kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭। ১১ আগস্ট ২০২০ । ২০ জিলহজ ১৪৪১

সাক্ষাৎকার : শরীফ আহমেদ, প্রতিমন্ত্রী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

আরেকজন জি কে শামীম গজানোর সুযোগ নেই

মোশতাক আহমদ   

২৮ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আরেকজন জি কে শামীম গজানোর সুযোগ নেই

জি কে শামীমের মতো দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার তৈরি হওয়াটা ছিল একটি দুর্ঘটনা। বিতর্কিত এই ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে সরকার বিব্রত। তবে এই দুর্নীতিবাজকে কঠোর হাতে রুখে দেওয়া হয়েছে, যাতে আর কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সাহস না পায়। আর কোনো জি কে শামীম তৈরি হওয়ার সুযোগ নেই।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পর প্রথম সভা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীমের প্রতিষ্ঠান জিকেবি অ্যান্ড কম্পানির সব কার্যাদেশ বাতিল করে দিয়েছি। আগামী দিনে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কাজ পাবে না। জি কে শামীমের প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৭টি প্রকল্পের কাজ পেয়েছিল। এরই মধ্যে তাঁর প্রতিষ্ঠানের শেষ করা কাজগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি কমিটি কাজ করছে।

শরীফ আহমেদ বলেন, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ দুর্নীতিতে জড়ালেও রেহাই নেই। তাঁদের যথোপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনা হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আলোচিত ‘বালিশকাণ্ডে’ জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দের জন্য আবেদন করলে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী বিবেচনা করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন যে দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না। এর আলোকে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে ঢাকার মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনে বস্তিবাসীর জন্য ভাড়াভিত্তিক ৫৩৩টি ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের আওতায় অসহায় মানুষের জন্য বাসস্থান/ফ্ল্যাট তৈরির লক্ষ্যে দেশের চিহ্নিত তিনটি পৌরসভা/সিটি করপোরেশন (কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ) এলাকায় বাসস্থান উন্নয়নের একটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ চলমান। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায়

প্রকল্পটিতে পাঁচ হাজার ৭০০ ইউনিট বাসস্থান নির্মাণ/সংস্কার/ সম্প্রসারণের সংস্থান রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব জেলায় গৃহহীন মানুষের মাঝে স্বল্প খরচে ফ্ল্যাট ও প্লট বরাদ্দে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, রাজধানীর উন্নয়নে ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাব) বাস্তবায়ন করা হবে। পূর্বাচল শহরের মেগাপ্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পদ্মা নদীর তীরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সিটি হবে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের বাড়িঘরের ডাটাবেইস তৈরি করা হবে। চট্টগাম, খুলনাসহ সব  উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা