kalerkantho

শুক্রবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৭ সফর ১৪৪২

করোনা কমলে সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলতে পারে

ডিসেম্বরে পিইসি পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা, সম্ভব না হলে শিক্ষাবর্ষ বাড়বে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে




করোনা কমলে সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলতে পারে

করোনা মহামারি বাগে আনা গেলে আগামী সেপ্টেম্বরে স্কুল খোলার চিন্তা করছে সরকার। যদি সেপ্টেম্বরেই স্কুল খোলা সম্ভব হয়, তবে ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা শেষ করা হবে। আর যদি সেপ্টেম্বরে স্কুল খোলা সম্ভব না হয়, তাহলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাবর্ষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই দুই পরিকল্পনা নিয়ে প্রাথমিকের সংশোধিত সিলেবাস তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

গতকাল সোমবার শিক্ষা সাংবাদিকদের সংগঠন এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষায় চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পিইসি পরীক্ষা বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত আমাদের নেই। এই পরীক্ষা আরো যুগোপযোগী করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনের কাজ চলছে।’ তিনি বলেন, ‘যদি সেপ্টেম্বরে স্কুল খোলে তাহলে আমাদের একধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। আর এই সময়ে স্কুল খোলা না গেলে ভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী ক্লাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাঠ চিন্তা করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে।’

সংগঠনের সভাপতি মুসতাক আহমদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধূরী, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ প্রমুখ। ইরাবের সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র সদস্য সাব্বির নেওয়াজ।

সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সেফটি-সিকিউরিটির ব্যাপারটি বিবেচনা করেই স্কুল খোলা হবে। তবে আমরা আশা করছি, আগামী সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলতে পারব। করোনা-পরবর্তী সময়ে ঝরে পড়া রোধে আমাদের বেশকিছু পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুল মিল চালুর জন্য ১৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। উপবৃত্তি প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়েছে।’

রাশেদা কে. চৌধূরী বলেন, ‘করোনাকালে শিক্ষায় বৈষম্য বাড়ছে। টেলিভিশনের ক্লাস সবার কাছে পৌঁছছে না। ক্লাসগুলো দিন দিন আকর্ষণ হারাচ্ছে। কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো সত্যিকার অর্থে বিপদে আছে। তাদের জন্য বিনা সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বন্যাদুর্গত এলাকার শিশুদের নিয়ে বিশেষভাবে ভাবতে হবে। ইন্টারনেটের ওপর থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট, ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।’ 

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘টেলিভিশনে প্রচারিত ক্লাস ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী দেখছে। তবে সব শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসের আওতায় আনতে আমরা খুব শিগগিরই রেডিওতে ক্লাস প্রচার শুরু করব। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণও অনলাইনে শুরু হতে যাচ্ছে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা