kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

বিশেষজ্ঞ মত

বিনিয়োগ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে

আহসান এইচ মনসুর, নির্বাহী পরিচালক, পিআরআই

২ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিনিয়োগ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে

নারীরা এমন অনেক কাজ করেন যেগুলো জিডিপিতে গণনা হয় না। কারণ আন্তর্জাতিক- ভাবে এটা গণনায় নেওয়া হয় না। এটা নিয়ে এখনো বিতর্ক আছে। যখন আন্তর্জাতিকভাবে এটা গণনায় নেওয়া হবে তখন আমরাও তা গণনা করব।

আগামী বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হলে তা খুব বেশি কাজে আসবে বলে আমার মনে হয় না। কারণ এর আগেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, তাতে রাজস্ব তেমন বাড়েনি। আর কালো টাকা দিয়ে কেউ বড় বড় শিল্প-কারখানা করেছে বলেও আমার জানা নেই। কেউ হয়তো বাড়ি কিনে থাকতে পারে। তাই এ সুবিধা দিতে কালো

টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার কোনো মানে হয় না। কারণ এ সুবিধায় কোনো কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না।

পাচার করা টাকার ক্ষেত্রে সরকার যদি আরো জোর প্রচেষ্টা চালাত তাহলে আরো ভালো ফল পাওয়া যেত। এখানে রাজনৈতিক সদিচ্ছা একটা বড় ব্যাপার। কোকোর (খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে) টাকা ফেরত আনার ব্যাপারে সরকার সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করেছে এবং তা ফেরত আনতে পেরেছে। কিন্তু রাজনৈতিক লোকেরাই যদি এ কাজে জড়িত থাকেন তাহলে তো রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকে না।

আগামী অর্থবছরও রাজস্ব একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে। করোনা চলে গেলেও এ চ্যালেঞ্জ থাকবে। এ ক্ষেত্রে পুরো সিস্টেম ঢেলে সাজাতে হবে। মাঠপর্যায় থেকে শুরু করে সব কিছু। অটোমেশনের আওতায় আনতে হবে। আইনগত পরিবর্তন আনতে হবে। এতে আধুনিক কর ব্যবস্থা আসবে। বিশাল অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রায়ও পরিবর্তন আনতে হবে।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে করোনা। করোনাভাইরাসকে সহনীয় পর্যায়ে যদি নামিয়ে না আনতে পারি তাহলে কেউ বিনিয়োগ করবে না। আগে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সরকারি বিনিয়োগ হয়তো কিছু হবে, কিন্তু বেসরকারি হবে না। যখন করোনা থাকবে না তখন যাতে বিদেশি বিনিয়োগকারী আনতে পারি সে ব্যবস্থা করতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে। পাশাপাশি ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সে জন্য বিনিয়োগ পরিবেশ এবং অবকাঠামোগত সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা