kalerkantho

রবিবার। ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭। ৯ আগস্ট ২০২০ । ১৮ জিলহজ ১৪৪১

বিশেষজ্ঞ মত

দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে গন্তব্য সংকুচিত হবে

এয়ার কমোডর (অব.) এম ইকবাল হুসাইন

১০ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে গন্তব্য সংকুচিত হবে

বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের যাত্রী যেভাবে ফেরত পাঠানো শুরু হয়েছে, যদি এ রকম চলতে থাকে, তা আমাদের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতির কারণ হবে। হাসপাতালগুলো থেকে ভুয়া করোনা নেগেটিভ সনদ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। পাঁচ দিনের জন্য কোনো যাত্রী বিদেশ যাওয়ার পর করোনার কারণে নিজ খরচে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হতে পারে। এতে যাত্রীরও টাকা যাবে আবার দেশের ভাবমূর্তিও নষ্ট হবে।

কোনো দেশ করোনা সনদ বাধ্যতামূলক করুক আর না করুক, আমাদের উচিত এ ব্যাপারে কড়াকড়ি করা। কোনো করোনা রোগী যাতে বিমানে না উঠতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। নইলে একের পর এক সব রুট বন্ধ হয়ে যাবে।

করোনাকালে কিভাবে ফ্লাইট চলবে তার গাইডলাইন দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইকাও)। বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটি এর আলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। এ বিষয়টা বাস্তবায়ন করা কিন্তু সিভিল এভিয়েশনের একার দায়িত্ব না। এটা হেলথ ডিপার্টমেন্টের (স্বাস্থ্য বিভাগ) বিষয়। কারণ সিভিল এভিয়েশনের কারো জানার কথা না সনদটা জাল, নাকি ভুয়া। এটা ধরতে পারবে স্বাস্থ্য বিভাগ। যেমন—রিজেন্ট হাসপাতাল, সেটা সরকার অনুমোদিত। কে জানে সনদে তারা এত জালিয়াতি করবে। এটা ধরার তো কোনো সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব তা যাচাই করা; কিন্তু তারা তা করে না। বিমানবন্দরে আমি নিজেও যাত্রী হিসেবে দেখেছি, তারা অনেক সময়ই ফাঁকিবাজি করে। তারা টেবিলে মাথা দিয়ে ঘুমায়। অনেক সময় থার্মোমিটার পর্যন্ত ধরতে জানে না। অথচ যারা ঢুকছে এবং যারা বের হচ্ছে সবার চেক করা জরুরি।

এমনিতেই এয়ারলাইনস ব্যবসায় মারাত্মক ধস নেমেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশিদের মধ্যে কভিড-১৯ ধরা পড়ায় ইতালিতে আমাদের একটি ফ্লাইট নামতে দেওয়া হয়নি। আমাদের এখান থেকে যেসব ফ্লাইট বাইরে যাচ্ছে, অর্থাৎ যেসব দেশে যাচ্ছে, সেখানে যদি নিয়ম থাকে যে কভিড সনদ লাগবে বা কভিড টেস্ট করাতে হবে। যেমন ইউরোপের দেশগুলোতে নামলেই আপনাকে কভিড টেস্ট করাতে হবে।

লেখক : এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা