kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

প্রধানমন্ত্রী বললেন

মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে প্রাণপণ চেষ্টা করছি

বিশেষ প্রতিনিধি   

৫ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে প্রাণপণ চেষ্টা করছি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে প্রাণপণে চেষ্টা করে যাচ্ছি। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত করা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করা, তাদের সামাজিক নিরাপত্তা দেওয়া—সব দিক থেকে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’ গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুদান গ্রহণ অনুষ্ঠানে মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে সরকারের নেওয়া এসব উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনুদান গ্রহণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে অনুদান গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও কেন শিল্প-প্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করা হয়েছে, সে বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘যেহেতু অর্থনীতি একেবারে স্থবির অবস্থায় রয়েছে, আমরা কিছু কিছু ক্ষেত্রে এখন উন্মুক্ত করছি। কারণ মানুষকে আমাদের তো বাঁচাতে হবে। এই কর্মকাণ্ডগুলো না করলে, কতটা আমরা সহযোগিতা করব! তার পরও আমি বলব, এই কয়েক মাস এ দেশে প্রায় প্রতি স্তরের মানুষকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা দিচ্ছি।’

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দরিদ্র মানুষকে সহযোগিতায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও বিত্তবানদের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে আমরা করেছি, আমাদের দলের পক্ষ থেকে করেছি। অনেক বিত্তশালী, তাঁরাও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এই আন্তরিকতাটুকু আছে বলে এখনো তারা খেতে পারছে বা চলতে পারছে। এই সহানুভূতিটুকু মানুষ দেখাতে পারছে।’

চিকিৎসাসেবা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘চিকিৎসাসেবা আমরা ব্যাপকভাবে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি এবং আমরা দিয়ে যাচ্ছি। বিনা পয়সায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। করোনাভাইরাস টেস্ট করা বা চিকিৎসা করা বেশ ব্যয়বহুল। তার পরও আমরা সেটা করে যাচ্ছি। এভাবে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিন-চার মাস ধরে আমাদের অর্থনীতি একেবারে স্থবির। তার পরও আমরা অন্তত মানুষের কথা চিন্তা করে, মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে কাজ করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে গতকাল অনুদান প্রদান করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটি; কর্ণফুলি ফার্টিলাইজার কম্পানি লিমিটেড; বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জিএমএস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড ও জিএমএস টেক্সটাইল, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রিজ, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, আলীবাবা অ্যান্ড জ্যাক মা ফাউন্ডেশন, ফ্যাশন গ্লোব গ্রুপ, আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়ার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিস (বেসিস), পিপিএস প্লাস্টিক পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ সাহাবুদ্দি চুপ্পু, ডা. রাফা ইসলাম, ডা. সোনিয়া জেমিন প্রীত, ডা. সাদিয়া আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান প্রদান করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা