kalerkantho

শনিবার । ২০ আষাঢ় ১৪২৭। ৪ জুলাই ২০২০। ১২ জিলকদ  ১৪৪১

বেশি খবর বেশি পৃষ্ঠা কালের কণ্ঠে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বেশি খবর বেশি পৃষ্ঠা কালের কণ্ঠে

ঝড়-ঝঞ্ঝা, মহামারি, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, যুদ্ধবিগ্রহ—শত প্রতিকূলতার মধ্যেও থেমে থাকে না সাংবাদিকতা। এই করোনা মহামারির মধ্যেও সার্বক্ষণিক সচল আছে কালের কণ্ঠ। সবচেয়ে বেশি খবর ও পৃষ্ঠা নিয়ে মুদ্রিত সংস্করণ স্বাভাবিক নিয়মেই প্রতিদিন ভোরে পাঠকের দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছে। অনলাইনও চালু আছে সপ্তাহের সাত দিন, ২৪ ঘণ্টাই।

কালের কণ্ঠ’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামাল বলেন, করোনা মহামারি গণমাধ্যমের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে। সাংবাদিক ও কর্মীদের সুস্থ রাখার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান সচল রাখার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল মহামারির শুরু থেকেই। বিজ্ঞাপন স্বল্পতাসহ বিভিন্ন কারণে অনেক সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠান তাদের প্রকাশনার পৃষ্ঠা কমিয়েছে। কিন্তু পাঠকের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণেই আমরা এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। প্রতিদিনই আমরা ১৬ পৃষ্ঠার মুদ্রিত সংস্করণ পাঠকের সামনে তুলে ধরেছি। কালের কণ্ঠ বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে বেশি পৃষ্ঠার পত্রিকা। অনলাইনে কালের কণ্ঠ’র মুদ্রিত সংস্করণের ই-পেপারও সবার জন্য উন্মুক্ত।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক বলেন, করোনা মহামারির সময় কালের কণ্ঠ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা করেছে। মহামারি নিয়ে অতিরঞ্জিত খবর দিয়ে আমরা আতঙ্ক ছড়াইনি। আমরা করোনার ওষুধ আবিষ্কারের অব্যাহত প্রয়াস, সুস্থ থাকার পরামর্শ, বিশেষজ্ঞ মতামত থেকে শুরু করে সব দিকের সব খাতের নির্ভরযোগ্য ও ইতিবাচক খবরগুলোও পাঠকের জন্য তুলে আনছি।

কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনার শুরু থেকেই সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে কালের কণ্ঠ। করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলোর ব্যাপারে কর্মীদের সচেতন করা হয়েছে। কর্মীদের বড় অংশই পালাক্রমে বাসায় থেকে কাজ করছেন। গত মার্চ মাস থেকেই অফিসে প্রবেশের ক্ষেত্রে কর্মীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা ও হাত-পা জীবাণু নিরোধকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অফিসে সার্বক্ষণিক মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমান ব্যবস্থায় ছাপাখানা থেকে পাঠকের কাছে কালের কণ্ঠ’র মুদ্রিত সংস্করণ পৌঁছানো পর্যন্ত কারো খালি হাতের ছোঁয়া লাগছে না।

সচেতনতামূলক উদ্যোগের পরও কালের কণ্ঠ’র প্রধান কার্যালয় ও বাইরের পাঁচজন কর্মী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন সুস্থ হয়েছেন। বাকিদের অবস্থাও স্থিতিশীল। কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ তাঁদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখছে। অফিসের কোনো কর্মীর শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ার পরপরই তাঁর সংস্পর্শে আসা অন্য কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। এর আগে কোয়ারেন্টিনে যাওয়া কর্মীরা নির্ধারিত সময় শেষে আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ও কাজের পরিবেশ আরো নিরাপদ করতে কালের কণ্ঠ তার ঢাকা অফিসের কর্মীদের নমুনা পরীক্ষা করানোরও উদ্যোগ নিয়েছে।

কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনা মহামারির এই সংকটের সময়ও কালের কণ্ঠ’র পথ চলার শক্তি পাঠক, কর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও বিজ্ঞাপনদাতারা। সবার সমর্থন ও সহযোগিতায় আগামী দিনগুলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সামনে এগিয়ে যেতে কালের কণ্ঠ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

মন্তব্য