kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

ওয়ারীতে লকডাউন শুরু আজ

অনেকেই এলাকা ছেড়েছে ত্রাণ নিশ্চিত করার দাবি নিম্ন আয়ের বাসিন্দাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




ওয়ারীতে লকডাউন শুরু আজ

লকডাউন প্রস্তুতি: করোনাভাইরাস সংক্রমণে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত রাজধানীর ওয়ারীতে আজ শুরু হচ্ছে লকডাউন। আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে ব্যস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল পুরো এলাকায় ছিল এমন ব্যস্ততা। ছবি : কালের কণ্ঠ

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে রাজধানীর দ্বিতীয় এলাকা হিসেবে ওয়ারীতে ২১ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে আজ শনিবার। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪১ নম্বর ওয়ার্ডভুক্ত এ এলাকায় লকডাউন শুরু হয়েছে সকাল ৬টা থেকে।

লকডাউন সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর।

জানা গেছে, ওয়ারীর টিপু সুলতান রোড, যোগীনগর রোড ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক (জয়কালী মন্দির থেকে বলধা গার্ডেন) এলাকাটি লকডাউনের আওতায় রয়েছে। এ ছাড়া লারমিনি স্ট্রিট, হেয়ার স্ট্রিট, ওয়্যার স্ট্রিট, র্যাংকিন স্ট্রিট এবং নবাব স্ট্রিট লকডাউনের আওতায় থাকবে। প্রায় এক লাখ বাসিন্দার এ এলাকাটিতে জরুরি যোগাযোগের জন্য দুটি সড়ক খোলা রাখা হয়েছে। এগুলো হলো র্যাংকিন স্ট্রিট ও হেয়ার স্ট্রিট। বাকি সব সড়কের প্রবেশ ও বের হওয়ার মুখে বাঁশ দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। এলাকাটিতে বসবাসরত কোনো নাগরিক জরুরি প্রয়োজন ছাড়া প্রবেশ ও বের হতে পারবে না। বাসিন্দাদের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ১২০ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। কেউ ফোন করলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র স্বেচ্ছাসেবকরা বাসায় পৌঁছে দেবেন। এর জন্য ওয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ওয়ারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকছে মেডিক্যাল টিম। সেখানেই করোনা পরীক্ষার বুথ স্থাপন করা হয়েছে। লকডাউন করা এলাকার কাউকে চিকিৎসার প্রয়োজনে বাইরে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অ্যাম্বুল্যান্স। বাসাবাড়িতে খাবার নেওয়া যাবে অনলাইনে অর্ডার করে। এ ছাড়া স্থানীয় কাউন্সিলর অফিসে ফোন করলে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা হবে। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ছাড়াও পুলিশ প্রশাসনের কর্মীরা লকডাউন করা এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। সকাল থেকেই সেনা সদস্যরা টহলে রয়েছেন। বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেনা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর জানিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার লকডাউনের সিদ্ধান্ত জানার পরই এলাকাটিতে বসবাস করা অনেকেই বাইরে চলে গেছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যও মজুদ করেছে বাসিন্দারা। উচ্চবিত্তরা লকডাউনকে স্বাগত জানালেও নিম্নবিত্তদের মাথায় বাজ পড়েছে এ খবরে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা