kalerkantho

রবিবার । ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩১  মে ২০২০। ৭ শাওয়াল ১৪৪১

করোনাযুদ্ধে নিজের এক-চতুর্থাংশ সম্পদ দান টুইটার সিইওর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনাযুদ্ধে নিজের এক-চতুর্থাংশ সম্পদ দান টুইটার সিইওর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গবেষণা ও ত্রাণ তহবিলের জন্য ১০০ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় আট হাজার ৭০০ কোটি টাকা) দান করার ঘোষণা দিয়েছেন টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জ্যাক ডরসি। তাঁর এই দানের পরিমাণ মোট সম্পদের এক-চতুর্থাংশের বেশি, অর্থাৎ ২৮ শতাংশ। গতকাল বুধবার এক টুইটে তিনি এ ঘোষণা দেন।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান টুইটার এবং পেমেন্ট অ্যাপ স্কয়ারের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জ্যাক ডরসি। ২০০৬ সালে টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন জ্যাক ডরসি, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস ও নোয়া গ্লাস।

টুইটে ডরিস জানান, তাঁর ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের অনুদান ‘স্টার্ট স্মল’ নামের একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে দিচ্ছেন। এই টাকা মূলত বিশ্বব্যাপী মহামারি কভিড-১৯ মোকাবেলায় গবেষণা ও ত্রাণ তহবিলে ব্যয় হবে। এ সংকট কাটিয়ে ওঠার পর বিশ্বজুড়ে মেয়েদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট খাতে নজর দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।   

ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, জ্যাক ডরসির মোট সম্পদের পরিমাণ ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস মহামারির লড়াইয়ে এটাই ব্যক্তিগত পর্যায়ে সর্বোচ্চ দানের ঘটনা।

মার্কিন ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ধনী জেফ বেজোস বলেছেন, ফিডিং আমেরিকা নামের দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ফুড ব্যাংকে ১০ কোটি মার্কিন ডলার সাহায্য করছেন তিনি। গত সপ্তাহে ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জেফ বেজোস বলেছেন, ‘এমনকি সাধারণ সময়ে আমেরিকান পরিবারগুলোতে খাদ্যের নিরাপত্তাহীনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। দুর্ভাগ্যক্রমে কভিড-১৯ উল্লেখযোগ্যভাবে সেই সমস্যা আরো বাড়িয়েছে।’ বেজোসের মোট সম্পদ ১২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি যে দান করেছেন, তা তাঁর মোট সম্পদের দশমিক ১ শতাংশ।

বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন কভিড-১৯ ভ্যাকসিন উৎপাদনের প্রচেষ্টা হিসেবে পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ১০ কোটি মার্কিন ডলার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে। ডেল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল ডেলও ১০ কোটি মার্কিন ডলার দানের ঘোষণা দিয়েছেন। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ঘোষণা দিয়েছেন দুই কোটি মার্কিন ডলার অনুদানের। 

গত মঙ্গলবার দ্য ওয়েলকাম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে মহামারি মোকাবেলায় বড় বড় ব্যবসায়ীর করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট, থেরাপি ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার দানের আহ্বান জানানো হয়। লন্ডনভিত্তিক চিকিৎসা গবেষণা খাতের দাতব্য প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জেরেমি ফারার বলেন, মহামারি থেকে রক্ষা পেতে ও লাখো জীবন বাঁচাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিশাল বিনিয়োগই এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা