kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপন

বকেয়া বিল দ্রুত পরিশোধের তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বকেয়া বিল দ্রুত পরিশোধের তাগিদ

মহামারির মধ্যে সংবাদকর্মীদের সংকট বিবেচনায় নিয়ে সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপনের বকেয়া বিল পরিশোধে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাগিদপত্র দেওয়া হয়েছে, এমনটা জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ।

সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপনের বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোয় আগেই চিঠি দেয় তথ্য মন্ত্রণালয়। তাতে বকেয়া পরিশোধের কাজে গতি না আসায় পরবর্তী সময় দেওয়া হয় তাগিদপত্র। তবে কোনো অনুরোধ, নির্দেশ, তাগিদপত্রই কাজে আসছে না। অভিযোগ পাওয়া গেছে, অধিকাংশ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফলে বকেয়া বিল পরিশোধে শৈথিল্য দেখা দিয়েছে। জবাবদিহি না থাকা ও পুরনো পদ্ধতি অনুসরণ করে বিল পরিশোধ করার সংস্কৃতির ফলে বিল পরিশোধে গতি নেই। আগামী মাসেই শেষ হচ্ছে চলতি অর্থবছর। তার ওপর সামনে ঈদ। ফলে ঈদের আগেই বিল পরিশোধের কাজে গতি আনার তাগিদ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

জানা গেছে, তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি যাওয়ার পর অর্থ মন্ত্রণালয় মাত্র ১৫ কোটি টাকা ছাড় করেছে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত সংবাদপত্রশিল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই বকেয়া বিল পরিশোধ করা জরুরি। তা না হলে সংকটের মাত্রা আরো বেড়ে যাবে।

এ বিষয়ে গত সোমবার বিকেলে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্মুদ তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়ে বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সংবাদকর্মীদের বেতন-ভাতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি বিজ্ঞাপনের বকেয়া বিলগুলো ছাড় করানোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় ১৫ কোটি টাকা ছাড় করে। এ বিল অনেক সংবাদপত্রকে দেওয়া হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সংবাদপত্রগুলো সরকারের বিভিন্ন সংস্থার বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে থাকে। সেখানেও বহু কোটি টাকার বিল বকেয়া রয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, যাতে বকেয়া বিলগুলো ছাড় করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সেই চিঠির সূত্র ধরে তথ্য মন্ত্রণালয় ওই সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে তাগিদপত্র পাঠিয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা