জানানো হয়, মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান এখন চতুর্থ। দেশে মাছের উৎপাদন বাড়াতে ২০২ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন একটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সভায় ‘দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ’ শিরোনামের একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে একনেক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান গণভবনে উপস্থিত ছিলেন।  একনেকের বাকি সদস্যরা ছিলেন রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে। বৈঠকের পর পরিকল্পনামন্ত্রী বিস্তারিত সাংবাদিকদের জানান।

একনেক সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক উন্নয়নসহ চারটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৪৪১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ৯৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, শামুক সংরক্ষণের পাশাপাশি ঝিনুক সংরক্ষণেরও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক যদি আরো সম্প্রসারণের প্রয়োজন হয়, তাহলে জমি দেবে সরকার।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্পঝুঁকি নিরূপণে ঢাকার জন্য একটি ঝুঁকিম্যাপ তৈরি করা হবে, যেখানে বোঝা যাবে কোন এলাকা কতটা ভূমিকম্পঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসন সংকট কাটাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য অনুমোদন পেয়েছে ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি। ফলে নারীদের উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়বে। তিনি বলেন, শামুক ও দেশীয় মাছ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে দেশীয় সব প্রাণী সংরক্ষণ করা হবে। কেননা দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে স্বাধীনতা শুধুই মানুষের জন্য নয়, সব প্রাণীর থাকা উচিত।

গতকাল একনেকে অনুমোদিত চার প্রকল্প হচ্ছে—১০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট (রাজউক), ১৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, ২০২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন এবং ৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, গাজীপুরের অ্যাপ্রোচ সড়ক প্রশস্তকরণ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা