kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

চীনত্যাগী বিনিয়োগ পেতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ

বেটার বিজনেস ফোরামের আদলে টাস্কফোর্স করার পরামর্শ

মাসুদ রুমী   

২৯ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে




চীনত্যাগী বিনিয়োগ পেতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ

চীন থেকে একের পর কারখানা সরাচ্ছে বহুজাতিক বড় বড় কম্পানি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অতিমাত্রায় চীননির্ভরতার তিক্ততা ও করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এমন সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছে অনেক দেশ। জাপান ও ইউরোপের দেশগুলো বলছে, কভিড-১৯ জানিয়ে দিয়েছে একদেশনির্ভরতা কতটা বিপজ্জনক। তাই ওই সব দেশের প্রতিষ্ঠাগুলো চীন থেকে কারখানা সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যেতে তৎপরতা শুরু করেছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে এখন ব্যাপক সক্রিয় ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ। প্রবল সম্ভাবনা সত্ত্বেও এই সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশের প্রস্তুতি পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও বিনিয়োগ বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলছেন, বিনিয়োগ সহজীকরণসহ প্রতিযোগী দেশগুলো যেসব সুবিধা দিচ্ছে, বাংলাদেশ সেই সুবিধা দিতে পারছে না। এ জন্য ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগ আনতে নানা ধরনের প্রণোদনা ও ‘কান্ট্রি ব্র্যান্ডিংয়ে’ ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

কারা চীন ছাড়ছে, কেন ছাড়ছে : সম্প্রতি বৈশ্বিক পরামর্শক সংস্থা প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারসের (পিডাব্লিউসি) এক প্রতিবেদনেও বৈশ্বিক কম্পানিগুলোর চীন ছাড়ার বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বেশির ভাগ কম্পানি মানরক্ষা ও ব্যয় কমানো, মজুরি বাবদ ব্যয় কমানো, বাণিজ্যযুদ্ধ এড়ানো ও জমির ব্যয় কমানোর জন্য চীন ছাড়তে চায়। চীনে নীতি সহায়তার অভাবও ওই সব কম্পানিকে চীন ছাড়তে উৎসাহিত করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি কম্পানি অ্যাপল এরই মধ্যে তাদের উৎপাদনের একটি অংশ চীন থেকে ভারতে নিয়ে গেছে। তাইওয়ানের ফোকসভাগেনও চীন থেকে ভারতে আসার পরিকল্পনা করছে। এভাবে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ অনেক দেশেরই বহুজাতিক কম্পানি তাদের উৎপাদনব্যবস্থা চীন থেকে বিভিন্ন দেশে নিয়ে যাচ্ছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রবণতা শুরু হয়, করোনার কারণে তা আরো বেড়েছে। জাপানের সনি করপোরেশন তাদের ক্যামেরা, প্রজেক্টর ও ভিডিও গেমের প্লেস্টেশন তৈরির কারখানা চীন থেকে সরিয়ে অন্য কোনো দেশে নিতে চায়। চীন থেকে তল্পিতল্পা গোটাতে আগ্রহী জাপানের গাড়ি উৎপাদনকারী টয়োটার যন্ত্রাংশ তৈরির কম্পানি টয়োটা বশোকু করপোরেশন, ইলেকট্রনিক জায়ান্ট শার্প ও প্যানাসনিক, ঘড়ি উৎপাদনকারী সিকো ও ক্যাসিওর মতো বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোও। এই তালিকায় আরো রয়েছে জাপানের মিত্সুবিশি ইলেকট্রনিক, তোশিবা, দক্ষিণ কোরিয়ার এসকে হাইনিকস ও এলজি ইলেকট্রনিকস, তাইওয়ানের কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কম্পাল ইলেকট্রনিকস। চীন ছাড়লে জাপান সে দেশের বিনিয়োগকারীদের প্রণোদনাও দিচ্ছে। জাপান সরকার কারখানা স্থানান্তরে ৮৭টি জাপানি কম্পানিকে ভর্ভুকি দিচ্ছে। এগুলোর মধ্যে ৫৭টি জাপানে ফিরছে। ৩০টি চীন থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে যাচ্ছে, যার ১৫টিই টিকিট কেটেছে হ্যানয়ের।

বাংলাদেশের সুযোগ কোথায় : ভৌগোলিক অবস্থান ও ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি, বিশাল ভোক্তাশ্রেণির কারণে বাংলাদেশকে একটি বড় বাজার হিসেবে উল্লেখ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা। ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিকভাবে দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ভিত্তিতে ২৬তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ। বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন বাংলাদেশের অবস্থান ৪২। হংকংভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসির (হংকং সাংহাই ব্যাংক করপোরেশন) বৈশ্বিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার দিক থেকে বাংলাদেশের পরেই রয়েছে ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া।

চলতি বছরের শুরুর দিকে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘দেশের অর্থনীতি অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ টপ-২০-এর মধ্যে চলে আসবে। ২০৩১ সালে বাংলাদেশ তাইওয়ানকে ছাড়িয়ে যাবে। আপনারা এই হিসাব আমাদের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন।’

চীনত্যাগী বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা উল্লেখ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নতুন নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘করোনা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে কেউ কেউ চীন ছাড়ার চিন্তা করছে। এ ক্ষেত্রে আমাদেরও অনেক সম্ভাবনা আছে। কারণ চীন, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া—এই তিনটি বৃহৎ অঞ্চলের মাঝখানে বাংলাদেশের অবস্থান। যার প্রায় ১৬ কোটির মতো একটি বিশাল জনগোষ্ঠী রয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারের দ্রুত বিকাশ ঘটছে। ফলে আমি মনে করি, আমাদের এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।’

নিরাপদ বাংলাদেশের অর্থনীতি : করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেবে, সেই আভাস অনেক আগে থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। এমন অবস্থায় অর্থনীতির নিরাপত্তা নিয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দি ইকোনমিস্ট। গণমাধ্যমটির প্রতিবেদনে দেখানো হয়, করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার মধ্যেও ভারত-চীন কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশের চেয়ে তুলনামূলক নিরাপদ বাংলাদেশের অর্থনীতি। ৬৬টি উদীয়মান সবল অর্থনীতির দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে নবম স্থানে রাখা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

তাহলে বাধা কোথায়, করণীয় কী : দেশে প্রতিবছর ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি ডলার নতুন সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আসছে, কিন্তু জিডিপি অনুপাতে বিনিয়োগ বাড়ছে না। বেসরকারি বিনিয়োগ এখন ২৩-২৪ শতাংশের ঘরে রয়েছে। সব মিলিয়ে বিনিয়োগ জিডিপির ২৮ শতাংশে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ, যা অর্জন করা আগামী বছরগুলোতে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

সরকার এরই মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ১১টি বাধা চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে স্থানান্তরিত বিনিয়োগ ধরতে দেশে কোনো ইনসেনটিভ বা প্রণোদনার ব্যবস্থা না থাকা। এ ছাড়া আছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ভেটিং না করে প্রকল্পের সঙ্গে বিনিয়োগসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর, দেশি ও বিদেশি কম্পানির মধ্যে করপোরেট কর বৈষম্য, দেশি ও বিদেশি কম্পানির জন্য ভিন্ন বিনিয়োগ নীতি, দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ সম্পর্কে বহির্বিশ্বে ইতিবাচক ভাবমূর্তি ও ঘাটতি, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) বিনিয়োগসংক্রান্ত কর ও ভ্যাট জটিলতা, এনআরবি হিসাবধারী বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ ও মূলধন নিয়ে যাওয়া সমস্যা, ব্যাংকিং পদ্ধতিতে জটিলতা, অনাবাসীদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চ করহার, বিদ্যমান পলিসি বাস্তবায়নে জটিলতা এবং অনলাইনে ব্যাংক হিসাব খোলার সীমাবদ্ধতা।

বিনিয়োগ বিশ্লেষকরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের দরকার সহজে ব্যবসার পরিবেশ এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, সেখানে আমরা পিছিয়ে। বিনিয়োগকারীদের দরকার বাণিজ্যের জন্য রাস্তা, নৌ যোগাযোগ, বন্দর ও পণ্য সহজে খালাস করার ব্যবস্থা, আমাদের সেখানে ঘাটতি। বিনিয়োগকারীদের দরকার অবকাঠামো, সেখানে আমরা যথেষ্ট উন্নতি করতে পারিনি। বিনিয়োগকারীদের দরকার দক্ষ জনবল। আমাদের জনবল আছে, তবে মোটা দাগে অদক্ষ। সব মিলিয়ে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা বাংলাদেশের নেই।

জানতে চাইলে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণে আমরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে আছি। বিনিয়োগে প্রধান বাধা হচ্ছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অনিশ্চয়তা। এর সঙ্গে ব্যবসা ব্যয় বেশি হওয়া, কর প্রদানে জটিলতা, বিকল্প অর্থায়নের সংস্থান না হওয়াও বড় কারণ। আবার ব্যবসা সহজ করার ক্ষেত্রে যেভাবে সংস্কার হওয়ার কথা ছিল, সেভাবে হচ্ছে না। সব মিলিয়ে বিনিয়োগের গতি যতটা হওয়ার কথা, তা হচ্ছে না।’

অর্থনীতি ও বিনিয়োগ বিশ্লেষক মামুন রশীদ কালের কণ্ঠকে বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, তারা কী তৈরি করতে পারবে, কী বিক্রি করতে পারবে ও কতটা সহজে কত বেশি মুনাফা তারা ফিরিয়ে নিতে পারবে। এ জন্য বিডা, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিএসইসিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে একটা টাস্কফোর্স করে ব্যবসার পরিবেশ দ্রুত উন্নত করার কোথায় কোথায় সুযোগ আছে, তা করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যেমন বেটার বিজনেস ফোরাম হয়েছিল তার আদলে টাস্কফোর্স করা যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

বিশ্বব্যাংকের সহজে ব্যবসা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৯টি দেশের মধ্যে ১৬৮তম। বিপরীতে ভারত ৭৭, ইন্দোনেশিয়া ৭৩, মালয়েশিয়া ১৫, ভিয়েতনাম ৬৯ ও থাইল্যান্ড ২৭তম অবস্থানে রয়েছে। এমনকি মিয়ানমারও বাংলাদেশের চেয়ে তিন ধাপ এগিয়ে, ১৬৫তম স্থানে আছে। যেকোনো বিনিয়োগকারী একটি দেশে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশ্বব্যাংকের সহজে ব্যবসা সূচকে অবস্থানটি দেখে বলে মনে করা হয়। বিডার যাত্রা শুরুর পর বিশ্বব্যাংকের তিন বছরের সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি মাত্র আট ধাপ। ২০২১ সালের মধ্যে এ ক্ষেত্রে অন্তত ৯৯তম দেশ হওয়ার লক্ষ্য আছে সরকারের।

এ ক্ষেত্রে বাধা কোথায়—জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের বিদেশি বিনিয়োগে সম্ভাবনা যেমন আছে, তেমনি প্রচুর বাধাও রয়েছে। এগুলো আমাদের সরকার যে জানে না, তা নয়; কিন্তু এগুলো সমাধানে খুব কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। আমরা কিছু বাধা দূর করেছি, কিন্তু আরো অনেক বাধা আছে।’ উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস আইন করলাম পাঁচ বছর হয়ে গেল, কিন্তু এখনো তা কার্যকর করা যায়নি। আমাদের বড় সমস্যা ছিল জমির। সে জন্য ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ শুরু করলাম। কয়েকটি চালু হলেও বড় দাগে আমরা তা চালু করতে পারিনি। আমদানি-রপ্তানি, বন্দর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে আমলাতান্ত্রিক সমস্যা আছে। আমরা খণ্ড খণ্ড কিছু সংস্কার করেছি, কিন্তু তা সমন্বিতভাবে হচ্ছে না। বিডায় সব সেবা পাওয়ার জন্য ৫৪টি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করতে হবে, যা কার্যকরভাবে হচ্ছে না। এগুলোর সমাধান না হলে বিদেশি বিনিয়োগে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসবে না।’

চায়না-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন মৃধা। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চীনত্যাগী কম্পানিকে বাংলাদেশে আনতে আমরা তৎপর। করোনাভাইরাসের কারণে সেখানে এখনই প্রতিনিধিদল যাওয়া সম্ভব না হলেও আমরা অনলাইনে যোগাযোগ রাখছি। বেশ কিছু কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। আমাদের বিডা, বেজা, এফবিসিসিআই, সংশ্লিষ্ট দূতাবাস এবং আমরা একসঙ্গে সমন্বিত চেষ্টা করছি। যেসব কম্পানির কথা শোনা যাচ্ছে তাদের কাছে বাংলাদেশের সুযোগ-সুবিধার লিখিত তথ্য জানিয়েছি। বেশ কিছু কম্পানির কাছ থেকে আমরা সাড়া পাচ্ছি। আশা করছি, বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি বড় কম্পানি আসবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা