kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

বিশেষজ্ঞ মত

ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে

মীর নাসির হোসেন, সাবেক সভাপতি, এফবিসিসিআই

২ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে

আসছে অর্থবছর সরকারের জন্য নানা চ্যালেঞ্জের। একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটের বছর, যদিও বাজেটে তেমন বৈচিত্র্য থাকবে না। এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) রীতি মেনে বড় অঙ্কের করা হচ্ছে। আগেরটি বাস্তবায়িত হয়নি, সামনেও বড় অঙ্কের এডিপি। বাজেটও দেওয়া হচ্ছে বড় অঙ্কের। আগে যেমন বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা হতো, আসছে বছরে তা সম্ভব হবে না। কারণ রাজস্ব আয় হচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত হারে। তার পরও তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কঠিন এক লক্ষ্য, যা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। এরই মধ্যে সরকার ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা ধার করেছে। লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকার টাকা পাবে না। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ধার করবে। তারাও সহায়তা দেবে।

এদিকে ব্যাংক থেকে সরকার প্রণোদনার সহায়তাও নিচ্ছে।

সামনে যদি ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে আরো টাকা নেওয়া হয় তবে বেসরকারি খাত ঋণ পাবে না, বসে যাবে। দেশীয় শিল্প মারাত্মক বিপর্যয়ে পড়বে। এ জন্য আসছে বছরে ব্যাংককে বেসরকারি খাতের সহায়তার জন্য শক্তিশালী রাখতে হবে। সরকারের টাকা নেওয়া কমাতে হবে। আর বেসরকারি খাতকে টিকে থাকার জন্য রাজস্ব সহায়তা দিতে হবে। স্বাস্থ খাত, কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বোরো ভালো হলেও সামনে আউশ ও আমনের ফলন যাতে ভালো হয় সে ব্যাপারে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। মোটাদাগে করোনার প্রভাব থেকে অর্থনীতি টিকিয়ে রাখতে হলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ এই করোনা কখন শেষ হবে কেউ জানে না। যতক্ষণ পর্যন্ত ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হবে, এভাবেই চলতে হবে। তাই অর্থনৈতিক কৌশলও হতে হবে সময়োপযোগী।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা